Ashadh Amavasya 2026 Tithi: আজ শুরু ২০২৬ সালের আষাঢ় অমাবস্যার তিথি! কতক্ষণ থাকবে?
আষাঢ় অমাবস্যা ২০২৬ ঘিরে কিছু তথ্য দেখে নিন।
প্রতিমাসের অমাবস্যা তিথির এক বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে জ্যোতিষমতে। হিন্দু ধর্মে এই আষাঢ়ের অমাবস্যা তিথিরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এই অমাবস্যাকে ভৌমবতী অমাবস্যাও বলা হয়। এই অমাবস্যার গুরুত্ব দ্বিগুণ বেড়ে যায়। বহু জায়গায় এই অমাবস্যার দিন চাষাবাদকে ঘিরে চলে বিশেষ উদযাপন। এছাড়াও অমাবস্যায় কালসর্প দোষ নিবারণ, মঙ্গলদোষ নিবারণ, পির্তৃতর্পণের মতো কাজ সম্পন্ন করা হয়। সেই দিক থেকে অনেকেরই আগ্রহ থাকে, কবে এই অমাবস্যা তিথি রয়েছে, তা জানার।

২০২৬ সালের আষাঢ় মাসের অমাবস্যা তিথি কবে পালিত হবে, তা নিয়ে রয়েছে বহু জল্পনা। শাস্ত্র অনুসারে, আষাঢ় মাসের অমাবস্যা তিথি ১৪ জুলাই পালিত হবে। উদয়া তিথি অনুসারে এই মান্যতা। তবে অমাবস্যা তিথি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী শুরু হচ্ছে আজ সোমবার। ১৩ জুলাই, ২০২৬ সালে সোমবার শুরু হচ্ছে এই আষাঢ় অমাবস্যা। ১৩ জুলাই অমাবস্যা তিথি শুরু হবে সন্ধ্যা ৬ টা ৫১ মিনিটে। আর ১৪ জুলাই দুপুর ৩ টে ১৩ মিনিট পর্যন্ত তিথি চলবে। অমাবস্যায় স্নান, দানের শুভ মুহূর্ত ভোর ৪ টে ৩০ মিনিট থেকে ভোর ৫ টা ৩২ মিনিট পর্যন্ত চলবে।
এমন দিনে সূর্যকে উদ্দেশ্য করে কোনও পবিত্র নদীতে অর্ঘ্যদানের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এমন দিনে টোটকা মেনে, গরুর, কাক,পিঁপড়েকেও অনেকে খেতে দেন। এই আষাঢ় অমাবস্যায় বস্ত্র, তিল, জল দান খুব শুভ বলে মনে করা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এরফলে পিতৃদোষ শান্ত হয়, পরিবারে আসে সমৃদ্ধি। অমাবস্যায় অশ্বত্থ গাছের পুজোরও রীতি রয়েছে। এমন দিনে মহাদেব, বিষ্ণুর পুজো করলেও মনস্কামনা পূরণ হয় বলে মনে করা হয়।
( এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা।)
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


