...
...
Next Story

Khamenei info: ৪৫ বছর ধরে জোব্বায় ডান হাত আড়ালের চেষ্টা কেন করতেন খামেনি? কর্ণাটকের চিকবল্লাপুরের সঙ্গে তাঁর কোন যোগ?

খামেনি সম্পর্কে কিছু অজানা কথা একনজরে।

Published on: Mar 1, 2026, 21:47:35 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

১৯৮৯ সাল থেকে ইরানে টানা শাসন করেন আয়াতোল্লা খামেনেই। সদ্য গতকাল শনিবার তাঁর প্রাসাদে চলে ইজরায়েল আমেরিকার হামলা। বেশ কিছুটা সময় পর ইরান স্বীকার করে নেয়, সেদেশের সুপ্রিম নেতা খামেনির মৃত্যুর কথা। তার বহু আগে, ইজরায়েল দাবি করে, খামেনির দেহ উদ্ধারের কথা। এই খামেনির সঙ্গে ভারতের এক যোগ রয়েছে। আর তা হল কর্ণাটকের চিকবল্লাপুর। সেই প্রসঙ্গে আসার আগে দেখে নেওয়া যাক, গত ৪৫ বছর ধরে কেন জোব্বার আড়ালে ডান হাত লুকোনোর চেষ্টা করতেন খামেনি।

জোব্বায় কেন ডান হাত আড়াল করতেন?

৪৫ বছর ধরে জোব্বায় ডান হাত আড়ালের চেষ্টা কেন করতেন খামেনি (West Asia News Agency)/Handout via REUTERS ATTENTION EDITORS - THIS PICTURE WAS PROVIDED BY A THIRD PARTY./File Photo
৪৫ বছর ধরে জোব্বায় ডান হাত আড়ালের চেষ্টা কেন করতেন খামেনি (West Asia News Agency)/Handout via REUTERS ATTENTION EDITORS - THIS PICTURE WAS PROVIDED BY A THIRD PARTY./File Photo

ঘটনা ১৯৮১ সালের ২৭ জুনের। তখন চলছে ইরা-ইরান সংঘাত। সেবার যুদ্ধের প্রান্তর থেকে ফিরে মসজিদে প্রার্থনা করছিলেন খামেনি। সংঘাত নিয়ে তাঁর ভক্তরা কিছু প্রশ্ন করলে তিনি তার উত্তর দিতে থাকেন। তখনই এক যুবক খামেনেই সামনে আসেন এক টেপ রেকর্ডার নিয়ে। খামেনি বলার সময় সেই রেকর্ডার অন করে যুবক। এরপরই একটি অদ্ভূত শব্দ হতে থাকে। তারপরই বিস্ফোরণ। বিস্ফোরণে গুরুতপর জখম হন খামেনি। টেপ রেকর্ডারের ভেতরের দেয়ালে একটি বার্তা লেখা ছিল, ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্রের জন্য ফুরকান গ্রুপের উপহার। ফুরকান গ্রুপ ছিল শাসক ধর্মীয় আদেশের একটি বিরোধী শিবির। ডান হাত, ভোকাল কর্ড এবং ফুসফুসে আঘাতের পর খামেনির সুস্থ হতে বেশ কয়েক মাস সময় লেগেছিল। কিছু ক্ষত সেরে গেলেও, তাঁর ডান হাত চিরতরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তিনি একটা সময় বলেছিলেন,’ আমার হাতের দরকার হবে না। আমার মস্তিষ্ক এবং জিহ্বা যদি কাজ করে তবেই যথেষ্ট।' আর এইভাবে পক্ষাঘাতে খামেনির ডান হাত নষ্ট হওয়ার কারণেই তিনি ওই হাত জোব্বায় আড়ালে রাখার চেষ্টা করতেন। ততদিনে তিনি বাঁ হাত দিয়ে লেখা লিখতে শিখে গিয়েছিলেন।

চিকবল্লাপুর ও খামেনি:-

এই ছোট্ট গ্রামের জন্য, এই সফরটি ইরানের সাথে তাদের সম্পর্কের সর্বোচ্চ বিন্দু হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। আজও, গ্রামের কয়েক ডজন যুবক ইরানি মাদ্রাসায় ধর্মীয় পড়াশোনা করে অথবা তেহরান এবং মাশহাদের মতো শহরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পড়াশোনা করে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe