...
...
Next Story

Maharashtra Cyber Police: কমেডি শো-তে পর পর বিতর্ক! পুলিশি তদন্তের সম্মুখীন মুম্বইয়ের তরুণী চিকিৎসক

Maharashtra Cyber Police: ঘটনার সূত্রপাত কমেডিয়ান প্রণিত মোরের একটি স্ট্যান্ড-আপ শো ঘিরে, যা গুরুগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই শো-র দু’টি পৃথক মুহূর্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।

Published on: Jun 12, 2026, 23:37:09 IST
Advertisement

Maharashtra Cyber Police: কমেডি শো-কে কেন্দ্র করে একের পর এক বিতর্ক। কমেডি শো-তে মৃতদেহ সংক্রান্ত আপত্তিকর মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক এবার পৌঁছল পুলিশি অভিযোগ পর্যন্ত। মুম্বইয়ের কেইএম হাসপাতালের এমবিবিএস পড়ুয়া সেজল পাওয়ার, জনপ্রিয় স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ান প্রণীত মোরে-সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আপত্তিকর কনটেন্ট সংক্রান্ত অভিযোগে সমন পাঠাল মহারাষ্ট্র সাইবার পুলিশ। পাশাপাশি, ওই পড়ুয়ার মন্তব্যকে ‘অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে তদন্ত কমিটি গড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও।

কী নিয়ে বিতর্ক

পুলিশি তদন্তের সম্মুখীন মুম্বইয়ের তরুণী চিকিৎসক (সৌজন্যে টুইটার)
পুলিশি তদন্তের সম্মুখীন মুম্বইয়ের তরুণী চিকিৎসক (সৌজন্যে টুইটার)

ঘটনার সূত্রপাত কমেডিয়ান প্রণিত মোরের একটি স্ট্যান্ড-আপ শো ঘিরে, যা গুরুগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই শো-র দু’টি পৃথক মুহূর্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। একটিতে দর্শকাসন থেকে হিমাংশু জাংরা নামে এক ব্যক্তির ‘৩৭০ টাকার বিরিয়ানি’ সংক্রান্ত আপত্তিকর মন্তব্য, অন্যটিতে অ্যানাটমি পড়ার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে সেজল পাওয়ারের মৃতদেহ সংক্রান্ত অশালীন মন্তব্য। জানা গিয়েছে, ক্লিপটি মাস তিনেক আগের একটি শো-র হলেও সম্প্রতি তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এর পরই চিকিৎসক, পড়ুয়া থেকে সাধারণ নেটিজেন, নানা মহল থেকে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। তাঁদের বক্তব্য, চিকিৎসা শিক্ষার জন্য দান করা দেহের মর্যাদা রক্ষা করা আবশ্যক। মহারাষ্ট্র সাইবার সূত্রে খবর, প্রণিত মোরে, হিমাংশু জাংরা ও সেজল পাওয়ার, এই তিনজনকেই সমন পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি, এই একই অভিযোগে আরও কয়েকজনকে সমন পাঠানো হয়েছে বলে খবর পুলিশের তরফে। একই সঙ্গে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে আসরে নেমেছে জাতীয় মহিলা কমিশনও। এই বিতর্কিত ভিডিওর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সমন পাঠানোর পাশাপাশি হরিয়ানার ডিজিপি-র কাছ থেকে সাত দিনের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছেন মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন বিজয়া রাহাতকর।

হাসপাতাল ও চিকিৎসক সংগঠনের প্রতিক্রিয়া

বিতর্কের মুখে প্রথমে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছিলেন ওই পড়ুয়া। নিজের ভুল স্বীকার করে তিনি জানিয়েছিলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে তিনি এমন মন্তব্য করেননি। পরে অবশ্য ক্ষমাপ্রার্থনার ভিডিওটি তিনি মুছে দেন এবং সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় বা ‘প্রাইভেট’ করে দেন। ভিডিওতে সেজল পাওয়ারকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি এখানে শুধু এটা বলতে এসেছি যে আমি সত্যিই অত্যন্ত দুঃখিত। আমি খুব ভুল একটা কথা বলে ফেলেছি। আমি কখনও ভাবিনি যে ইচ্ছা করে এই ধরণের কথা বলব। যা বলা হয়েছে, আমি তার জন্য কোনও অজুহাত বা সাফাই দিতে আসিনি। আমি এর সম্পূর্ণ দায় নিচ্ছি। এখন নিজের কথাগুলো শুনলে বুঝতে পারছি যে, আমি যা বোঝাতে চেয়েছিলাম তার চেয়ে কতটা ভিন্ন ও খারাপভাবে বিষয়টি মানুষের কাছে পৌঁছেছে। যদি আমি আপনাদের আবেগে আঘাত করে থাকি, তবে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।’

অন্যদিকে, নিজের শোয়ো ‘৩৭০ টাকার বিরিয়ানি’ সংক্রান্ত মন্তব্যের জেরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে প্রণীতও তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটি নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছেন। ওই মন্তব্য করা হিমাংশু ‘স্টারভিক ডিজাইন’ নামে গুরুগ্রামের এক সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। বিতর্ক জোরালো হয়ে ওঠার পর, সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা বিবেক বিশ্বকর্মা ইনস্টাগ্রামে জানান যে হিমাংশুকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe