...
...
Next Story

India-US Trade Deal: কবে সই হবে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি? শর্ত জানাল কেন্দ্রীয় সরকার

পীযূষ গয়ালের বক্তব্য, আমেরিকা যদি ভারতীয় পণ্যের জন্য প্রতিযোগী দেশগুলির তুলনায় সুবিধাজনক শুল্কহার দেয়, তা হলেই চুক্তি চূড়ান্ত করা হবে। পীযূষ গয়ালের কথায়, 'প্রতিযোগীদের তুলনায় ভারতকে অগ্রাধিকার দিয়ে শুল্কহার ধার্য করা হলেই' চুক্তির বাকি প্রক্রিয়া শেষ করা হবে।

Published on: Sep 4, 2026, 09:18:00 IST
Advertisement

ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জট কাটছে না। তবে চুক্তি আটকে থাকার কারণ স্পষ্ট করে দিল কেন্দ্র। বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল জানালেন, আমেরিকার তরফে এমন শুল্ক কাঠামো দরকার, যাতে অন্য প্রতিযোগী দেশের তুলনায় ভারত বাড়তি সুবিধা পায়। সেই সুবিধা মিললেই চুক্তি চূড়ান্ত করবে দিল্লি। অর্থাৎ, চুক্তি হবে কি না, তা নিয়ে আর প্রশ্ন নেই। এখন মূল প্রশ্ন শুল্কের হার।

‘তুলনামূলক শুল্ক সুবিধা পেলেই চুক্তি’

ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জট কাটছে না।
ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জট কাটছে না।

বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে মুখ খোলেন পীযূষ গয়াল। তাঁর বক্তব্য, আমেরিকা যদি ভারতীয় পণ্যের জন্য প্রতিযোগী দেশগুলির তুলনায় সুবিধাজনক শুল্কহার দেয়, তা হলেই চুক্তি চূড়ান্ত করা হবে। পীযূষ গয়ালের কথায়, 'প্রতিযোগীদের তুলনায় ভারতকে অগ্রাধিকার দিয়ে শুল্কহার ধার্য করা হলেই' চুক্তির বাকি প্রক্রিয়া শেষ করা হবে। অর্থাৎ, দিল্লির কাছে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল শুল্কে বাড়তি সুবিধা।

ফেব্রুয়ারিতেই বাণিজ্য চুক্তির কাঠামো তৈরি হয়েছিল

ভারত ও আমেরিকা গত ২ ফেব্রুয়ারি একটি অন্তর্বর্তী দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির কাঠামো চূড়ান্ত করেছিল। তখন মনে হয়েছিল, দ্রুতই সই হয়ে যাবে চুক্তি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। এর মধ্যে আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ শুল্ক আরোপের আইনি ভিত্তি বাতিল করে। ফলে ভারতকে দেওয়া প্রস্তাবিত শুল্ক-সুবিধা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সেই কারণেই আটকে যায় চূড়ান্ত চুক্তি। আমেরিকার সঙ্গে আলোচনাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি আটকে থাকলেও ভারত থেমে নেই। কানাডা, চিলি, মেক্সিকো, ইজরায়েল এবং উপসাগরীয় দেশগুলির সঙ্গেও বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। চিলির সঙ্গে CEPA প্রায় চূড়ান্ত বলেও সরকারি সূত্রের দাবি। চিলি গুরুত্বপূর্ণ খনিজে সমৃদ্ধ। তাই এই চুক্তিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং আসিয়ান-এর সঙ্গেও পুরনো বাণিজ্য চুক্তি আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা চলছে।

ভারতের লক্ষ্য আরও বড় বাজার

মোদী সরকারের আমলে ইতিমধ্যেই ন’টি FTA হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বাজারে ভারতীয় পণ্যের জন্য বিশেষ সুবিধা তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রের লক্ষ্য আরও বড়। নতুন চুক্তিগুলি কার্যকর হলে বিশ্বের প্রায় ৭৫ শতাংশ বাণিজ্য বাজারে প্রতিযোগী দেশগুলির তুলনায় সুবিধাজনক শুল্কে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা ভারত-আমেরিকা চুক্তি। কেন্দ্রের বার্তা স্পষ্ট। শুধু চুক্তি চাই না দিল্লি। চাই এমন চুক্তি, যাতে আমেরিকার বাজারে ভারতীয় পণ্য প্রতিযোগীদের সঙ্গে সমান বা আরও সুবিধাজনক অবস্থানে থাকে। সেই ‘তুলনামূলক শুল্ক সুবিধা’ মিললেই সই হবে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe