...
...
Next Story

কয়েক বছর আগেই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাড়ির সম্মান পেয়েছিল বাংলাদেশের এই বাড়িটি, কেন এই পুরস্কার, জানলে চমকে যাবেন

এটি একটি হাসপাতাল। RIBA’s International Prize-এ এটিকে শ্রেষ্ঠ বাড়ির পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।

Published on: Apr 6, 2026, 18:26:42 IST
Advertisement

বাংলাদেশের সাতক্ষীরার ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল। কাশেফ চৌধুরীর নক্সা করা এই হাসপাতালটি RIBA’s International Prize 2021-এর তরফে সেরা বাড়ির পুরস্কার জিতে নিয়েছিল। এবং সেই সম্মান পাওয়ার কারণটিও ছিল অভিনব। পরিবেশবান্ধব, পরিবেশের জন্য উপকারী এবং অতি স্বল্প উপাদান খরচ করে তৈরি বলে, এই সম্মান দেওয়া হল হাসপাতালটিকে।

কয়েক বছর আগেই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাড়ির সম্মান পেয়েছিল বাংলাদেশের এই বাড়িটি
কয়েক বছর আগেই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাড়ির সম্মান পেয়েছিল বাংলাদেশের এই বাড়িটি

বাড়িটি ছোট ইটে বানানো। বাড়িটিতে ঢোকার মুখ থেকেই বোঝা যায়, কীভাবে এটিকে পরিবেশবান্ধব বানানোর চেষ্টা হয়েছে। এর ঢোকার মুখ থেকেই শুরু হয়ে যায় জিগজ্যাগ পরিখা। যেগুলি বাড়িটির অন্দরের মধ্যে দিয়ে এগোয়। এগুলিতে বর্ষার জল ধরে রাখা এবং সেটি ব্যবহার করা আর তাকে আবার মাটির তলায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। পরিবেশের মাঝে এই বাড়িটি ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের অন্যতম আকর্ষণ।

এই সেই ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল

হাসপাতালটির স্থপতি কাসেফ চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ‘এই এলাকার চারপাশেই জল। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, সেই জল ব্যবহার করা যাবে। বেশির ভাগই নোনা জল।’ সমুদ্রতল বেড়ে যাওয়ায় এই ঘট না ঘটেছে। এক সময়ে আশপাশে যেগুলি ছিল কৃষিজমি, সেগুলিই নোনা জল ঢোকার ফলে হয়ে গিয়েছে চিংড়ি চাষের জলাশয়। ফলে এলাকায়পানীয় জলের তীব্র সংকট রয়েছে। কারণ ভূগর্ভস্থ্য জলও নোনা হয়ে গিয়েছে।

ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল

তবে এখানেই শেষ নয়। বাড়িটির নির্মাণেও রয়েছে কৃতিত্ব। স্থানীয় ইটে বানানো হয়েছে বাড়িটি। এমন ইট ব্যবহার করা হয়েছে, যেগুলি পরিবেশবান্ধব। তাছাড়া বাতাসের গতির অভিমুখ দেখে এমনভাবে বাড়িটির ডিজাইন করা হয়েছে, তাতে অধিকাংশ ঘরেই কখনও এসি বা বাতানুকূল যন্ত্রের দরকার হবে না।

বাংলাদেশের ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল

RIBA’s International Prize অত্যন্ত সম্মাননীয় একটি পুরস্কার। পরিবেশের উপর ভালো প্রভাব যে স্থাপত্যগুলি ফেলে, তাদের মধ্যে থেকে বেছে নেওয়া হয়েছিল সেরা বাড়িটিকে। এর আগে পেরু এবং ব্রাজিলের মতো দেশের স্কুলবাড়ি এবং হাসপাতাল এই পুরস্কার পেয়েছে। আন্তর্জাতিক স্তরের এই নামজাদা পুরস্কারটি পেয়েছিল বাংলাদেশের এই হাসপাতালটিও।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe