Russian oil: ভারত চাইলেই হঠাৎ করে রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করে অন্য সরবরাহকারীদের দিকে ঝুঁকতে পারে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বিশ্বজুড়ে জোগানের ঘাটতি এবং দেশের ১৪০ কোটি মানুষের চাহিদার কথা উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এই মন্তব্য করেছেন।

মঙ্গলবার 'বিজনেসলাইন চেঞ্জমেকার অ্যাওয়ার্ডস'-এর মঞ্চে অর্থমন্ত্রী জানান, রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল থেকে সরে এলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে, কারণ বিশ্বব্যাপী জোগানের পরিমাণ সীমিত। তিনি বলেন, 'ভারত রাশিয়া থেকে বেরিয়ে এসে বলতেই পারে যে ঠিক আছে, আমি অন্য কোথাও থেকে তেল কিনব। কিন্তু আপনি সরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই বাজারে যে সীমিত জোগান রয়েছে তার দাম হু হু করে বেড়ে যাবে।' তিনি আরও যোগ করেন, 'নিঃসন্দেহে এটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করে, তবে আমার মনে হয় আমাদের ভারতের স্বার্থকেই সবার উপরে রাখতে হবে।'
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প 'লিন্ডসে ও গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট'-এ স্বাক্ষর করে আইনে পরিণত করার কয়েক দিন পরেই তাঁর এই মন্তব্য সামনে এল। এই আইনের আওতায় রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের প্রধান ক্রেতা দেশগুলোর ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট; যার ফলে ভারত ও চিনের মতো দেশগুলোও সম্ভাব্য পদক্ষেপের মুখে পড়তে পারে। সীতারামন বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ভারত প্রাপ্যতা এবং উপযোগিতার ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করা অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, 'আমরা বিশ্বের যে কোনও প্রান্ত থেকে আমাদের প্রয়োজনীয় জ্বালানি সংগ্রহের পথ বেছে নেব, যা আমাদের পক্ষে সুবিধাজনক হবে—আর এই সুবিধা অন্য কোনও কারণে নয়, শুধুমাত্র প্রাপ্যতার ভিত্তিতেই দেখা হবে।'
বিশ্ব জ্বালানি বাজারের সাম্প্রতিক বিঘ্নগুলোর দিকেও ইঙ্গিত করেন নির্মল সীতারামন। এর মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল পরিকাঠামোয় হওয়া আক্রমণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন, যার ফলে সামগ্রিক জোগান কমে গেছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, 'বাস্তবসম্মতভাবে দেখলে, আজ সৌদি আরবে হামলা এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য শোধনাগারে সংঘাতের জেরে ক্ষতির কারণে তেলের মোট মজুত বা জোগান নিজেই হ্রাস পাচ্ছে।' তিনি আরও জানান, ভারত ইতিমধ্যেই তাদের অপরিশোধিত তেলের উৎসগুলোতে বৈচিত্র্য আনছে, তবে দেশের চাহিদা মেটাতে রাশিয়ার তেলের ঘাটতি পূরণ করতে গেলে একাধিক ভিন্ন ভিন্ন উৎস থেকে জোগানের প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, '১৪০ কোটি মানুষের এই বিপুল চাহিদা মেটাতে এবং সেই ঘাটতি পূরণ করতে বহু ভিন্ন ভিন্ন উৎস থেকে জোগান নিশ্চিত করতে হবে, যার জন্য আমরা ইতিমধ্যেই আমাদের তেলের উৎসে বৈচিত্র্য আনছি।'
{{/usCountry}}বিশ্ব জ্বালানি বাজারের সাম্প্রতিক বিঘ্নগুলোর দিকেও ইঙ্গিত করেন নির্মল সীতারামন। এর মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল পরিকাঠামোয় হওয়া আক্রমণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন, যার ফলে সামগ্রিক জোগান কমে গেছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, 'বাস্তবসম্মতভাবে দেখলে, আজ সৌদি আরবে হামলা এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য শোধনাগারে সংঘাতের জেরে ক্ষতির কারণে তেলের মোট মজুত বা জোগান নিজেই হ্রাস পাচ্ছে।' তিনি আরও জানান, ভারত ইতিমধ্যেই তাদের অপরিশোধিত তেলের উৎসগুলোতে বৈচিত্র্য আনছে, তবে দেশের চাহিদা মেটাতে রাশিয়ার তেলের ঘাটতি পূরণ করতে গেলে একাধিক ভিন্ন ভিন্ন উৎস থেকে জোগানের প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, '১৪০ কোটি মানুষের এই বিপুল চাহিদা মেটাতে এবং সেই ঘাটতি পূরণ করতে বহু ভিন্ন ভিন্ন উৎস থেকে জোগান নিশ্চিত করতে হবে, যার জন্য আমরা ইতিমধ্যেই আমাদের তেলের উৎসে বৈচিত্র্য আনছি।'
{{/usCountry}}