এই মুহূর্তে জাতীয় রাজনীতিতে চর্চায় আম আদমি পার্টি। হঠাৎ করেই দলের অন্যতম পরিচিত মুখ রাঘব চাড্ডাকে রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে আপ। তাঁর পরিবর্তে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনা হয়েছে সাংসদ অশোক মিত্তলকে। আর তারপর থেকেই দলের ভেতরে কী দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও বড় রাজনৈতিক পরিকল্পনা রয়েছে, এই নিয়েই আলোচনা শুরু হয়েছে।

দলের ডেপুটি লিডারের পদ থেকে রাঘব চাড্ডার অপসারণ দলের অভ্যন্তরে একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও আপ নেতারা রাজ্যসভার ডেপুটি লিডারের পদ থেকে চাড্ডাকে সরানোর সিদ্ধান্তকে অভ্যন্তরীণ পুনর্গঠনের অংশ বলে বর্ণনা করেছেন। তবে দিল্লি বিজেপি প্রধান বীরেন্দ্র সচদেব বলেছেন, 'রাঘব চাড্ডাকে যেভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং কোণঠাসা করা হচ্ছে, তা থেকেই বোঝা যায় যে তিনি অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নৈরাজ্যপূর্ণ ও দুর্নীতিগ্রস্ত নেতৃত্ব থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছেন।' অন্যদিকে, কংগ্রেস সাংসদ অমরিন্দর সিং রাজা ওয়ারিং বলেন, 'এটা এখন স্পষ্ট যে রাঘব চাড্ডা আপ থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছেন। সূত্রের খবর, দলের শীর্ষ নেতারা আবগারি নীতি মামলায় স্বস্তি পেলেও, রাঘব চাড্ডা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে দেখা করেননি বা সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। তাঁর এই 'নীরবতা'কে দলের অভ্যন্তরে দূরত্ব তৈরির ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কে এই অশোক মিত্তল?
অশোক মিত্তলের শুরুটা কোনও বড় ইন্ডাস্ট্রি বা উত্তরাধিকার থেকে হয়নি, বরং একটা ছোট মিষ্টির ব্যবসা থেকে হয়েছিল। তিনি ২০২২ সালে পাঞ্জাব থেকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। রাজনীতিতে অনেক সময় বড় নাম আর পুরনো চেহারাগুলোই আলোচনায় থাকে, কিন্তু কখনও কখনও এমন কেউ সামনে আসে যার গল্প একদম আলাদা রকমের অনুপ্রেরণা দেয়। অশোক মিত্তল সেই নামগুলোর মধ্যে একজন। এক সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে শিক্ষা জগতে নিজের পরিচয় তৈরি করা আর তারপর রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়া সহজ কাজ না। তিনি পাঞ্জাবে অবস্থিত ভারতের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লাভলি প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং আচার্য। জানা যায়, তিনি পেশায় একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টও। পাঞ্জাবের জলন্ধরের বাসিন্দা অশোক মিত্তাল গুরু নানক দেব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক এবং ছত্তিশগড়ের অটল বিহারী বাজপেয়ী বিশ্ববিদ্যালয় (এবিভিইউ) থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেছেন।
{{/usCountry}}অশোক মিত্তলের শুরুটা কোনও বড় ইন্ডাস্ট্রি বা উত্তরাধিকার থেকে হয়নি, বরং একটা ছোট মিষ্টির ব্যবসা থেকে হয়েছিল। তিনি ২০২২ সালে পাঞ্জাব থেকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। রাজনীতিতে অনেক সময় বড় নাম আর পুরনো চেহারাগুলোই আলোচনায় থাকে, কিন্তু কখনও কখনও এমন কেউ সামনে আসে যার গল্প একদম আলাদা রকমের অনুপ্রেরণা দেয়। অশোক মিত্তল সেই নামগুলোর মধ্যে একজন। এক সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে শিক্ষা জগতে নিজের পরিচয় তৈরি করা আর তারপর রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়া সহজ কাজ না। তিনি পাঞ্জাবে অবস্থিত ভারতের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লাভলি প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং আচার্য। জানা যায়, তিনি পেশায় একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টও। পাঞ্জাবের জলন্ধরের বাসিন্দা অশোক মিত্তাল গুরু নানক দেব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক এবং ছত্তিশগড়ের অটল বিহারী বাজপেয়ী বিশ্ববিদ্যালয় (এবিভিইউ) থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেছেন।
{{/usCountry}}তিনি ইন্ডিয়ান রেড ক্রস অ্যাওয়ার্ড, পাঞ্জাব গৌরব অ্যাওয়ার্ড, শিক্ষা রত্ন অ্যাওয়ার্ড, ন্যাশনাল এডুকেশন এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-সহ আরও অনেক পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। বর্তমানে রাজ্যসভায় আপের ১০ জন সদস্য রয়েছেন-পাঞ্জাব থেকে সাতজন এবং দিল্লি থেকে তিনজন। বৃহস্পতিবার আপের রদবদলের পর এক সংবাদিক সম্মেলনে অশোক মিত্তাল বলেন, 'রাঘব চাড্ডা আমাদের সিনিয়র নেতা এবং ভবিষ্যতেও তাই থাকবেন। আমি তাঁর কাছ থেকে দায়িত্ব নিয়েছি, ঠিক যেমন তিনি আগে এনডি গুপ্তার কাছ থেকে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। আপ একটি গণতান্ত্রিক দল এবং বিভিন্ন নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরার সুযোগ দেওয়ায় বিশ্বাসী।' এখন দেখার বিষয়, অশোক মিত্তলের শান্ত ও যৌক্তিক দৃষ্টিভঙ্গি দলের কর্মসূচিকে কতটা কার্যকরভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে।