Intimate Health: আজকাল মহিলারা রোগ এড়াতে নিজেদের অন্তরঙ্গ অঙ্গের যত্ন নিচ্ছেন। কিন্তু অনেক সময় ভালো অভ্যাসও আপনার যোনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। যেমন এই ৬টি ভালো অভ্যাস যা ডাক্তারদের মতে ভুল।
মহিলারা অন্তরঙ্গ অঙ্গ সম্পর্কিত ভুল করেন - শরীরের অন্যান্য অংশের মতো ব্যক্তিগত অঙ্গের পরিচ্ছন্নতা এবং যত্ন নেওয়া জরুরি। মহিলারা এখন এই বিষয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন এবং যে কোনও ধরনের রোগ এড়াতে অন্তরঙ্গ অঙ্গের বিশেষ যত্ন নেন। কিন্তু স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে অনেক মহিলা যে অভ্যাসগুলিকে ভালো মনে করে অনুসরণ করেন, সেগুলি আসলে আপনার অন্তরঙ্গ স্বাস্থ্যকে নীরবে নষ্ট করছে। তাই অন্তরঙ্গ অঙ্গের এই 'ভালো অভ্যাসগুলি' আজই বন্ধ করুন।অতিরিক্ত ধোয়া - অনেক মহিলা অন্তরঙ্গ অঙ্গ পরিষ্কার করার জন্য ব্যক্তিগত অঙ্গগুলি অতিরিক্ত ধুয়ে ফেলেন। এই অতিরিক্ত ধোয়ার ফলে যোনিতে জ্বালা এবং অস্বস্তি বাড়ে।পরিষ্কারের জন্য রাসায়নিকযুক্ত পণ্য - মহিলারা এখন সচেতন এবং বাজারে উপলব্ধ বিভিন্ন সুগন্ধিযুক্ত পণ্য ব্যবহার করে অন্তরঙ্গ অঙ্গ পরিষ্কার করেন। এই কঠোর রাসায়নিকযুক্ত পণ্যগুলি যোনির পিএইচ স্তর নষ্ট করে দেয়। যার ফলে সেখানে শুষ্কতা, চুলকানি, জ্বালা শুরু হয়। তাই অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতা যোনির স্বাস্থ্য নষ্ট করতে শুরু করে।যোনির ভিতরের পরিচ্ছন্নতা - অন্তরঙ্গ অঙ্গ পরিষ্কার করার নামে অনেক মহিলা ডুচিং করেন। অর্থাৎ যোনির ভেতর থেকে পরিষ্কার করার চেষ্টা করেন। যা সম্পূর্ণ ভুল। ডাক্তারদের মতে, এই অভ্যাস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। যোনিতে এমন কিছু ব্যাকটেরিয়া থাকে যা ব্যক্তিগত অঙ্গকে স্বাভাবিকভাবে পরিষ্কার রাখে, কিন্তু এই ডুচিং অভ্যাস এই ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলিকে নষ্ট করে দেয়, যার ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।টাইট অন্তর্বাস - টাইট, শ্বাস-প্রশ্বাস রুদ্ধকারী ফ্যাব্রিক দিয়ে তৈরি অন্তর্বাস যোনির এলাকায় ছত্রাক সংক্রমণ এবং জ্বালা বাড়িয়ে দেয়। দীর্ঘ সময় ধরে টাইট থাকার কারণে ঘাম এবং আর্দ্রতা জমে যায় যা শুকাতে পারে না এবং সেখানে ছত্রাক জন্মাতে শুরু করে।পরিষ্কার করার অভ্যাস - ব্যক্তিগত অঙ্গ পরিষ্কার করার পদ্ধতিও সংক্রমণ বাড়ায়। যেমন মলত্যাগের পর পিছন থেকে সামনের দিকে পরিষ্কার করা। যার ফলে যোনির এলাকায় ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে শুরু করে।অন্তরঙ্গ অঙ্গের ত্বকের জন্য ক্রিম - অনেক মহিলা সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখে ব্যক্তিগত অঙ্গের কালো দাগ দূর করার জন্য ক্রিম এবং পণ্য ব্যবহার করেন। অথবা বিশেষ ধরনের গন্ধের জন্যও ব্যবহার করেন। এই কঠোর রাসায়নিকযুক্ত পণ্যগুলি যোনির পিএইচ ভারসাম্য নষ্ট করে সেখানে সংক্রমণ এবং জ্বালা সৃষ্টি করে।
সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা:
১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা:
হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা:
গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।