Indian Good Maharaja Jaam Saheb: ভারতের এই রাজাকে 'ভালো মহারাজা' বলে পোল্যান্ড, তাঁর কথা মোদীর মুখে, কে আসলে তিনি?
Indian Good Maharaja Jaam Saheb: ২০২৪ সালে পোল্যান্ড সফরের সময় ‘ভালো মহারাজা’-কে শ্রদ্ধা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ সেই মহারাজার কথা শোনা গেল মোদীর মুখে। পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে সেই কথা বলেন।
Indian Good Maharaja Jaam Saheb: পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্কের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সাংবাদিক বৈঠকে নরেন্দ্র মোদীর মুখে শোনা গেল ‘ভালো মহারাজা’-র নাম। তাঁকে আজও পোল্যান্ডে ‘ভালো মহারাজা’ বা ‘Good Maharaja’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশয়ে তাঁর মূর্তিও আছে। আর সেই উপাধি এবং সম্মান প্রদর্শনের পিছনে রয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের এক ঘটনা। সেই ঘটনা ভারত এবং পোল্যান্ডের বন্ধুত্বের প্রাথমিক ভিত্তি হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

জামনগর ও কোলাপুরের রাজপরিবারের কথা উল্লেখ মোদীর
বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে দ্বিপাক্ষিক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, ‘কেবলমাত্র কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তিতে নয়, ভারত এবং পোল্যান্ডের বন্ধুত্বের ভিত্তি তৈরি হয়েছে মানবিকতা এবং সংবেদনশীলতার উপরে দাঁড়িয়ে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জামনগর এবং কোলাপুরের রাজপরিবার পোল্যান্ডের হাজার বাচ্চা এবং পরিবারকে ভারতে আশ্রয় দিয়েছিল।'
‘গুড মহারাজা’ হিসেবে জাম সাহেবকে স্মরণ মোদীর
সেই রেশ ধরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী আরও বলেন, 'আজও পোল্যান্ডের মানুষ জাম সাহেবকে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে ডোবরি মহারাজা অর্থাৎ গুড মহারাজা নামে স্মরণ করেন। ২০২২ সালে ইউক্রেন থেকে আমাদের পড়ুয়াদের সুরক্ষিতভাবে ফেরানোর ক্ষেত্রে সহযোগিতা করে পোল্যান্ডও মানবিকতার এই ধারাকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে।’
আরও পড়ুন: INDIA bloc next plans: ১ নভেম্বর দিল্লিতে ‘প্রতিবাদ সমাবেশ!’ রূপরেখা ঠিক করতে আলোচনায় ইন্ডিয়া জোট
‘জাম সাহেব’ আসলে কে?
আর তৎকালীন নবাবনগর এবং অধুনা জামনগরের রাজা সেই 'জাম সাহেব'-র আসলে নাম হল দিগ্বিজয়সিংজি রঞ্জিতসিংজি জাদেজা। যিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১,০০০ জনের বেশিও পোলিশকে আশ্রয় দিয়েছিলেন। অধিকাংশই ছিল শিশু। যারা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পালাতে বাধ্য হয়েছিল। সেই মানবিক কাজকে স্মরণ করে পোল্যান্ডের কমপক্ষে আটটি স্কুলের নামকরণ করা হয়েছে 'জাম সাহেব'-র নামে।
পোল্যান্ডের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পোলিশ শিশুদের জন্য বিশেষ শিবির তৈরি করা হয়েছিল। আর তা নির্মাণের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগতভাবে জড়িয়ে ছিলেন জাম সাহেব। সেখানকার জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করার জন্য প্রচুর গাছ বসানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। বিশেষত কলা চারা, পেঁপের চারা এবং ফুল গাছের উপর জোর দিয়েছিলেন মহারাজা। আর্থিক সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন পোল্যান্ডের বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুন: PHP flaws found: সাইবার হামলার শঙ্কা! বিশ্বজুড়ে দেশি-বিদেশি সংস্থার একাধিক ওয়েসাইট বন্ধের হিড়িক
তারইমধ্যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন জাম সাহেব। ১৯৩৭ সাল থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত সেই দায়িত্ব সামলেছিলেন। তাঁর পরিবারের সদস্য কেএস রঞ্জিতসিংজির নামেই ভারতের ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের নামকরণ করা হয়েছে রঞ্জি ট্রফি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


