Kasba Rape Accused Manojit Mishra Update: কসবার কলেজের দেওয়ালে এখনও মোছা হয়নি 'মনোজিত দাদা আমাদের হৃদয়ে' গ্রাফিটি!

কসবায় সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজে 'মনোজিৎ দাদা ইজ ইন আওয়ার হার্টস -টিম এমএম' দেওয়াল লিখনটি নাকি ভাইস প্রিন্সিপালের নজরে পড়েছিল সরস্বতী পুজোর সময়। তবে পাঁচ মাসেও সেই দেওয়াল লিখন মোছা যায়নি। কসবা ধর্ষণকাণ্ড সামনে আসার এতদিন পরও সেই দেওয়াল লিখন বহাত তবিয়তে রয়েছে। যা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

Published on: Jul 12, 2025 11:24 AM IST
google-icon
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link
1/4
কসবায় সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজে মনোজিৎ মিশ্রের সমর্থনে একটি 'দেওয়াল লিখন' দেখা গিয়েছিল। ধর্ষণের ঘটনা সামনে আসার পরপরই সেই দেওয়ালের ছবি সংবাদমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরালও হয়। সেখানে লেখা ছিল - 'মনোজিৎ দাদা ইজ ইন আওয়ার হার্টস -টিম এমএম' (মনোজিৎ দাদা আমাদের হৃদয়ে)। সেই দেওয়াল লিখন এখনও মোছা হয়নি। কলেজের নীল পাঁচিলে এখনও দেখা যাচ্ছে সেই লেখা।   expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Jul 12, 2025 11:24 AM

কসবায় সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজে মনোজিৎ মিশ্রের সমর্থনে একটি 'দেওয়াল লিখন' দেখা গিয়েছিল। ধর্ষণের ঘটনা সামনে আসার পরপরই সেই দেওয়ালের ছবি সংবাদমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরালও হয়। সেখানে লেখা ছিল - 'মনোজিৎ দাদা ইজ ইন আওয়ার হার্টস -টিম এমএম' (মনোজিৎ দাদা আমাদের হৃদয়ে)। সেই দেওয়াল লিখন এখনও মোছা হয়নি। কলেজের নীল পাঁচিলে এখনও দেখা যাচ্ছে সেই লেখা।

2/4
মনোজিতের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা আছে পুলিশের খাতায়। এর আগে একাধিকবার পুলিশ তাকে ধরেছিল। শ্লীলতাহানী থেকে খুনের চেষ্টার তো অভিযোগ দায়ের রয়েছে মনোজিতের বিরুদ্ধে। দাবি করা হচ্ছে, মনোজিৎ মিশ্র নাকি প্রতি বছর ১৫টি পড়ুয়াকে ভর্তি করাত কলেজে। এক একটি ভর্তির জন্য ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা করে ঘুষ নিত সে। এদিকে শুধু পড়ুয়া নয়, কলেজের শিক্ষকদেরও নাকি ভয় দেখাত মনোজিৎ। একবার নাকি এক শিক্ষক মনোজিতের বেআইনি পড়ুয়া ভর্তির বিরোধিতা করেছিলেন। সেই সময় নাকি মনোজিৎ সেই শিক্ষককে কলেজের বাইরে 'ভাগিয়ে ভাগিয়ে মারার' হুঁশিয়ারি দিয়েছিল।  expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Jul 12, 2025 11:24 AM

