Air India Crash Probe Report Update: আমদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান কেন ভেঙে পড়েছিল? প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টে বড় দাবি

আমহেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি কেন ভেঙে পড়েছিল? সেই দুর্ঘটনার একমাস পরে এই নিয়ে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশিত হল। কী বলা হয়েছে সেই ১৫ পাতার প্রতিবেদনে?

Published on: Jul 12, 2025 6:58 AM IST
google-icon
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link
1/5
রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে বিমানের প্রথম ইঞ্জিনের 'রিকভারির' ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। তবে পাইলটদের অনেক চেষ্টাতেও বিমানের দ্বিতীয় ইঞ্জিন চালু হওয়ার কোনও ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। রিপোর্টে বলা হয়েছে দুপুর ১টা ৩৮ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে বিমানের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৮০ নট বা ৩৩৩.৩৬ কিমিতে পৌঁছেছিল।   expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Jul 12, 2025 6:58 AM

রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে বিমানের প্রথম ইঞ্জিনের 'রিকভারির' ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। তবে পাইলটদের অনেক চেষ্টাতেও বিমানের দ্বিতীয় ইঞ্জিন চালু হওয়ার কোনও ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। রিপোর্টে বলা হয়েছে দুপুর ১টা ৩৮ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে বিমানের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৮০ নট বা ৩৩৩.৩৬ কিমিতে পৌঁছেছিল।

2/5
বিপর্যয়ের ঠিক এক মাস পরে প্রকাশিত হয়েছে এই ১৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি। বিমান দুর্ঘটনার চূড়ান্ত মুহুর্তের প্রথম আনুষ্ঠানিক বিবরণ সরবরাহ করা হয়েছে এই রিপোর্টে। একই সাথে সেই বিমানে দুটো ইঞ্জিনেরই বন্ধ হওয়ার কারণ সম্পর্কে নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে এই প্রতিবেদন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, শেষ মুহূর্তে ককপিটে এক পাইলট অপরজনকে জিজ্ঞেস করেন, কেন ইঞ্জিনে জ্বালানি প্রবাহ বন্ধ করা হয়েছে। তাতে অপর পাইলট জ্বালানি সরবরাহ করার কথা অস্বীকার করেন।   expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Jul 12, 2025 6:58 AM

বিপর্যয়ের ঠিক এক মাস পরে প্রকাশিত হয়েছে এই ১৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি। বিমান দুর্ঘটনার চূড়ান্ত মুহুর্তের প্রথম আনুষ্ঠানিক বিবরণ সরবরাহ করা হয়েছে এই রিপোর্টে। একই সাথে সেই বিমানে দুটো ইঞ্জিনেরই বন্ধ হওয়ার কারণ সম্পর্কে নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে এই প্রতিবেদন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, শেষ মুহূর্তে ককপিটে এক পাইলট অপরজনকে জিজ্ঞেস করেন, কেন ইঞ্জিনে জ্বালানি প্রবাহ বন্ধ করা হয়েছে। তাতে অপর পাইলট জ্বালানি সরবরাহ করার কথা অস্বীকার করেন।

3/5
শনিবার মধ্যরাতের পরপরই এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট ১৭১-এর দুর্ঘটনার প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বিমানটি আকাশে ওড়ার পরই একজন পাইলট বুঝতে পেরেছিলেন যে টেকঅফের সময় উভয় ইঞ্জিনের জ্বালানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।      expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Jul 12, 2025 6:58 AM

শনিবার মধ্যরাতের পরপরই এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট ১৭১-এর দুর্ঘটনার প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বিমানটি আকাশে ওড়ার পরই একজন পাইলট বুঝতে পেরেছিলেন যে টেকঅফের সময় উভয় ইঞ্জিনের জ্বালানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।

4/5
ইঞ্জিন এবং এয়ারক্রাফ্ট ফ্লাইট রেকর্ডারের তথ্য নিশ্চিত করেছে যে ঘটনার সময় উভয় ইঞ্জিনেই N2 মান ন্যূনতম নিষ্ক্রিয় গতির নীচে নেমে গিয়েছিল। ইঞ্জিন এবং এয়ারক্রাফ্ট ফ্লাইট রেকর্ডারের তথ্যে দেখা গেছে যে জ্বালানি সরবরাহ 'রান'-এ ফিরে যাওয়ার পরে উভয় ইঞ্জিনেই এক্সহস্ট গ্যাস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছিল। অর্থাৎ রিলাইট প্রচেষ্টার সময় যে কম্বাশন হচ্ছিল, তা বোঝা যাচ্ছে।  expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Jul 12, 2025 6:58 AM

ইঞ্জিন এবং এয়ারক্রাফ্ট ফ্লাইট রেকর্ডারের তথ্য নিশ্চিত করেছে যে ঘটনার সময় উভয় ইঞ্জিনেই N2 মান ন্যূনতম নিষ্ক্রিয় গতির নীচে নেমে গিয়েছিল। ইঞ্জিন এবং এয়ারক্রাফ্ট ফ্লাইট রেকর্ডারের তথ্যে দেখা গেছে যে জ্বালানি সরবরাহ 'রান'-এ ফিরে যাওয়ার পরে উভয় ইঞ্জিনেই এক্সহস্ট গ্যাস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছিল। অর্থাৎ রিলাইট প্রচেষ্টার সময় যে কম্বাশন হচ্ছিল, তা বোঝা যাচ্ছে।

5/5
তদন্তের প্রাথমিক অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, আমদাবাদে দুর্ঘটনার সময় ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের জরুরি ব্যবস্থা সক্রিয় ছিল। এটি ব়্যাম এয়ার টারবাইন নামে পরিচিত। ড্রিমলাইনারের ম্যানুয়াল অনুযায়ী, উভয় ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেলে বা তিনটি হাইড্রোলিক সিস্টেমের চাপ কম থাকলে বিমানের জরুরি ব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হতে পারে। এদিকে বিমানের ফ্ল্যাপ সঠিক '৫ ডিগ্রি' অবস্থানে ছিল। এদিকে ল্যান্ডিং গিয়ার (বিমানের চাকা) 'ডাউন' ছিল। তবে বিমানে পাখির ধাক্কা খাওয়ার কোনও চিহ্ন পাওয় যায়নি।   (HT_PRINT)expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Jul 12, 2025 6:58 AM

তদন্তের প্রাথমিক অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, আমদাবাদে দুর্ঘটনার সময় ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের জরুরি ব্যবস্থা সক্রিয় ছিল। এটি ব়্যাম এয়ার টারবাইন নামে পরিচিত। ড্রিমলাইনারের ম্যানুয়াল অনুযায়ী, উভয় ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেলে বা তিনটি হাইড্রোলিক সিস্টেমের চাপ কম থাকলে বিমানের জরুরি ব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হতে পারে। এদিকে বিমানের ফ্ল্যাপ সঠিক '৫ ডিগ্রি' অবস্থানে ছিল। এদিকে ল্যান্ডিং গিয়ার (বিমানের চাকা) 'ডাউন' ছিল। তবে বিমানে পাখির ধাক্কা খাওয়ার কোনও চিহ্ন পাওয় যায়নি। (HT_PRINT)

Related Photos