India-Myanmar-Bangladesh Update: ভারতের স্বপ্নের প্রকল্প চালু ২০২৭ সালে, মূলে আছে কলকাতাও, পথে বসে যাবে বাংলাদেশ

By HT Bangla | Written by
Published on Jul 07, 2025 09:51 pm IST

ভারতের স্বপ্নের প্রকল্প চালু হতে চলেছে ২০২৭ সালে। আর সেই প্রকল্পের মূলে আছে কলকাতাও। সেই স্বপ্নের প্রকল্প চালু হয়ে গেলে কার্যত পথে যাবে বাংলাদেশ। মহম্মদ ইউনুস যে নিজেদের সমুদ্রের গার্ডিয়ান হিসেবে দাবি করেছেন, সেটা ফুটো হয়ে যাবে।

1 / 5
২০২৭ সালের মধ্যেই স্বপ্নের কালাদান প্রকল্প পুরোপুরি চালু হয়ে যাবে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনেওয়াল। পোশাকি ভাষায় ওই প্রকল্পের নাম হল ‘কালাদান মাল্টি-মোডাল ট্রানজিট ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট'। ভারত এবং মায়ানমারের মধ্যে সেই প্রকল্প গড়ে তোলা হচ্ছে। আর সেই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে গেলে উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে দেশের বাকি অংশের দূরত্ব অনেকটা কমে যাবে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে এপি) expand-icon View Photos in a new improved layout
Published on Jul 07, 2025 09:51 pm IST

২০২৭ সালের মধ্যেই স্বপ্নের কালাদান প্রকল্প পুরোপুরি চালু হয়ে যাবে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনেওয়াল। পোশাকি ভাষায় ওই প্রকল্পের নাম হল ‘কালাদান মাল্টি-মোডাল ট্রানজিট ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট'। ভারত এবং মায়ানমারের মধ্যে সেই প্রকল্প গড়ে তোলা হচ্ছে। আর সেই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে গেলে উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে দেশের বাকি অংশের দূরত্ব অনেকটা কমে যাবে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে এপি)

2 / 5
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে অবস্থিত সিটওয়ে বন্দর চালু হয়ে গিয়েছে ২০২৩ সালে। কলকাতা থেকে সিটওয়ে বন্দরে পণ্যবাহী জাহাজ পৌঁছে গিয়েছে। যে বন্দর কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। বিশেষত ওই প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি সম্পূর্ণ হয়ে গেলে বাংলাদেশকে এড়িয়ে অনায়াসে উত্তর-পূর্ব ভারত এবং মায়ানমারে পৌঁছে যেতে পারবে ভারত। নির্ভর করতে হবে না বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বা মোংলা বন্দরের উপরে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই) expand-icon View Photos in a new improved layout
Published on Jul 07, 2025 09:51 pm IST

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে অবস্থিত সিটওয়ে বন্দর চালু হয়ে গিয়েছে ২০২৩ সালে। কলকাতা থেকে সিটওয়ে বন্দরে পণ্যবাহী জাহাজ পৌঁছে গিয়েছে। যে বন্দর কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। বিশেষত ওই প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি সম্পূর্ণ হয়ে গেলে বাংলাদেশকে এড়িয়ে অনায়াসে উত্তর-পূর্ব ভারত এবং মায়ানমারে পৌঁছে যেতে পারবে ভারত। নির্ভর করতে হবে না বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বা মোংলা বন্দরের উপরে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

3 / 5
কালাদান প্রকল্প কীরকমভাবে এগিয়ে গিয়েছে? কলকাতা থেকে সমুদ্রপথে পণ্য মায়ানমারের সিটওয়ে বন্দরে যাবে। সেখান থেকে কালাদান নদী ধরে পালেতোয়ায় পৌঁছে যাবে পণ্য। আর সেখান থেকে সড়কপথে উত্তর-পূর্ব ভারতের মিজোরামে পৌঁছে যাবে। ফলে মহম্মদ ইউনুস যে নিজেদের সমুদ্রের একমাত্র গার্ডিয়ান হিসেবে দাবি করেছিল, সেটা যে আদতে নয়, তা চোখের সামনে দেখতে পাবে বাংলাদেশ। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে এএফপি) expand-icon View Photos in a new improved layout
Published on Jul 07, 2025 09:51 pm IST