মনোজিতের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা আছে পুলিশের খাতায়। এর আগে একাধিকবার পুলিশ তাকে ধরেছিল। শ্লীলতাহানী থেকে খুনের চেষ্টার তো অভিযোগ দায়ের রয়েছে মনোজিতের বিরুদ্ধে। দাবি করা হচ্ছে, মনোজিৎ মিশ্র নাকি প্রতি বছর ১৫টি পড়ুয়াকে ভর্তি করাত কলেজে। এক একটি ভর্তির জন্য ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা করে ঘুষ নিত সে। এদিকে শুধু পড়ুয়া নয়, কলেজের শিক্ষকদেরও নাকি ভয় দেখাত মনোজিৎ। একবার নাকি এক শিক্ষক মনোজিতের বেআইনি পড়ুয়া ভর্তির বিরোধিতা করেছিলেন। সেই সময় নাকি মনোজিৎ সেই শিক্ষককে কলেজের বাইরে 'ভাগিয়ে ভাগিয়ে মারার' হুঁশিয়ারি দিয়েছিল।

3/4
মনোজিৎ মিশ্রকে নিয়ে এই দেওয়াল লিখন এখনও কেন মোছা হয়নি, এই নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। এই আবহে সম্প্রতি প্রশ্নের মুখে পড়েছেন কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল নয়না চট্টোপাধ্যায়। জবাবে নয়না বলেন, 'এটা পড়ুয়ারাই লিখেছিল। কোনও শিক্ষক বা স্টাফ এই কাজ করেননি। এটা আমাদের নজরে আসার পরই ফিন্যান্স কমিটিকে জানানো হয়েছে। পার্চেজ কমিটির সঙ্গে এই দেওয়াল লিখন মোছার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে সেটা মোছার আগেই এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।'  expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Jul 12, 2025 11:24 AM

মনোজিৎ মিশ্রকে নিয়ে এই দেওয়াল লিখন এখনও কেন মোছা হয়নি, এই নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। এই আবহে সম্প্রতি প্রশ্নের মুখে পড়েছেন কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল নয়না চট্টোপাধ্যায়। জবাবে নয়না বলেন, 'এটা পড়ুয়ারাই লিখেছিল। কোনও শিক্ষক বা স্টাফ এই কাজ করেননি। এটা আমাদের নজরে আসার পরই ফিন্যান্স কমিটিকে জানানো হয়েছে। পার্চেজ কমিটির সঙ্গে এই দেওয়াল লিখন মোছার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে সেটা মোছার আগেই এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।'

4/4
নয়না চট্টোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, '২ ফেব্রুয়ারি সরস্বতী পুজোর সময় এই দেওয়াল লিখনটি প্রথম নজরে আসে।' তবে তাঁর এই বক্তব্যে প্রশ্ন উঠছে, পাঁচমাস ধরে কেন এই গ্রাফিটি মোছা হল না? এক লিটার রং কিনে এই দেওয়াল লিখন মুছতে যে অনুমতির প্রয়োজন পড়ে, তার জন্য কি পাঁচমাস সময় লাগে? এই আবহে নয়া চট্টোপাধ্যায় বলেন, 'কলেজ কর্তৃপক্ষ গভার্নিং বডির নির্দেশেই কাজ করে।' উল্লেখ্য, এই গভআর্নিং বডির সুপারিশেই কলেজের অস্থায়ী চাকরিটা পেয়েছিল এই মনোজিৎ।   expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Jul 12, 2025 11:24 AM

নয়না চট্টোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, '২ ফেব্রুয়ারি সরস্বতী পুজোর সময় এই দেওয়াল লিখনটি প্রথম নজরে আসে।' তবে তাঁর এই বক্তব্যে প্রশ্ন উঠছে, পাঁচমাস ধরে কেন এই গ্রাফিটি মোছা হল না? এক লিটার রং কিনে এই দেওয়াল লিখন মুছতে যে অনুমতির প্রয়োজন পড়ে, তার জন্য কি পাঁচমাস সময় লাগে? এই আবহে নয়া চট্টোপাধ্যায় বলেন, 'কলেজ কর্তৃপক্ষ গভার্নিং বডির নির্দেশেই কাজ করে।' উল্লেখ্য, এই গভআর্নিং বডির সুপারিশেই কলেজের অস্থায়ী চাকরিটা পেয়েছিল এই মনোজিৎ।

Related Photos