Bipod Tarini Pujo 2026: ২০২৬ সালের বিপত্তারিণী পুজো আজ! ভুলেও এই জিনিসটি এদিন দেননি তো কাউকে?রইল টিপস
বিপত্তারিণী পুজো ঘিরে কিছু টিপস।
বাঙালির ঘরে ঘরে রয়েছে বিপত্তারিণী পুজোর রীতি। সাধারণত পরিবারের মঙ্গল কামনায় ও পরিবার থেকে বিপদ দূর করতে এই পুজো করা হয়।মূলত, বাড়ির মহিলারা এই পুজো করে থাকেন বিশেষ ব্রত পালন করে। তবে অত্যন্ত নিষ্ঠাভরে এই ব্রত পালিত হয়। শুধু যে ব্রতপালন তা নয়। সঙ্গে এই শুভ দিনে বেশ কিছু এমন কাজ রয়েছে, যা করাটা এই দিনে একেবারে শুভ বলে মনে করা হয়না। দেখে নিন বিপত্তারিণী ব্রতর দিন কী কী করা অশুভ, কোন জিনিসটি এদিন কাউকে দান করা, শুভ বলে মনে করা হয়না।

এই পুজোর দিনে কী কী করণীয় নয়-
এই বিশেষ পুজোর দিনে কাউকে চিনি দান করা শুভ নয় বলে মনে করা হয়। ভুলেও এই দিনে কাউকে চিনি দান করা থেকে বিরত থাকার কথা বলছেন শাস্ত্রজ্ঞরা।
পরিবারের বাইরে কাউকে বা অচেনা, অজানা কাউকে এই দিনে টাকা ঋণ দেওয়া থেকেও বিরত থাকার কথা বলা হচ্ছে।
এই ব্রত পালনের দিন চাল বা গমের কোনও জিনিস খাওয়ার থেকে বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে।
১৩ সংখ্যা ও ব্রত-
বিপত্তারিণী পুজোর দিন উপবাস রেখে ব্রত পালন করতে হয়। ব্রতর আগের দিন নিরামিষ খাওয়ার রীতি রয়েছে।
পুজোর অঞ্জলি দেওয়ার পর ১৩ খানা লুচি এবং ১৩ রকমের ফল খাওয়ার চল রয়েছে। এরপর কারোর সঙ্গে কথা না বলার রীতি রয়েছে।
মৌন ব্রত রেখে এই ব্রত পালন ও খাওয়ার সময় কারোর সঙ্গে কথা না বলার রীতি রয়েছে প্রচলিত।
প্রসঙ্গত, এই পুজোয় ১৩টি গিট বাঁধা লাল রঙের সুতো, ১৩ রকমের ফুল, ১৩ রকমের ফল, ১৩ টি দূর্বা, ১৩টি সুপুরি এবং পান লাগে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠার জন্য ঘট, আম্রপল্লব ও শীষডাব প্রয়োজন হয়।
(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


