মার্কিন মুলুকে, জন্মসূত্রে সেদেশের নাগরিকত্ব পাওয়া সংক্রান্ত ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকারের নির্দেশ আপাতত আদালতের চার দেওয়ালের মধ্যে পৌঁছে গিয়েছে। আইনি লড়াই এই মুহূর্তে তুঙ্গে। আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠা অন্যতম নাম হিসাবে উঠে এসেছে স্মিতা ঘোষের নাম। মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা পৌঁছেছে। সেখানে ট্রাম্প সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠা মানুষদের মধ্যে স্মিতা অন্যতম।

ট্রাম্পের এক্সিকিউটিভ অর্ডার ১৪১৬০ স্বাক্ষরিত হয়েছে ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি। যে নির্দেশের দ্বারা মার্কিন সংবিধানের ১৪ তম সংশোধনীর বিপক্ষে গিয়ে, মার্কিন মুলুকে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নয়া বিধি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এদিকে, মার্কিন কনস্টিটিউশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি সেন্টারের সিনিয়র অ্যাপেলেট কাউন্সেল এই স্মিতা ঘোষ, ট্রাম্পের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় চরিত্র হয়ে উঠেছেন।
আমেরিকার সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া এবং সেই দেশের আইনের অধীন থাকা সকল ব্যক্তিই নাগরিক হিসেবে স্বীকৃত। মূলত, সেই সময় দাস প্রথা তুলে দিতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ট্রাম্পের ওই এক্সিকিউটিভ অর্ডার অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারির পর যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী নির্দিষ্ট কিছু শিশুকে মার্কিন নাগরিকত্ব দেওয়া যাবে না, যদি তাদের মা অবৈধভাবে বা সাময়িকভাবে দেশে উপস্থিত থাকেন এবং বাবা মার্কিন নাগরিক বা বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা না হন, তাহলেই এমনটা হবে।
বর্তমানে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে ‘ট্রাম্প বনাম বারবারা’ নামে মামলাটি চলছে। স্মিতার যুক্তিতে জোর দেওয়া হয়েছে যে, সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর উদ্দেশ্য ছিল বিদ্যমান আইনি নীতিগুলোকে সংকুচিত করার পরিবর্তে সেগুলোকে নিশ্চিত করা, যা ট্রাম্পের আদেশে দেওয়া ব্যাখ্যার সরাসরি বিরোধিতা করে। এই মামলার সওয়ালর জবাবে স্মিতার হাতিয়ার হয়ে উঠেছে ১৮৪৪ সালের ‘লিঞ্চ বনাম ক্লার্ক‘ মামলা। আপাতত মার্কিন মুুলুকে এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্মিতা ঘোষকে ঘিরে এই মামলার প্রেক্ষিতে সকলের নজর রয়েছে।
{{/usCountry}}বর্তমানে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে ‘ট্রাম্প বনাম বারবারা’ নামে মামলাটি চলছে। স্মিতার যুক্তিতে জোর দেওয়া হয়েছে যে, সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর উদ্দেশ্য ছিল বিদ্যমান আইনি নীতিগুলোকে সংকুচিত করার পরিবর্তে সেগুলোকে নিশ্চিত করা, যা ট্রাম্পের আদেশে দেওয়া ব্যাখ্যার সরাসরি বিরোধিতা করে। এই মামলার সওয়ালর জবাবে স্মিতার হাতিয়ার হয়ে উঠেছে ১৮৪৪ সালের ‘লিঞ্চ বনাম ক্লার্ক‘ মামলা। আপাতত মার্কিন মুুলুকে এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্মিতা ঘোষকে ঘিরে এই মামলার প্রেক্ষিতে সকলের নজর রয়েছে।
{{/usCountry}}