Ambubachi 2026: অম্বুবাচী ২০২৬ রয়েছে জুন মাসেই, তারিখ, তিথি দেখে নিন

Ambubachi 2026 Date Time: অম্বুবাচী ২০২৬ কবে শুরু! দেখা যাক, সময়সূচি।

Published on: Jun 8, 2026, 16:00:38 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

হিন্দু ধর্মে অম্বুবাচী তিথিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পালন করা হয়। ২০২৬ সালের অম্বুবাচী তিথি জুন মাসেই পড়ছে। জুন মাসে আর কয়েকদিন পরই এই তিথি রয়েছে।

অম্বুবাচী উৎসবে শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত হল মেলা প্রাঙ্গন। তেমনই দৃশ্য ধরা পড়ল ক্যামেরায়।
অম্বুবাচী উৎসবে শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত হল মেলা প্রাঙ্গন। তেমনই দৃশ্য ধরা পড়ল ক্যামেরায়।

লোকবিশ্বাস অনুসারে ,আষাঢ় মাসের ৭ তারিখে মৃগশিরা নক্ষত্রের তিনটি পদের সমাপ্তিতে ধরিত্রী মা রজঃস্বলা হন। ফলত জ্যোতিষ গণনা অনুসারে, আষাঢ় মাসে মৃগশিরা নক্ষত্রের চতুর্থ পদে ঋতুমতী হন ধরিত্রী। যেহেতু ঋতুমতী নারীরাই সন্তান ধারণে সক্ষম হন, তাই এই অম্বুবাচীর পর ধরিত্রীও সুফলা হয়ে উঠবে বলে মনে করা হয়। সেই বিশ্বাস থেকেই এই অম্বুবাচী তিথি পালিত হয়। ভারতের একাধিক স্থানে অম্বুবাচী উৎসব, রজঃউৎসব নামেও পালিত হয়।

চলতি বছরে অম্বুবাচী ২২ জুন শুরু। পঞ্জিকা অনুসারে চলতি বছরে অম্বুবাচী প্রবৃত্তিঃ অর্থাৎ শুরু হবে ২২ জুন, সোমবার অর্থাৎ ৭ আষাঢ় রাত ৯.৩৮ মিনিটে। আর তিথির নিবৃত্তি ১১ আষাঢ় রাত ঘ ৯.৩৩ মিনিটে, অর্থাৎ ১১ আষাঢ় ২৬ জুন শেষ হবে এই তিথি।

অম্বুবাচী তিথি উপলক্ষ্যে অসমের কামাক্ষ্যা মন্দিরে বিশেষ পুজো করা হয়। সেই পুজো উপলক্ষ্যে দেশের নানান প্রান্ত থেকে বহু সাধু সন্ন্যাসীর ভিড় হয়। সেখানে চলে তন্ত্র সাধনা। বহু দিন ধরে সেখানে চলে তন্ত্র সাধনা। এদিনে এই অম্বুবাচীর বিশেষ তিথিতে কোনও গাছ পোঁতা বা তা তোলা হয় না। মনে করা হয়, এই সময় মাটি খুঁড়লে ধরিত্রী মাকে কষ্ট দেওয়া হয়। সেই বিশ্বাস থেকে এই নিয়ম পালিত হয়। অম্বুবাচীর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বহু আচার অনুষ্ঠান। এই তিনদিন সন্ন্যাসী এবং বৈধব্যে থাকা মানুষরা বিশেষ ভাবে পালন করেন। এদিকে, অম্বুবাচীর এই ৩ দিন কোনও শুভ কাজও এই কয়েকদিন নিষিদ্ধ থাকে। শুধু তাই নয়, অম্বুবাচী চলাকালীন কৃষিকাজ বন্ধ রাখা হয়। তিনদিন পর অম্বুবাচী শেষ হলে, ফের কোনও মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান ও চাষাবাদ শুরু হয়।

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More