কালাদান প্রকল্প কীরকমভাবে এগিয়ে গিয়েছে? কলকাতা থেকে সমুদ্রপথে পণ্য মায়ানমারের সিটওয়ে বন্দরে যাবে। সেখান থেকে কালাদান নদী ধরে পালেতোয়ায় পৌঁছে যাবে পণ্য। আর সেখান থেকে সড়কপথে উত্তর-পূর্ব ভারতের মিজোরামে পৌঁছে যাবে। ফলে মহম্মদ ইউনুস যে নিজেদের সমুদ্রের একমাত্র গার্ডিয়ান হিসেবে দাবি করেছিল, সেটা যে আদতে নয়, তা চোখের সামনে দেখতে পাবে বাংলাদেশ। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে এএফপি)

4 / 5
সোমবার গুয়াহাটিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে মায়ানমারের সিটওয়ে বন্দর পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে। এখন মিজোরামের আইজল থেকে মায়ানমার পর্যন্ত সড়কপথে সংযোগ তৈরির কাজ চলছে। ২০২৭ সালের মধ্যেই পুরো প্রকল্প চালু হয়ে যাবে। আর সেক্ষেত্রে আইজল থেকে কলকাতার দূরত্ব ৭০০ কিলোমিটার কমে যাবে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই) expand-icon View Photos in a new improved layout
Published on Jul 07, 2025 09:51 pm IST

সোমবার গুয়াহাটিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে মায়ানমারের সিটওয়ে বন্দর পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে। এখন মিজোরামের আইজল থেকে মায়ানমার পর্যন্ত সড়কপথে সংযোগ তৈরির কাজ চলছে। ২০২৭ সালের মধ্যেই পুরো প্রকল্প চালু হয়ে যাবে। আর সেক্ষেত্রে আইজল থেকে কলকাতার দূরত্ব ৭০০ কিলোমিটার কমে যাবে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

5 / 5
আসলে কালাদান হল একটি নদীর নাম। সেই নদীর নামেই ভারত এবং মায়ানমার যে মাল্টি-মোডাল প্রকল্প তৈরি করছে, তার ফলে বিভিন্ন পরিবহণ ব্যবস্থার মাধ্যমে পূর্ব ভারতের বন্দর থেকে মায়ানমারে পণ্য পরিবহণ করা যাবে। একইভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশের মাধ্যমে উত্তর-পূর্ব ভারতেও পণ্য পৌঁছে দেওয়ার কাজটা সহজ হয়ে যাবে। অনেক কম সময়েই পণ্য পরিবহণ করা যাবে বলেও জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই) expand-icon View Photos in a new improved layout
Published on Jul 07, 2025 09:51 pm IST

আসলে কালাদান হল একটি নদীর নাম। সেই নদীর নামেই ভারত এবং মায়ানমার যে মাল্টি-মোডাল প্রকল্প তৈরি করছে, তার ফলে বিভিন্ন পরিবহণ ব্যবস্থার মাধ্যমে পূর্ব ভারতের বন্দর থেকে মায়ানমারে পণ্য পরিবহণ করা যাবে। একইভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশের মাধ্যমে উত্তর-পূর্ব ভারতেও পণ্য পৌঁছে দেওয়ার কাজটা সহজ হয়ে যাবে। অনেক কম সময়েই পণ্য পরিবহণ করা যাবে বলেও জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

SHARE
Story Saved
Live Score
Saved Articles
Following
My Reads
Sign out
Get App
crown-icon
Subscribe Now!