Tiger Shroff Firing Update: বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের ওপর প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে বিনোদন দুনিয়ায়। গত রবিবার সন্ধ্যায় অভিনেতাকে লক্ষ্য করে সাত রাউন্ড গুলি চালানোর চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিন জনকে রাজস্থানের কোটা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই আবহে টাইগার শ্রফের (Tiger Shroff) উপর হামলার ঘটনায় বড় তথ্য সামনে এল। শুরুতে হামলাটিকে ঘিরে নানা প্রশ্ন থাকলেও এখন তদন্তকারীরা হামলাকারীদের পরিচয়, তাদের পেশা, পালানোর পরিকল্পনা এবং হামলার নেপথ্যে দেওয়া প্রলোভন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে পেয়েছেন।

বিদেশে চাকরি এবং মোটা অঙ্কের টাকার লোভ দেখিয়ে এই হামলা চালানো হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় পরিকল্পনা মাফিক দুই দুষ্কৃতী টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে পরপর সাত রাউন্ড গুলি চালায়। এ সময় তাদের অপর এক সহযোগী মাত্র কয়েক মিটার দূরে মোটরসাইকেল নিয়ে অপেক্ষা করছিল। অভিনেতার ওপর হামলা চালিয়ে তিনজনই বাইকে করে পালিয়ে যায় এবং আন্ধেরি ওয়েস্ট রেলস্টেশনের কাছে বাইকটি ফেলে রেখে জয়পুরগামী ট্রেনে চেপে বসে। সূত্রের খবর, এই হামলার জন্য মাত্র ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়েছিল। অভিযুক্তদের বয়স বেশ কম—বিহারের বেগুসরাইয়ের ২২ বছর বয়সি হৃতিক ওরফে রোশন, হরিয়ানার সোনিপতের ১৮ বছর বয়সি রেহান এবং হরিয়ানারই অপর ১৮ বছর বয়সি ফুল সিং।
পুলিশ সূত্রে খবর, বিদেশে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে এবং ছোট ছোট কিস্তিতে টাকা পাঠিয়ে এই অপরাধের জন্য তাদের ব্যবহার করা হয়েছিল। এই অর্থের উৎস গোপন রাখতেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই হামলার পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততার কথা জানানো হয়। নিজেকে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ছোট ভাই বলে দাবি করে অনিল পণ্ডিত নামের এক ব্যক্তি হামলার দায় স্বীকার করে। অডিও বার্তায় বলা হয়, 'টাইগার শ্রফকে বোঝানো হয়েছিল, কিন্তু তিনি আমাদের কথা বোঝেননি।' পাশাপাশি অভিনেতা সলমন খানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদেরও প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ওই বার্তায় বলা হয়, 'পুরো ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে যারা আমাদের তোয়াক্কা না করে কাজ করবে কিংবা সলমন খানের সঙ্গে কাজ করবে, তাদের সবাইকে হত্যা করা হবে। এটি আমাদের প্রথম এবং শেষ সতর্কবার্তা।'
ঘটনার পরই নড়েচড়ে বসে মুম্বই পুলিশ। ক্রাইম ব্রাঞ্চের প্রায় ২০টি বিশেষ দল মাঠে নামে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানতে পারে যে অভিযুক্তরা উত্তর মুম্বই থেকে সুরাট হয়ে পুনে-জয়পুর এক্সপ্রেসে চড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। তাৎক্ষণিকভাবে কোটা পুলিশকে সতর্ক করা হলে, সোমবার সকালে ট্রেনের নির্দিষ্ট বগি থেকে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, অভিযুক্তরা নেপালে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল।
{{/usCountry}}ঘটনার পরই নড়েচড়ে বসে মুম্বই পুলিশ। ক্রাইম ব্রাঞ্চের প্রায় ২০টি বিশেষ দল মাঠে নামে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানতে পারে যে অভিযুক্তরা উত্তর মুম্বই থেকে সুরাট হয়ে পুনে-জয়পুর এক্সপ্রেসে চড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। তাৎক্ষণিকভাবে কোটা পুলিশকে সতর্ক করা হলে, সোমবার সকালে ট্রেনের নির্দিষ্ট বগি থেকে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, অভিযুক্তরা নেপালে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল।
{{/usCountry}}