Falaharini Amavasya 2026: ফলহারিণী অমাবস্যা ২০২৬ তিথি শুরু হয়ে গিয়েছে! থাকবে আর কতক্ষণ? রইল পঞ্জিকামত
Falaharini Amavasya 2026: ফলহারিণী অমাবস্যার রাতে সারদা মা-কে ষোড়শী রূপে পুজো করেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণদেব। সেই প্রেক্ষাপটে রামকৃষ্ণ মিশনে এই দিনটি ঘিরে বিশেষ আয়োজন হয়।
জ্যৈষ্ঠ মাসের ফলহারিণী অমাবস্যা তিথি শুরু হয়ে গিয়েছে। শনিবার এই অমাবস্যা তিথি থাকায়, দিনটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৬ সালের ফলহারিণী অমাবস্যা যেহেতু শনিবার পড়েছে, তাই এই অমাবস্যা দেশের নানান প্রান্তে শনিচর অমাবস্যা হিসাবেও পরিচিত। এই ধরনের অমাবস্যার বিশেষ ধরনের গুরুত্ব থাকে হিন্দুশাস্ত্রমতে। এদিকে, পঞ্জিকা মতে এই তিথি আর কতক্ষণ রয়েছে, সেদিকে নজর সকলের।

ফলহারিণী অমাবস্যার রাতে সারদা মা-কে ষোড়শী রূপে পুজো করেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণদেব। সেই প্রেক্ষাপটে রামকৃষ্ণ মিশনে এই দিনটি ঘিরে বিশেষ আয়োজন হয়।
মনে করা হয়, এই ফলহারিণী অমাবস্যায় যদি সঠিকভাবে দেবী কালীর আরাধনা করা হয়, তাহলে মেলে শুভ ফল। শাস্ত্রমতে, এমন দিনে দেবী ভক্তের সাধ পূরণে স্বয়ং নেমে আসেন মর্ত্যে। এই দিনে দেবীকে মরশুমি ফল দিয়ে পুজো করা হয়। প্রার্থনা যদি সঠিক নিয়মে করা যায়, তাহলে শুভ ফল মেনে বলে মনে করা হয়। তারাপীঠ থেকে কালীঘাটে, এই ফলহারিণী অমাবস্যার দিনে বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। অনেকেই এই দিনে, নিজের প্রিয় ফলটি দেবীকে উৎসর্গ করে থাকেন। এরপর এক বছর সেই ফল খান না। পরে দেবীকৃপার প্রসাদী ফল গঙ্গার মতো পবিত্র নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার রীতি রয়েছে। পরে শুভ ফল লাভের পর দেবীকে ফের পুজো দেওয়ারও রীতি প্রচলিত।
ফলহারিণী অমাবস্যা কতক্ষণ থাকবে?
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকামতে, ফলহারিণী অমাবস্যা ১৬ মে ২০২৬ সালে ভোর ৫ টা ১৩ মিনিটে পড়েছে। অর্থাৎ তিথি শনিবার পড়েছে। আর তিথি শেষ হচ্ছে, ১৭ মে রবিবার রাত ১ টা ১৩ মিনিটে। উল্লেখ্য, এই পঞ্জিকামতে, তিথি ১ জ্যৈষ্ঠ শুরু, তিথি শেষ ২ জ্যৈষ্ঠ। অন্যদিকে, অমাবস্যা ১৫ মে শুক্রবার ভোর ৪ টে ১ মিনিটে পড়ছে। অমাবস্যা তিথি শেষ হবে ১৬ মে শনিবার রাত ১ টা ৪৯ মিনিটে।
(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


