ভাবছেন, নিজের সমস্যা থেকে কোনও দিন মুক্তি পাবেন না? অথচ সমাধান আছে সনাতন ধর্মে সূর্য বন্দনায়
জ্যোতিষশাস্ত্রে সূর্যকে মান-সম্মান, উচ্চপদ এবং সুস্বাস্থ্যের কারক হিসেবে গণ্য করা হয়। শাস্ত্রমতে, সূর্যদেবকে সন্তুষ্ট করার সবথেকে সহজ ও কার্যকরী উপায় হলো 'সূর্য চালিশা' পাঠ।
সনাতন ধর্মে সূর্যদেবকে 'প্রত্যক্ষ দেবতা' বলা হয়, কারণ তাঁকে আমরা প্রতিদিন চাক্ষুষ দেখতে পাই। তিনি কেবল আলো দেন না, বরং জগতকে শক্তি ও প্রাণ দান করেন। জ্যোতিষশাস্ত্রে সূর্যকে মান-সম্মান, উচ্চপদ এবং সুস্বাস্থ্যের কারক হিসেবে গণ্য করা হয়। শাস্ত্রমতে, সূর্যদেবকে সন্তুষ্ট করার সবথেকে সহজ ও কার্যকরী উপায় হলো 'সূর্য চালিশা' পাঠ।

আপনি যদি আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করতে চান এবং জীবনের অন্ধকার কাটিয়ে সাফল্যের আলোয় আসতে চান, তবে সূর্য চালিশার গুরুত্ব আপনার জেনে রাখা প্রয়োজন।
সূর্য চালিশা পাঠের অবিশ্বাস্য উপকারিতা
১. সুস্বাস্থ্য ও চর্মরোগ মুক্তি: বৈজ্ঞানিক ও আধ্যাত্মিক—উভয় মতেই সূর্যের তেজ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। নিয়মিত সূর্য চালিশা পাঠ করলে চোখের সমস্যা এবং হাড়ের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
২. মান-সম্মান ও প্রতিষ্ঠা: যারা কর্মক্ষেত্রে স্বীকৃতির অভাবে ভুগছেন বা সরকারি চাকরির চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য এই পাঠ অত্যন্ত ফলদায়ক। এটি সমাজে আপনার প্রভাব ও প্রতিপত্তি বৃদ্ধি করে।
৩. নেতিবাচক শক্তি বিনাশ: সূর্যের তেজ যেমন অন্ধকার দূর করে, তেমনই এই চালিশা পাঠে মনের ভয়, অলসতা এবং চারপাশের নেতিবাচক শক্তি দূর হয়।
৪. আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি: সূর্যের আশীর্বাদে মানুষের ইচ্ছাশক্তি বৃদ্ধি পায়, যা কঠিন সময়েও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।
সূর্য চালিশা পাঠের সঠিক নিয়ম
সূর্য চালিশা পাঠের জন্য কিছু শাস্ত্রীয় নিয়ম মেনে চললে দ্রুত ফল পাওয়া যায়:
- সময়: প্রতিদিন সূর্যোদয়ের সময় বা সকালবেলা এই পাঠ করা সবথেকে ভালো। বিশেষ করে রবিবার দিনটি সূর্যদেবের জন্য উৎসর্গ করা হয়।
- পদ্ধতি: স্নান সেরে শুদ্ধ বস্ত্রে পূর্ব দিকে মুখ করে বসুন। পাঠ শুরু করার আগে একটি তামার পাত্রে জল নিয়ে সূর্যদেবকে অর্ঘ্য দান করুন।
- একাগ্রতা: ধূপ ও প্রদীপ জ্বালিয়ে স্থির মনে সূর্য চালিশার ৪০টি চৌপাই পাঠ করুন। পাঠ শেষে ভগবান সূর্যের আরতি করা শুভ।
জ্যোতিষশাস্ত্রের দৃষ্টিভঙ্গি
যাদের কুণ্ডলীতে সূর্য নিচস্থ বা দুর্বল, তাদের জীবনে পিতা ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে সুসম্পর্ক থাকে না। জ্যোতিষীদের মতে, সূর্য চালিশা পাঠ করলে সূর্যের অশুভ প্রভাব বা 'সূর্য দোষ' কেটে যায় এবং কোষ্ঠীতে সূর্য শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


