...
...
Next Story

Zohran Mamdani on Kohinoor: কোহিনুর ভারতকে ফিরিয়ে দেওয়র জন্য বলব, দাবি নিউইয়র্ক জোহরান মামদানির

Zohran Mamdani on Kohinoor: কোহিনুর হীরাটি কাকাতিয়া রাজবংশ, আলাউদ্দিন খিলজি, মুঘল সম্রাট বাবর, হুমায়ুন, শাহজাহান, নাদির শাহ, আহমদ শাহ দুররানি, মহারাজা রঞ্জিত সিং হাত দিয়ে ব্রিটিশদের কাছে পৌঁছায়।

Published on: Apr 30, 2026, 10:49:21 IST
Advertisement

Zohran Mamdani on Kohinoor: কোহিনুর হীরাটিকে ভারতে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্রিটেনের রাজা চার্লসের কাছে নাকি আবেদন জানাবেন নিউইয়র্কের ভারতীয় বংশোদ্ভূত মেয়র জোহরান মামদানি। এই দাবির করার পরে ব্রিটিশ রাজার সঙ্গে দেখা করেন মামদানি। তবে সেই সাক্ষাতের সময় তিনি হীরাটি ফেরত দেওয়ার দাবি রেখেছেন কিনা তা এখনও পরিষ্কার নয়। বিশেষ ব্যাপার হলো, ভারতও দীর্ঘদিন ধরে এই হীরাটিকে ফেরানোর দাবি জানিয়ে আসছে।

১৮৪৯ সালে শিখ সাম্রাজ্যের পতনের পরে ব্রিটিশদের হাতে চলে গিয়েছিল কোহিনুর হীরাটি। (HT_PRINT)
১৮৪৯ সালে শিখ সাম্রাজ্যের পতনের পরে ব্রিটিশদের হাতে চলে গিয়েছিল কোহিনুর হীরাটি। (HT_PRINT)

রিপোর্ট অনুযায়ী, কোহিনুর নিয়ে মামদানি বলেছিলেন, 'যদি আমি রাজার সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলার সুযোগ পাই, তবে আমি সম্ভবত তাঁকে কোহিনুর হীরাটি ভারতকে ফেরত দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করব।' তাঁর এই মন্তব্যের পরে এক অনুষ্ঠানে রাজা চার্লস ও মামদানির দেখাও হয়। তবে দু'জনের মধ্যে কথোপকথনের বিষয়বস্তু তা জানায়নি বাকিংহাম প্যালেস কিংবা মামদানি। উল্লেখ্য, ভারতের কোল্লুর খনি থেকে উত্তোলন করা হয়েছিল এই কোহিনুর হীরাটি। হীরাটিকে কাটার আগে তা ১৮৬ ক্যারেটের ছিল। এই হীরাটি কাকাতিয়া রাজবংশ, আলাউদ্দিন খিলজি, মুঘল সম্রাট বাবর, হুমায়ুন, শাহজাহান, নাদির শাহ, আহমদ শাহ দুররানি, মহারাজা রঞ্জিত সিং হাত দিয়ে ব্রিটিশদের কাছে পৌঁছায়। ১৮৪৯ সালে শিখ সাম্রাজ্যের পতনের পরে ব্রিটিশদের হাতে চলে গিয়েছিল সেই হীরাটি।

১৮৪৯ সালে দ্বিতীয় অ্যাংলো-শিখ যুদ্ধের পরে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১০ বছর বয়সি মহারাজা দলীপ সিংকে লাহোর চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করে। সেই চুক্তির অধীনে এই হীরাটি রানী ভিক্টোরিয়ার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। আজ ১০৫.৬ ক্যারেট হীরাটি 'কুইন এলিজাবেথ দ্য কুইন মাদার'-এর মুকুটে আবৃত আছে এবং লন্ডন টাওয়ারে শক্ত কাচের পিছনে সংরক্ষিত রয়েছে। ব্রিটিশ সরকার ঐতিহাসিকভাবে বজায় রেখেছে যে হীরা একটি আইনি চুক্তির অধীনে অর্জিত হয়েছিল। তবে ভারতীয় ঐতিহাসিকরা বিশ্বাস করেন যে এক শিশুকে জোর করে সই করানো চুক্তির কোনও নৈতিক বা আইনি তাৎপর্য নেই।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe