...
...
Next Story

'ইরানে মার্কিন হামলায় অনেক দেশ লাভবান, তাই তাদের সাহায্য করা উচিত ট্রাম্পকে', আজব যুক্তি হোয়াইট হাউজের প্রেস সচিবের

ইরানে মার্কিন হামলার জেরে বিশ্ব জুড়ে তেলের দাম বেড়ে চলেছে। বিশ্ব বাণিজ্যে অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যহত হয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি না চাইতেও যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। তবে ক্যারোলিন লেভিটের কথায়, ট্রাম্পের এই যুদ্ধ যেন গোটা বিশ্বকে উদ্ধার করার জন্যে চালানো হচ্ছে।

Published on: Mar 17, 2026, 08:32:04 IST
Advertisement

ইরানে মার্কিন হামলায় অনেক দেশ উপকৃত, তাই তাদের ট্রাম্পকে সাহায্য করা উচিত হরমুজ প্রণালীকে সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে, আজব যুক্তি হোয়াইট হাউজের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিটের। উল্লেখ্য, ইরানে মার্কিন হামলার জেরে বিশ্ব জুড়ে তেলের দাম বেড়ে চলেছে। বিশ্ব বাণিজ্যে অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যহত হয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি না চাইতেও যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। তবে ক্যারোলিন লেভিটের কথায়, ট্রাম্পের এই যুদ্ধ যেন গোটা বিশ্বকে উদ্ধার করার জন্যে চালানো হচ্ছে।

ক্যারোলিন লেভিটের কথায়, ট্রাম্পের এই যুদ্ধ যেন গোটা বিশ্বকে উদ্ধার করার জন্যে চালানো হচ্ছে। (AP)
ক্যারোলিন লেভিটের কথায়, ট্রাম্পের এই যুদ্ধ যেন গোটা বিশ্বকে উদ্ধার করার জন্যে চালানো হচ্ছে। (AP)

উল্লেখ্য, গতকাল এক সাংবাদিক ক্যারোলিনাকে প্রশ্ন করেছিলেন, অন্য দেশ কেন হরমুজ ইস্যুতে আমেরিকাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসবে? জবাবে হোয়াইট হাউজের প্রেস সচিব বলেন, 'ইরানের ওপর আমেরিকার সেনার হামলায় অনেক দেশ লাভবান হচ্ছে। ইরানি শাসকরা শুধুমাত্র আমেরিকার জন্য হুমকি ছিল না, পশ্চিম এশিয়ায় আমাদের মিত্রদের জন্যও তারা হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। উপসাগরীয় অঞ্চলে এখনও পর্যন্ত ৩০০টিরও বেশি অসামরিক স্থানে হামলা চালিয়েছে ইরান। যদি ইউরোপের কথা বলেন, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল ইউরোপের জন্য হুমকি ছিল। তবে ইরানের সেই ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ার সক্ষমতাকে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে আমেরিকা। এই কারণেই তো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই পদক্ষেপ করেছিলেন। তাই এই দেশগুলি লাভবান হচ্ছে, কারণ ইরান কোনওদিনও পরমাণু অস্ত্র হাতে পাবে না। এই নিয়ে গোটা পশ্চিমী বিশ্ব বহু বছর ধরে সহমত। তাই আমার মনে হয় ট্রাম্প একদম সঠিকভাবেই এই সব দেশকে আরও কিছু করতে বলছেন। তাদের আমেরিকাকে সাহায্য করা উচিত হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত করার ক্ষেত্রে। যাতে আমরা এই সন্ত্রাসী শাসকদের আটকাতে পারি।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe