...
...
Next Story

Joint Home Loan After Divorce: স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে হোম লোন নিচ্ছেন,পরে বিবাহবিচ্ছেদ হলে কী হবে?কে দেবেন EMI?জানুন নিয়ম

Joint Home Loan After Divorce: সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ডিভোর্স হয়ে গেলেই জয়েন্ট হোম লোনের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। বিয়ে ভাঙার সঙ্গে ব্যাঙ্কের সঙ্গে করা ঋণচুক্তি বাতিল হয় না।

Published on: Aug 31, 2026, 17:38:09 IST
Advertisement

Joint Home Loan After Divorce: বর্তমানে বাড়ি কেনার জন্য স্বামী-স্ত্রীর যৌথভাবে হোম লোন নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। দু’জনের আয় একসঙ্গে বিবেচনা হওয়ায় বেশি লোন পাওয়া সহজ হয়, পাশাপাশি ইএমআই-এর বোঝাও ভাগ করে নেওয়া যায়। কিন্তু ভবিষ্যতে বিবাহবিচ্ছেদ হলে এই জয়েন্ট হোম লোনের কী হবে? কে ইএমআই দেবেন? বাড়ির মালিকানা কার থাকবে? স্বাভাবিকভাবেই মনে এই সব প্রশ্ন আসে।

ব্যাঙ্ক বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে মাথা ঘামায় না

স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে হোম লোন নিচ্ছেন, পরে বিবাহবিচ্ছেদ হলে কী হবে? জানুন নিয়ম
স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে হোম লোন নিচ্ছেন, পরে বিবাহবিচ্ছেদ হলে কী হবে? জানুন নিয়ম

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ডিভোর্স হয়ে গেলেই জয়েন্ট হোম লোনের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। বিয়ে ভাঙার সঙ্গে ব্যাঙ্কের সঙ্গে করা ঋণচুক্তি বাতিল হয় না। লোন সম্পূর্ণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত অথবা ব্যাঙ্ক আনুষ্ঠানিকভাবে ঋণের কাঠামো পরিবর্তনের অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত মূল চুক্তির শর্তই কার্যকর থাকে। স্বামী-স্ত্রী দু’জন যদি মূল লোনের সহ-ঋণগ্রহীতা হন, তাহলে বিচ্ছেদের পরেও ব্যাঙ্কের কাছে দু’জনের দায় থাকতে পারে। ধরুন, বিচ্ছেদের পরে স্বামী বাড়িতে থাকবেন এবং তিনিই ইএমআই দেবেন। দু’জনের মধ্যে এমন সিদ্ধান্ত হলেও ব্যাঙ্কের নথিতে অন্য ব্যক্তির নাম থাকলে তাঁর দায়িত্ব নিজে থেকে শেষ হবে না। একজন ইএমআই দেওয়া বন্ধ করলে ব্যাঙ্ক অন্য সহ-ঋণগ্রহীতার কাছ থেকেও বকেয়া আদায়ের চেষ্টা করতে পারে।

সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী এবং 'করণজাওয়ালা অ্যান্ড কোং'-এর সঙ্গে যুক্ত অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড বিশাল গেহরানা বিষয়টি ব্যাখ্যা করে এই সতর্কতা জারি করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, অধিকাংশ হোম লোনের চুক্তিনামাতেই ঋণগ্রহীতা স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই 'যৌথ ও পৃথকভাবে' (jointly and severally liable) দায়বদ্ধ করা হয়। গেহরানা বলেন, 'যদি ঋণের চুক্তিতে উভয় ঋণগ্রহীতাকে যৌথ ও পৃথকভাবে দায়ী করা থাকে, তবে ব্যাঙ্ক সম্পূর্ণ বকেয়া টাকা তাদের যে কোনও একজনের কাছ থেকেও আদায় করার অধিকার রাখে। আইনত ব্যাঙ্ক কখনই দু'জনের থেকে সমান ৫০ শতাংশ করে টাকা আদায়ে বাধ্য বা সীমাবদ্ধ থাকে না।'

ইএমআই ও বাড়ির মালিকানা

আরেকটি উপায় হল বাড়ি বিক্রি করে সেই টাকা দিয়ে বকেয়া লোন পরিশোধ করা। লোন মেটানোর পর অতিরিক্ত টাকা থাকলে মালিকানার অনুপাতে ভাগ করা যেতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে দু’জন যৌথ মালিকানাও বজায় রাখতে পারেন, তবে ইএমআই রক্ষণাবেক্ষণ, সম্পত্তিকর এবং ভবিষ্যতে বাড়ি বিক্রির নিয়ম লিখিতভাবে স্পষ্ট থাকা জরুরি। বাড়ি কেনার আগে জয়েন্ট হোম লোনের শর্ত ভালভাবে পড়ুন। আর বিচ্ছেদের পরিস্থিতি তৈরি হলে ব্যাঙ্কের কাছ থেকে লিখিতভাবে নিশ্চিত করুন যে কার নাম লোন থেকে বাদ পড়েছে বা লোন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়েছে। শুধু ব্যক্তিগত বা ডিভোর্স চুক্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়াই যথেষ্ট নয়। বিশিষ্ট আইনজীবী বিশাল গেহরানা জানান, সম্পত্তি বিক্রির ক্ষেত্রে আইনি অগ্রাধিকার সবসময় সুরক্ষিত ঋণের দিকেই থাকে। তাঁর কথায়, 'সাধারণ নিয়মে, বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থের মাধ্যমে সর্বপ্রথম ব্যাঙ্কের বকেয়া সুরক্ষিত ঋণ পরিশোধ করতে হয়। সম্পূর্ণ ঋণ মেটানোর পর যদি কোনও অর্থ অবশিষ্ট থাকে, তবেই তা আইনি মালিকানার অনুপাত অনুযায়ী মালিকদের মধ্যে বণ্টন করা যাবে।'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe