মেঘালয়ে হানিমুন হত্যাকাণ্ড, উত্তরপ্রদেশের মেরঠের মুসকানের পরকীয়ার জেরে তাঁর স্বামীর খণ্ডদেহ নীল ড্রামে উদ্ধার কাণ্ডের পর এবার আরও এক হাড়হিম ঘটনা। এবারও ঘটনাস্থল উত্তর প্রদেশ। উত্তর প্রদেশের আমরোহায় এক ব্যক্তিকে খুনের অভিযোগ উঠল তাঁর স্ত্রী ও স্ত্রীর প্রেমিক এবং প্রেমিকের বন্ধুর বিরুদ্ধে। হাড়হিম এই ঘটনায় স্বামীকে খুনের পর সারারাত একই বিছানায় স্বামীর নিথর দেহের সঙ্গে শুয়েছিলেন স্ত্রী! শুধু তাই নয়, নিজের সন্তানদেরও ওই একই খাটে নিয়ে সারা রাত শুয়েছিলেন স্ত্রী।

খুন হয়েছেন, উত্তরপ্রদেশের আমরোহার পিপলোওটি কালাগ্রামের মেহরাজ। অভিযুক্ত মেহরাজের স্ত্রী রুহি। অভিযোগ রয়েছে, রুহির সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে তাঁর জামাইবাবু ফরমানের। এউ ফরমান, রুহি ও তাদের এক বন্ধু মিলেই মেহরাজকে খুন করেছে বলে অভিযোগ। সম্পর্কের দিক দিয়ে ফরমান রুহির নিজের দিদির স্বামী। জামাইবাবুর সঙ্গে রুহির এই সম্পর্কের কথা মেহরাজ জানতে পারেন। ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন তিনি। বিরোধিতা করেন এই সম্পর্কের। এরপর রুহি, তাঁর স্বামী মেহরাজকে খুনের ছক কষেন। মেহরাজের খাবারে লুকিয়ে সিডেটিভ মিশিয়ে দেন রুহি। যে রাতে এই কীর্তি রুহি করেন, সেই রাতে ডেকে নেন ফরমান ও তার বন্ধুকেও। এরপর মেহরাজের হাত পা বেঁধে তাঁর গলা কেটে তাঁকে খুন করা করে ফরমান ও তার বন্ধু। এমনই অভিযোগ।
স্বামীর সেই গলাকাটা মৃতদেহের সঙ্গে গোটা রাত বিছানায় শুয়ে ছিল রুহি। শুধু রুহিই নয়। সে তার সন্তানদেরও ওই বিছানায় নিয়ে শুয়েছে। পরের দিন সকালে মেহরাজের বাবা বাড়ি এসে দেখেন বারান্দার খাটে ছেলের হাত-পা বাঁধা মরদেহ। তখনই রুহি জানায়, ডাকাতির জেরে এমনটা হয়েছে। তাদের সব কিছু ডাকাতি হয়ে গিয়েছে। ডাকাত মারধর করায় মেহরাজের মৃত্যু হয়েছে। মেহরাজের বাবার সন্দেহ হয়। খবর দেন পুলিশকে। এরপর পুলিশ তদন্তে নেমে এই ঘটনার কিনারা করে। ঘটনায় গ্রেফতার ৩ জন।