Zohran Mamdani on Kohinoor: কোহিনুর হীরাটিকে ভারতে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্রিটেনের রাজা চার্লসের কাছে নাকি আবেদন জানাবেন নিউইয়র্কের ভারতীয় বংশোদ্ভূত মেয়র জোহরান মামদানি। এই দাবির করার পরে ব্রিটিশ রাজার সঙ্গে দেখা করেন মামদানি। তবে সেই সাক্ষাতের সময় তিনি হীরাটি ফেরত দেওয়ার দাবি রেখেছেন কিনা তা এখনও পরিষ্কার নয়। বিশেষ ব্যাপার হলো, ভারতও দীর্ঘদিন ধরে এই হীরাটিকে ফেরানোর দাবি জানিয়ে আসছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, কোহিনুর নিয়ে মামদানি বলেছিলেন, 'যদি আমি রাজার সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলার সুযোগ পাই, তবে আমি সম্ভবত তাঁকে কোহিনুর হীরাটি ভারতকে ফেরত দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করব।' তাঁর এই মন্তব্যের পরে এক অনুষ্ঠানে রাজা চার্লস ও মামদানির দেখাও হয়। তবে দু'জনের মধ্যে কথোপকথনের বিষয়বস্তু তা জানায়নি বাকিংহাম প্যালেস কিংবা মামদানি। উল্লেখ্য, ভারতের কোল্লুর খনি থেকে উত্তোলন করা হয়েছিল এই কোহিনুর হীরাটি। হীরাটিকে কাটার আগে তা ১৮৬ ক্যারেটের ছিল। এই হীরাটি কাকাতিয়া রাজবংশ, আলাউদ্দিন খিলজি, মুঘল সম্রাট বাবর, হুমায়ুন, শাহজাহান, নাদির শাহ, আহমদ শাহ দুররানি, মহারাজা রঞ্জিত সিং হাত দিয়ে ব্রিটিশদের কাছে পৌঁছায়। ১৮৪৯ সালে শিখ সাম্রাজ্যের পতনের পরে ব্রিটিশদের হাতে চলে গিয়েছিল সেই হীরাটি।
১৮৪৯ সালে দ্বিতীয় অ্যাংলো-শিখ যুদ্ধের পরে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১০ বছর বয়সি মহারাজা দলীপ সিংকে লাহোর চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করে। সেই চুক্তির অধীনে এই হীরাটি রানী ভিক্টোরিয়ার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। আজ ১০৫.৬ ক্যারেট হীরাটি 'কুইন এলিজাবেথ দ্য কুইন মাদার'-এর মুকুটে আবৃত আছে এবং লন্ডন টাওয়ারে শক্ত কাচের পিছনে সংরক্ষিত রয়েছে। ব্রিটিশ সরকার ঐতিহাসিকভাবে বজায় রেখেছে যে হীরা একটি আইনি চুক্তির অধীনে অর্জিত হয়েছিল। তবে ভারতীয় ঐতিহাসিকরা বিশ্বাস করেন যে এক শিশুকে জোর করে সই করানো চুক্তির কোনও নৈতিক বা আইনি তাৎপর্য নেই।
প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিককালে বহু দেশ ভারতের ঐতিহাসিক সব নিদর্শন ফিরিয়ে দিয়েছে। ২০১৫ সালের অক্টোবরে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা ম্যার্কেল দেবী দুর্গার দশম শতাব্দীর একটি মূর্তি ভারতে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। মূর্তিটি ১৯৯০ সালে চুরি হয়েছিল এবং ২০১২ সালে জার্মানির একটি যাদুঘরে পাওয়া গিয়েছিল। একইভাবে, ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে তৎকালীন কানাডার প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হার্পার 'প্যারট লেডি' নামে একটি মূর্তি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। সেই মূর্তিটি প্রায় ৯০০ বছরের পুরনো। ২০১৪ সালে ভারত সফরের সময় অস্ট্রেলিয়ার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবট হিন্দু দেব-দেবীদের প্রাচীন ভাস্কর্য ফিরিয়ে দিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার আর্ট গ্যালারি থেকে।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিককালে বহু দেশ ভারতের ঐতিহাসিক সব নিদর্শন ফিরিয়ে দিয়েছে। ২০১৫ সালের অক্টোবরে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা ম্যার্কেল দেবী দুর্গার দশম শতাব্দীর একটি মূর্তি ভারতে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। মূর্তিটি ১৯৯০ সালে চুরি হয়েছিল এবং ২০১২ সালে জার্মানির একটি যাদুঘরে পাওয়া গিয়েছিল। একইভাবে, ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে তৎকালীন কানাডার প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হার্পার 'প্যারট লেডি' নামে একটি মূর্তি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। সেই মূর্তিটি প্রায় ৯০০ বছরের পুরনো। ২০১৪ সালে ভারত সফরের সময় অস্ট্রেলিয়ার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবট হিন্দু দেব-দেবীদের প্রাচীন ভাস্কর্য ফিরিয়ে দিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার আর্ট গ্যালারি থেকে।
{{/usCountry}}