...
...
Next Story

Astro tips for positive energy: সাবধান! এই ৫টি জিনিস কখনও সরাসরি অন্যের হাতে দেবেন না, হতে পারে চরম আর্থিক অনটন

Things not to give directly by hand: আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এমন কিছু জিনিস রয়েছে যা সরাসরি অন্যের হাতে দেওয়া অশুভ বলে মানা হয়। এর ফলে নেতিবাচক শক্তি বাড়ে এবং সম্পর্কের অবনতি হতে পারে।

Published on: Apr 10, 2026 07:27 AM IST
Advertisement
বাস্তু ও জ্যোতিষশাস্ত্রে প্রতিটি বস্তুর নিজস্ব শক্তি বা ‘এনার্জি’ থাকে। অনেক সময় আমরা না জেনেই অন্যের হাতে কিছু জিনিস তুলে দিই, যা আমাদের দুর্ভাগ্য ডেকে আনতে পারে। বাস্তুশাস্ত্রে এমন ৫টি সাধারণ জিনিসের কথা বলা হয়েছে, যা সরাসরি হাতে-হাতে লেনদেন করলে আর্থিক অনটন এবং সম্পর্কের তিক্ততা বাড়তে পারে।
বাস্তু ও জ্যোতিষশাস্ত্রে প্রতিটি বস্তুর নিজস্ব শক্তি বা ‘এনার্জি’ থাকে। অনেক সময় আমরা না জেনেই অন্যের হাতে কিছু জিনিস তুলে দিই, যা আমাদের দুর্ভাগ্য ডেকে আনতে পারে। বাস্তুশাস্ত্রে এমন ৫টি সাধারণ জিনিসের কথা বলা হয়েছে, যা সরাসরি হাতে-হাতে লেনদেন করলে আর্থিক অনটন এবং সম্পর্কের তিক্ততা বাড়তে পারে।
কেন এগুলি সরাসরি হাতে দেওয়া উচিত নয়? জ্যোতিষ মতে, কিছু বস্তু নেতিবাচক শক্তি শোষণ করে বা গ্রহের অশুভ প্রভাব বহন করে। যখন এই জিনিসগুলো সরাসরি এক হাত থেকে অন্য হাতে যায়, তখন সেই নেতিবাচক শক্তিও স্থানান্তরিত হয়। তাই এই জিনিসগুলো দেওয়ার সময় সবসময় কোনো পাত্রে রেখে বা নিচে রেখে দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
১. লবণ (Salt): লবণকে জ্যোতিষশাস্ত্রে চন্দ্র এবং শুক্রের সাথে যুক্ত করা হয়। আবার এটি নেতিবাচক শক্তি শোষণের ক্ষমতা রাখে বলে একে রাহু-কেতুর সাথেও তুলনা করা হয়। বিশ্বাস করা হয় যে, লবণ সরাসরি কারো হাতে দিলে সেই ব্যক্তির সাথে আপনার বিবাদ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই লবণ দেওয়ার সময় সবসময় টেবিল বা কোনো পাত্রে রাখুন।
২. কাঁচা লঙ্কা (Green Chili): লঙ্কার স্বাদ যেমন ঝাল ও তীব্র, এর জ্যোতিষীয় প্রভাবও তেমনই। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, লঙ্কা সরাসরি হাতে-হাতে দিলে সম্পর্কের মাঝে তিক্ততা তৈরি হয়। ছোট ছোট বিষয়ে ঝগড়া বা মনোমালিন্য দেখা দিতে পারে।
৩. ধারালো বস্তু (Sharp Items): ছুরি, কাঁচি বা সুঁইয়ের মতো ধারালো জিনিস বিচ্ছেদের প্রতীক। এগুলো সরাসরি হাতে দেওয়া মানে হলো সম্পর্কের মাঝে ফাটল ডেকে আনা। এটি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কলহ সৃষ্টি করতে পারে। এই ধরণের বস্তু দেওয়ার সময় সবসময় তা কোনো সমতল স্থানে রেখে তবেই অন্যকে নিতে বলুন।
৪. লোহার তৈরি জিনিস (Iron Items): লোহা শনিদেবের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। লোহার কোনো সরঞ্জাম বা বস্তু সরাসরি হাতে দেওয়া বা নেওয়া হলে শনির অশুভ প্রভাব আপনার ওপর পড়তে পারে। এর ফলে কর্মক্ষেত্রে বাধা বা শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিতে পারে।
৫. রুমাল (Handkerchief): আমরা প্রায়ই প্রয়োজনে অন্যের কাছে রুমাল চাই বা দিই। কিন্তু বাস্তুশাস্ত্র বলছে, রুমাল সরাসরি হাতে দিলে সম্পর্কের মাঝে দূরত্ব তৈরি হয় এবং আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। রুমাল কারো দিকে বাড়িয়ে দেওয়ার বদলে কোথাও রেখে দিন যাতে তিনি তুলে নিতে পারেন।
আমাদের ঐতিহ্যগত বিশ্বাস এবং জ্যোতিষশাস্ত্রীয় টিপসগুলো আমাদের জীবনকে আরও সুশৃঙ্খল ও ইতিবাচক করার জন্য। যদিও এগুলো বিশ্বাস করা ব্যক্তিগত বিষয়, তবুও সতর্ক থাকতে ক্ষতি নেই। ছোটখাটো এই পরিবর্তনগুলো হয়তো আপনার ঘরকে নেতিবাচকতা থেকে দূরে রাখতে এবং সম্পর্কের মাধুর্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।
 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON