H-1B visa: ফের খবরের শিরোনামে এইচ-১বি ভিসা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান দলের কয়েকজন আইনপ্রণেতা তিন বছরের জন্য এইচ-১বি ভিসা স্থগিত করতে এবং কর্মসূচিটির আমূল সংস্কার করতে একটি প্রস্তাব বা বিল পেশ করেছেন। তাঁদের যুক্তি হলো এই কর্মসূচিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মীদের জন্য অসুবিধাজনক। ফলে নিঃসন্দেহে সেক্ষেত্রে সে দেশে কর্মরত ভারতীয়-সহ বিদেশি নাগরিকরা প্রবল সমস্যায় পড়তে পারেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য এলি ক্রেন কর্তৃক উত্থাপিত প্রস্তাবিত ‘অ্যান্ড এইচ-১বি ভিসা অ্যাবিউজ অ্যাক্ট অব ২০২৬’ এর লক্ষ্য হলো-আরও কঠোর নিয়মকানুন-সহ ভিসা ব্যবস্থা পুনরায় চালু করার আগে এটিকে নতুন করে ঢেলে সাজানো। ক্রেন বলেন, ‘ফেডারেল সরকারের উচিত পরিশ্রমী নাগরিকদের জন্য কাজ করা, বিশাল কর্পোরেশনগুলোর মুনাফার জন্য নয়। ত্রুটিপূর্ণ এইচ-১বি ব্যবস্থা যেন মার্কিন জনগণকে তাদের যোগ্যতাসম্পন্ন চাকরি থেকে বঞ্চিত না করে, তা নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য।’ তিনি আরও বলেন, এই বিলটি ‘কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াবে, ভিসা প্রক্রিয়ার প্রোটোকল শক্তিশালী করবে এবং আমেরিকানদের জীবন-জীবিকাকে অগ্রাধিকার দেবে।’
এই আইনটিকে ব্র্যান্ডন গিল, পল গোসার এবং অ্যান্ডি ওগেলস-সহ বেশ কয়েকজন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতার সমর্থন করেছে। এই প্রসঙ্গে ব্র্যান্ডন গিল বলেন, 'এলি ক্রেনের এইচ-১বি ভিসা ব্যবস্থা সংস্কার ও কঠোর করার প্রচেষ্টায় সহাযােগিতা করতে পেরে আমি গর্বিত। আমাদের অভিবাসন ব্যবস্থা বিদেশিদের আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মীদের পরিষেবা দেবে, তা নিশ্চিত করবে।’ এই বিলটিতে ব্যাপক পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বার্ষিক এইচ-১বি ভিসার কোটা ৬৫,০০০ থেকে কমিয়ে ২৫,০০০-এ করা হবে এবং ছাড়গুলো বাতিল করা হবে। এতে লটারি পদ্ধতির পরিবর্তে মজুরি-ভিত্তিক নির্বাচন প্রক্রিয়া চালু করা হবে এবং বার্ষিক ন্যূনতম বেতন ২,০০,০০০ ডলার নির্ধারণ করা হবে। এইচ-১বি ভিসায় নিয়োগ করার আগে নিয়োগকর্তাদের নিশ্চিত করতে হবে যে, তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনও যোগ্য কর্মী খুঁজে পাননি এবং তারা কোনও কর্মীকে ছাঁটাই করেননি।
এই বিলটি এইচ-১বি কর্মীদের একাধিক চাকরি করা থেকে বিরত রাখবে এবং কর্মী সরবরাহকারী তৃতীয় পক্ষের সংস্থাগুলোকে নিয়োগ করা থেকেও নিষিদ্ধ করবে। অন্যান্য বিধানগুলোর মধ্যে রয়েছে- এইচ-১বি কর্মীদের নির্ভরশীলদের সঙ্গে আনা নিষিদ্ধ করা, অপশনাল প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং (ওপিটি) কর্মসূচি বন্ধ করা এবং ভিসাধারীদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতিতে রূপান্তর রোধ করা। এই বিলের সমর্থকদের মতে, এইচ-১বি ব্যবস্থার অপব্যবহার রোধ করে মার্কিন কর্মীদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য। তবে সমালোচকরা মনে করছেন, এটি প্রযুক্তি খাতের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। এই অবস্থার পড়বে সে দেশে কর্মরত ভারতীয়-সহ বিদেশি নাগরিকদের উপরে।
{{/usCountry}}এই বিলটি এইচ-১বি কর্মীদের একাধিক চাকরি করা থেকে বিরত রাখবে এবং কর্মী সরবরাহকারী তৃতীয় পক্ষের সংস্থাগুলোকে নিয়োগ করা থেকেও নিষিদ্ধ করবে। অন্যান্য বিধানগুলোর মধ্যে রয়েছে- এইচ-১বি কর্মীদের নির্ভরশীলদের সঙ্গে আনা নিষিদ্ধ করা, অপশনাল প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং (ওপিটি) কর্মসূচি বন্ধ করা এবং ভিসাধারীদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতিতে রূপান্তর রোধ করা। এই বিলের সমর্থকদের মতে, এইচ-১বি ব্যবস্থার অপব্যবহার রোধ করে মার্কিন কর্মীদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য। তবে সমালোচকরা মনে করছেন, এটি প্রযুক্তি খাতের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। এই অবস্থার পড়বে সে দেশে কর্মরত ভারতীয়-সহ বিদেশি নাগরিকদের উপরে।
{{/usCountry}}