Yuvraj's apology to Dhoni-Kapil Dev: কপিল দেব ও ধোনির কাছে ক্ষমা চাইলেন যুবরাজ! তাও নিজের দোষে নয়
কপিল দেব ও মহেন্দ্র সিং ধোনির কাছে ক্ষমা চাইলেন যুবরাজ সিং। তাও নিজের দোষে নয়, অন্যের জন্য ভারতের দুই বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের কাছে ক্ষমা চাইলেন।
ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম শ্রেষ্ঠ অলরাউন্ডার হলেন যুবরাজ সিং। ২০১১ সালের বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক তিনি। কিন্তু একাধিকবার মাঠের বাইরে যুবরাজকে ছাপিয়ে বেশি আলোচনায় থেকেছেন বাবা যোগরাজ সিং। ভারতের দুই কিংবদন্তি অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং কপিল দেবকে নিয়ে একাধিকবার মন্তব্য করেছেন যোগরাজ। এবার সেই সমস্ত তিক্ততার অবসান ঘটাতে নিজেই এগিয়ে এলেন যুবি। স্পোর্টস তকের পডকাস্টে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, বাবার আচরণের জন্য তিনি ধোনি ও কপিল দেবের কাছে ক্ষমা চাইছেন।

যোগরাজ সিং বনাম ধোনি-কপিল দ্বন্দ্ব
যোগরাজ দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছেন যে, ধোনির কারণেই যুবরাজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার অকালে শেষ হয়ে গিয়েছে। ধোনিকে উদ্দেশ্য করে তিনি অত্যন্ত কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছিলেন। এমনকী ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক কপিলের সঙ্গেও ব্যক্তিগত সংঘাত বহু পুরনো। যোগরাজের অভিযোগ ছিল, কপিল তাঁকে ভারতীয় দল থেকে বাদ দিয়েছিলেন। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে যোগরাজ আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন যে, তিনি একসময় পিস্তল নিয়ে কপিলের বাড়িতেও পৌঁছে গিয়েছিলেন।
মুখ খুললেন যুবরাজ সিং
এতদিন বাবার এসব মন্তব্য নিয়ে যুবরাজ খুব একটা সরাসরি কথা বলেননি। তবে সম্প্রতি একটি পডকাস্টে তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন। যুবরাজ বলেন, ‘আমি এমএস ধোনি এবং কপিল দেবের কাছে ক্ষমা চাইতে চাই। আমার বাবা যা বলেছেন, তা ওঁদের প্রাপ্য নয়। আমি সবসময় ওঁদের শ্রদ্ধা করি।’ যুবরাজ আরও যোগ করেন যে, তিনি তাঁর বাবাকে বহুবার এই ধরণের মন্তব্য করতে নিষেধ করেছেন, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত যোগরাজ নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন।
ধোনির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে স্বচ্ছতা
সাক্ষাৎকারে যুবরাজ স্পষ্ট করেন যে, ধোনির সঙ্গে কোনও ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই। তিনি বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে দেশের জন্য অনেক ম্যাচ জিতেছি। মাঠের বাইরে আমাদের মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমি তাকে ঘৃণা করি। আমার বাবা যা বলেন সেটা ওঁর ব্যক্তিগত অভিমত, আমার নয়।’ যুবরাজ মনে করেন, যোগরাজের এমন আক্রমণাত্মক মন্তব্য ভারতীয় ক্রিকেটের দুই স্তম্ভের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা মাত্র, যা কোনওভাবেই কাম্য নয়।
কপিল দেবের প্রতি শ্রদ্ধা
কপিলের প্রসঙ্গে যুবরাজ বলেন, ‘কপিল পাজি ভারতীয় ক্রিকেটের ঈশ্বর। ওঁর অবদান অতুলনীয়। আমার বাবা যে অভিজ্ঞতার কথা বলেন, তা অনেক বছর আগের এবং সম্ভবত সেটি ওঁর ব্যক্তিগত ক্ষোভ। কিন্তু একজন ছেলে হিসেবে আমি চাই না এই কাদা ছোড়াছুড়ি চলুক।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


