ইরানে মার্কিন হামলায় অনেক দেশ উপকৃত, তাই তাদের ট্রাম্পকে সাহায্য করা উচিত হরমুজ প্রণালীকে সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে, আজব যুক্তি হোয়াইট হাউজের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিটের। উল্লেখ্য, ইরানে মার্কিন হামলার জেরে বিশ্ব জুড়ে তেলের দাম বেড়ে চলেছে। বিশ্ব বাণিজ্যে অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যহত হয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি না চাইতেও যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। তবে ক্যারোলিন লেভিটের কথায়, ট্রাম্পের এই যুদ্ধ যেন গোটা বিশ্বকে উদ্ধার করার জন্যে চালানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গতকাল এক সাংবাদিক ক্যারোলিনাকে প্রশ্ন করেছিলেন, অন্য দেশ কেন হরমুজ ইস্যুতে আমেরিকাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসবে? জবাবে হোয়াইট হাউজের প্রেস সচিব বলেন, 'ইরানের ওপর আমেরিকার সেনার হামলায় অনেক দেশ লাভবান হচ্ছে। ইরানি শাসকরা শুধুমাত্র আমেরিকার জন্য হুমকি ছিল না, পশ্চিম এশিয়ায় আমাদের মিত্রদের জন্যও তারা হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। উপসাগরীয় অঞ্চলে এখনও পর্যন্ত ৩০০টিরও বেশি অসামরিক স্থানে হামলা চালিয়েছে ইরান। যদি ইউরোপের কথা বলেন, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল ইউরোপের জন্য হুমকি ছিল। তবে ইরানের সেই ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ার সক্ষমতাকে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে আমেরিকা। এই কারণেই তো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই পদক্ষেপ করেছিলেন। তাই এই দেশগুলি লাভবান হচ্ছে, কারণ ইরান কোনওদিনও পরমাণু অস্ত্র হাতে পাবে না। এই নিয়ে গোটা পশ্চিমী বিশ্ব বহু বছর ধরে সহমত। তাই আমার মনে হয় ট্রাম্প একদম সঠিকভাবেই এই সব দেশকে আরও কিছু করতে বলছেন। তাদের আমেরিকাকে সাহায্য করা উচিত হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত করার ক্ষেত্রে। যাতে আমরা এই সন্ত্রাসী শাসকদের আটকাতে পারি।'
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালীতে ইরানকে যে তারা একা প্রতিহত করতে পারছে না, তা কার্যত ট্রাম্পের কথায় স্পষ্ট। এই আবহে গতকাল চিনের কাছে পর্যন্ত সাহায্য চাইলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুধু চিন নয়, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইউরোপেরও নাম নেন তিনি। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, 'আমেরিকার ১ শতাংশেরও কম তেল হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে। তাই আমাদের কোনও সমস্যা নেই। তবে অন্য অনেক দেশের অর্থনীতি হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল। তাদের বেশিরভাগ তেল হরমুজ দিয়ে যায়। চিনের ৯০ শতাংশ তেল যায় হরমুজ দিয়ে। এছাড়া জাপানের বেশিরভাগ তেলও এখান দিয়ে যায়, দক্ষিণ কোরিয়ার ৩৫ শতাংশ তেল যায় এই প্রণালী দিয়ে। ইউরোপেরও প্রচুর পরিমাণের তেল এখান দিয়ে যায়। তাই আমি চাই এই দেশগুলো হরমুজ প্রণালী খোলা রাখতে আমাদের সাহায্য করুক।' পরে এক সাংবাদিক ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন দেশ হরমুজ প্রণালী খোলা রাখতে আমেরিকাকে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছে? এর জবাবে ট্রাম্প জানান, পরে তিনি সেই সব দেশের তালিকা দিয়ে দেবেন।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালীতে ইরানকে যে তারা একা প্রতিহত করতে পারছে না, তা কার্যত ট্রাম্পের কথায় স্পষ্ট। এই আবহে গতকাল চিনের কাছে পর্যন্ত সাহায্য চাইলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুধু চিন নয়, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইউরোপেরও নাম নেন তিনি। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, 'আমেরিকার ১ শতাংশেরও কম তেল হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে। তাই আমাদের কোনও সমস্যা নেই। তবে অন্য অনেক দেশের অর্থনীতি হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল। তাদের বেশিরভাগ তেল হরমুজ দিয়ে যায়। চিনের ৯০ শতাংশ তেল যায় হরমুজ দিয়ে। এছাড়া জাপানের বেশিরভাগ তেলও এখান দিয়ে যায়, দক্ষিণ কোরিয়ার ৩৫ শতাংশ তেল যায় এই প্রণালী দিয়ে। ইউরোপেরও প্রচুর পরিমাণের তেল এখান দিয়ে যায়। তাই আমি চাই এই দেশগুলো হরমুজ প্রণালী খোলা রাখতে আমাদের সাহায্য করুক।' পরে এক সাংবাদিক ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন দেশ হরমুজ প্রণালী খোলা রাখতে আমেরিকাকে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছে? এর জবাবে ট্রাম্প জানান, পরে তিনি সেই সব দেশের তালিকা দিয়ে দেবেন।
{{/usCountry}}