Chandra Grahan 2026: ২০২৬ সালের ৩ মার্চের চন্দ্রগ্রহণ শুরু হচ্ছে! কতক্ষণ থাকবে? কলকাতায় চন্দ্রোদয় কখন? দেখে নিন
আজ হোলির দিনে রয়েছে চন্দ্রগ্রহণ।
দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে হোলি। পলাশের রঙে সেজেছে বাংলার নানান প্রান্ত। দেশের নানান প্রান্তে আবিরের রঙে উদযাপিত হচ্ছে এওই উৎসব। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ভিন দেশেও এই হোলি উৎসবের রঙ পৌঁছে গিয়েছে। চিরাচরিত নিয়ম মেনে দোল পূর্ণিমায় পালিত হচ্ছে রঙের এই উৎসব। দোল পূর্ণিমার তিথি গতকাল ২ মার্চ থেকে পড়ে গিয়েছে। এবার এই রঙের উৎসেবর দিনেই বিকেল থেকে চাঁদ হবে রক্তবর্ণ। কারণ ৩ মার্চ ২০২৬ সালে রয়েছে বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ। আজ রাতের চাঁদ তাই নেবে রক্তবর্ণ। হোলির দিন এই চন্দ্রগ্রহণ শুরু হতে চলেছে ৩.২০ মিনিট থেকে। দেখে নেওয়া যাক, এই গ্রহণ সম্পর্কে কিছু তথ্য।

চন্দ্রগ্রহণের উপছায়া চন্দ্রগ্রহণ শুরু হয়ে গিয়েছে ২ টো ১৪ মিনিট থেকে। এরপর ৩.২০ মিনিট থেকে চন্দ্রগ্রহণ শুরু। পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ বিকেল ৪ টে ৩৪ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা ৩২ মিনিট পর্যন্ত। আংশিক গ্রহণ শেষ হবে সন্ধ্যা ৬ টা ৪৫ মিনিটে। উপচ্ছায়া ৭ টা ৫৩ মিনিটে এই গ্রহণের উপচ্ছায়া গ্রহণ শেষ হবে।
জ্যোতিষমতে সূতককাল ইতিমধ্যেই সকাল ৬ টা ৩২ মিনিট থেকে শুরু হয়েছে। তা চলবে সন্ধ্যা ৬ টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত। ভারতে এই গ্রহণ দেখা যাবে বলে, এই গ্রহণের সুতককাল ধার্য হবে।
কলকাতায় সন্ধ্যা ৫ ট ৩৯ মিনিটে চন্দ্রোদয় হবে ।আংশিক চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে ১ ঘণ্টা ৯ মিনিট ধরে। দিল্লিতে চন্দ্রোদয় ৬ টা ২৬ মিনিটে। দিল্লিতে সন্ধ্যা ৬.২৬ মিনিটে, লখনউতে সন্ধ্যা ৬.১৮ মিনিটে,ভুবনেশ্বরে সন্ধ্যা ৬ টা ০৫ মিনিটে, পাটনায় সন্ধ্যা ৬. ১২ মিনিটে দেখা যাবে গ্রহণ। গুয়াহাটিতে বিকেল ৫ টা ৪৫ মিনিট, ডিব্রুগড়ে বিকেল ৫ টা ৪০ মিনিট, ইটানগরে বিকেল ৫ টা ৩৫ মিনিট, শিলংয়ে ৫ টা ৪০ মিনিটে আকাশের দিকে তাকালে বিরল দৃশ্যটি চোখে পড়বে।
এদিকে, আজ সন্ধ্যার চাঁদ হবে রক্তবর্ণ। আকাশে দেখা যাবে,'ব্লাড মুন'। গ্রহণের সময়ের এই দৃশ্যের সাক্ষী থাকবে ভারতের একাধিক শহর। সব মিলিয়ে আজকের এই গ্রহণ ঘিরে গোটা দেশের নজর রয়েছে।
(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


