...
...
Next Story

'হিন্দু, শিখ বা বৌদ্ধ ধর্ম ছাড়া...,' ধর্ম বদল করলেই হারাবেন সংরক্ষণের সুবিধা? স্পষ্ট করল সুপ্রিম কোর্ট

রায় দেওয়ার সময়ে শীর্ষ আদালত বলেছে, 'হিন্দু, শিখ বা বৌদ্ধ ধর্ম ছাড়া অন্য কোনও ধর্মাবলম্বী ব্যক্তি তফসিলি জাতির সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন না।'

Published on: Mar 24, 2026, 15:15:56 IST
Advertisement

ধর্ম পরিবর্তন নিয়ে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হিন্দু, শিখ বা বৌদ্ধ ধর্ম ছাড়া অন্য কোনও ধর্ম গ্রহণ করলে আর তফসিলি জাতি (এসসি) হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া যাবে না। পাশাপাশি, ধর্মান্তরিত ব্যক্তি আর এসসি-এসটি অত্যাচার প্রতিরোধ আইনের সুরক্ষাও দাবি করতে পারবেন না। শুধুমাত্র সেইসব ব্যক্তিরাই তফসিলি জাতি মর্যাদা দাবি করতে পারেন, যারা হিন্দু, শিখ বা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।

ধর্ম বদল করলেই হারাবেন সংরক্ষণের সুবিধা? (HT_PRINT)
ধর্ম বদল করলেই হারাবেন সংরক্ষণের সুবিধা? (HT_PRINT)

বিচারপতি পিকে মিশ্র এবং বিচারপতি এনভি আঞ্জারিয়ার সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টের একটি রায় বহাল রেখেছে। ওই রায়ে বলা হয়েছিল যে, কোনও ব্যক্তি যদি খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত হন এবং সক্রিয়ভাবে সেই ধর্ম পালন করেন, তবে তিনি আর তফসিলি জাতি (এসসি) সম্প্রদায়ের সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি পাবেন না। লাইভ ল-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিন্থাদা আনন্দ নামের এক যাজকের দায়ের করা একটি আপিলের প্রেক্ষিতে এই গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আনন্দ জানান যে, তিনি জন্মসূত্রে তফসিলি জাতির মানুষ হলেও পরে খ্রিস্ট ধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর থেকে দীর্ঘদিন যাজক হিসেবে কাজ করেন। তাঁর দাবি ছিল, তাঁকে জাতিগতভাবে অপমান ও আক্রমণ করা হয়। সেই অভিযোগে তিনি তফসিলি জাতি ও উপজাতি আইনে মামলা দায়ের করেন। কিন্তু অভিযুক্ত পক্ষ আদালতে যুক্তি দেয়, ধর্মান্তরিত হওয়ায় তাঁর ক্ষেত্রে আর তফসিলি জাতির অধিকার প্রযোজ্য নয়। অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টও সেই দাবিতে মান্যতা দেয়। এরপর চিন্থাদা আনন্দ, ২০২৫ সালের মে মাসের হাইকোর্টের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানান।

সুপ্রিম কোর্টের এই রায়টি সেই আইনি অবস্থানকেই সুদৃঢ় করে যে, এ ধরনের মর্যাদা বা অবস্থান মূলত ধর্মীয় পরিচয়ের ওপর নির্ভরশীল। ফলে সাংবিধানিক সুরক্ষাকবচ পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে 'ধর্মান্তর' একটি নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe