WB 5th Pay Commission DA Arrear Case Order Copy: রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য বড় খবর, বকেয়া DA মামলার অর্ডার কপি সামনে এল

রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য বিশাল খবর। বকেয়া ডিএ মামলার চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় বাংলার কয়েক লাখ সরকারি কর্মীরা। এই আবহে সাম্প্রতিকতম অর্ডার কপি প্রকাশ্যে এসেছে। উল্লেখ্য, গত শুনানিটাই এই মামলার চূড়ান্ত শুনানি ছিল। এই আবহে কী লেখা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বকেয়া ডিএ মামলার সেই অর্ডার কপিতে?

Published on: Sept 11, 2025 11:16 AM IST
google-icon
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link
1/7
বকেয়া ডিএ মামলার সর্বশেষ শুনানির অর্ডার কপি অনুযায়ী, ডিএ মামলার শুনানি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং মামলাটি এখন রায়ের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ আদালত পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে তাদের লিখিত বক্তব্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এরপর, কর্মচারী সংগঠনগুলো এক সপ্তাহের মধ্যে রাজ্য সরকারের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের জবাব দাখিল করবে। এই প্রক্রিয়া শেষ হলেই চূড়ান্ত রায় ঘোষণার পথে আর কোনও বাধা থাকবে না।  expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Sept 11, 2025 11:16 AM

বকেয়া ডিএ মামলার সর্বশেষ শুনানির অর্ডার কপি অনুযায়ী, ডিএ মামলার শুনানি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং মামলাটি এখন রায়ের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ আদালত পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে তাদের লিখিত বক্তব্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এরপর, কর্মচারী সংগঠনগুলো এক সপ্তাহের মধ্যে রাজ্য সরকারের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের জবাব দাখিল করবে। এই প্রক্রিয়া শেষ হলেই চূড়ান্ত রায় ঘোষণার পথে আর কোনও বাধা থাকবে না।

2/7
চূড়ান্ত শুনানির আগে রাজ্যের তরফ থেকে শীর্ষ আদালতে ৬২ পাতার লিখিত জবাব জমা করেছিলেন কবিল সিব্বল। সেই সাবমিশনের মাধ্যমে অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন তিনি। এই ৬২ পাতায় রাজ্য সরকারের তরফ থেকে মূলত দুটি যুক্তি দেওয়া হয়েছিল। প্রথমত রাজ্য সরকার যুক্তি দিয়েছিল যে ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো অনুযায়ী, রাজ্য সরকারগুলি কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দিতে আইনত বা সাংবিধানিকভাবে বাধ্য নয়। এর আগে ডিএ মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট বা ট্রাইব্যুনালও কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার জন্য রাজ্যকে নির্দেশ দেয়নি। এই আবহে রাজ্য নিজের আর্থিক পরিস্থিতি অনুযায়ী ডিএ নির্ধারণ করতে পারে।  expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Sept 11, 2025 11:16 AM

চূড়ান্ত শুনানির আগে রাজ্যের তরফ থেকে শীর্ষ আদালতে ৬২ পাতার লিখিত জবাব জমা করেছিলেন কবিল সিব্বল। সেই সাবমিশনের মাধ্যমে অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন তিনি। এই ৬২ পাতায় রাজ্য সরকারের তরফ থেকে মূলত দুটি যুক্তি দেওয়া হয়েছিল। প্রথমত রাজ্য সরকার যুক্তি দিয়েছিল যে ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো অনুযায়ী, রাজ্য সরকারগুলি কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দিতে আইনত বা সাংবিধানিকভাবে বাধ্য নয়। এর আগে ডিএ মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট বা ট্রাইব্যুনালও কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার জন্য রাজ্যকে নির্দেশ দেয়নি। এই আবহে রাজ্য নিজের আর্থিক পরিস্থিতি অনুযায়ী ডিএ নির্ধারণ করতে পারে।

3/7
এদিকে রাজ্যের দ্বিতীয় যুক্তি ছিল, ভারতের প্রায় আর্ধেক রাজ্য কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেয় না। এই আবহে সুপ্রিম কোর্ট যদি পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়, তাহলে এর প্রভাব পড়বে বাকি রাজ্যগুলোর ওপরেও। এই বিষয়টি তুলে ধরে রাজ্য বোঝাতে চেয়েছে যে এটি কেবল পশ্চিমবঙ্গের একার সমস্যা নয়, বরং সারা দেশের আরও রাজ্যেরও বিষয় এটি। কপিলের কথায়, ১৩টি রাজ্য এমন রয়েছে, যারা কেন্দ্রের হার না মেনে, নিজেদের পরিস্থিতি অনুযায়ী ডিএ-র হার নির্ধারণ করে। সেই নিয়ম অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ সরকারও নিজেদের সাধ্য মতো ডিএ দিচ্ছে।  expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Sept 11, 2025 11:16 AM

এদিকে রাজ্যের দ্বিতীয় যুক্তি ছিল, ভারতের প্রায় আর্ধেক রাজ্য কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেয় না। এই আবহে সুপ্রিম কোর্ট যদি পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়, তাহলে এর প্রভাব পড়বে বাকি রাজ্যগুলোর ওপরেও। এই বিষয়টি তুলে ধরে রাজ্য বোঝাতে চেয়েছে যে এটি কেবল পশ্চিমবঙ্গের একার সমস্যা নয়, বরং সারা দেশের আরও রাজ্যেরও বিষয় এটি। কপিলের কথায়, ১৩টি রাজ্য এমন রয়েছে, যারা কেন্দ্রের হার না মেনে, নিজেদের পরিস্থিতি অনুযায়ী ডিএ-র হার নির্ধারণ করে। সেই নিয়ম অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ সরকারও নিজেদের সাধ্য মতো ডিএ দিচ্ছে।

4/7
উল্লেখ্য, গত ১৬ মে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন অনুযায়ী বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। এর জন্য সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা ছিল ২৭ জুন। সেদিনই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে ডিএ মেটানোর সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য। এদিকে এর আগে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছিল যে তারা ২০০৮ সালের ১লা এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালের বকেয়া ডিএ-কে মান্যতা দিচ্ছে। তবে এতকিছুর মধ্যে ডিএ মামলার চূড়ান্ত শুনানি সম্পন্ন হয়েছে।  expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Sept 11, 2025 11:16 AM

উল্লেখ্য, গত ১৬ মে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন অনুযায়ী বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। এর জন্য সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা ছিল ২৭ জুন। সেদিনই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে ডিএ মেটানোর সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য। এদিকে এর আগে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছিল যে তারা ২০০৮ সালের ১লা এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালের বকেয়া ডিএ-কে মান্যতা দিচ্ছে। তবে এতকিছুর মধ্যে ডিএ মামলার চূড়ান্ত শুনানি সম্পন্ন হয়েছে।

5/7
এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ মতো ২৫ শতাংশ বকেয়া না মেটানোয় ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্য সরকারকে। মামলার শুনানি চলাকালীন সরকারকে কার্যত 'মহাজন' আখ্যা দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। বিচারপতি সঞ্জয় করোল বলেছিলেন, 'আগেকার দিনের মহাজনদের মতো আচরণ করছে রাজ্য সরকার। টাকা জমিয়ে রেখে অন্য জায়গায় টাকা খাটানো হচ্ছে।'  expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Sept 11, 2025 11:16 AM

এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ মতো ২৫ শতাংশ বকেয়া না মেটানোয় ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্য সরকারকে। মামলার শুনানি চলাকালীন সরকারকে কার্যত 'মহাজন' আখ্যা দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। বিচারপতি সঞ্জয় করোল বলেছিলেন, 'আগেকার দিনের মহাজনদের মতো আচরণ করছে রাজ্য সরকার। টাকা জমিয়ে রেখে অন্য জায়গায় টাকা খাটানো হচ্ছে।'

6/7
এদিকে চূড়ান্ত শুনানির পরে রাজ্য সরকারকে দুই সপ্তাহের মধ্যে লিখিত বক্তব্য জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে আবেদনকারী সরকারি কর্মীদের এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। এদিকে লিখিত বক্তব্য জমা পড়ার পরে শীর্ষ আদালতে দীপাবলির ছুটি শুরু হয়ে যাবে। এই আবহে দীপাবলির ছুটির পরেই বকেয়া ডিএ মামলার রায়দান করা হতে পারে বলে আশায় বুক বেঁধেছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা।  expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Sept 11, 2025 11:16 AM

এদিকে চূড়ান্ত শুনানির পরে রাজ্য সরকারকে দুই সপ্তাহের মধ্যে লিখিত বক্তব্য জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে আবেদনকারী সরকারি কর্মীদের এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। এদিকে লিখিত বক্তব্য জমা পড়ার পরে শীর্ষ আদালতে দীপাবলির ছুটি শুরু হয়ে যাবে। এই আবহে দীপাবলির ছুটির পরেই বকেয়া ডিএ মামলার রায়দান করা হতে পারে বলে আশায় বুক বেঁধেছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা।

7/7
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে সুপ্রিম কোর্টে ঝুলে আছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার কর্মীদের বকেয়া ডিএ মামলা। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ সংক্রান্ত যে মামলাটি চলছে, সেটা পঞ্চম বেতন কমিশন সংক্রান্ত। ২০১৬ সাল থেকে সেই মামলা চলছে। এই মামলাটি স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনাল, কলকাতা হাইকোর্ট হয়ে সুপ্রিম কোর্টে এসেছে। প্রথমে স্যাটে জয় পেয়েছিল রাজ্য সরকার। তারপর থেকে প্রতিটি ক্ষেত্রে জয় পেয়েছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Sept 11, 2025 11:16 AM

প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে সুপ্রিম কোর্টে ঝুলে আছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার কর্মীদের বকেয়া ডিএ মামলা। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ সংক্রান্ত যে মামলাটি চলছে, সেটা পঞ্চম বেতন কমিশন সংক্রান্ত। ২০১৬ সাল থেকে সেই মামলা চলছে। এই মামলাটি স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনাল, কলকাতা হাইকোর্ট হয়ে সুপ্রিম কোর্টে এসেছে। প্রথমে স্যাটে জয় পেয়েছিল রাজ্য সরকার। তারপর থেকে প্রতিটি ক্ষেত্রে জয় পেয়েছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা।

Related Photos