Feng Shui Tips: দাম্পত্যে নিত্য ঝগড়া লেগে রয়েছে? ফেংশুই মতে দেখে নিন সুখে পথ চলার উপায়
দাম্পত্যকে সুখে রাখতে কিছু ফেংশুই টিপস রইল।
দাম্পত্য ঘিরে বহু সময়ই নানান জটিলতা অনেক ক্ষেত্রে তৈরি হয়ে থাকে। এই দীর্ঘ সফরের মাঝে বহু সময়ই নানান জট, বাধা আসতে থাকে। সেই সমস্ত বাধা কাটিয়ে একসঙ্গে পথ চলার সফর এই দাম্পত্যে কখনও আসে চড়াই, কখনওহা উতরাই। এই সফরকে সুখে এগিয়ে নিয়ে যেতে ফেংশুইমতে কিছু টিপস রয়েছে। দেখে নেওয়া যাক, সেই সমস্ত টিপস।

দাম্পত্যের মাঝে কখনও ঝগড়া, কখনও অশান্তি চলতেই থাকছে কি? ফেংশুই মত বলছে, এগুলি কাটাবার বহু উপায় রয়েছে। ফেং শুইতে, গোলাপী রঙকে ভালোবাসা বৃদ্ধিকারী রঙ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অতএব, যদি আপনি আপনার সঙ্গীর প্রতি আপনার ভালোবাসা বৃদ্ধি করতে চান, তাহলে আপনার শোবার ঘরে যতটা সম্ভব গোলাপী রঙ ব্যবহার করুন। আপনি দেয়ালের জন্য হালকা গোলাপী রঙও ব্যবহার করতে পারেন। আপনি আপনার শোবার ঘরে গোলাপী পর্দা, বিছানার চাদর, ফুল এবং কম্বলও ব্যবহার করতে পারেন।
ফেংশুইমত বলছে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সুস্থ সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য, কিছু বিষয়ের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বিশৃঙ্খলা নেতিবাচকতা ছড়ায়, যা আপনার এবং আপনার সঙ্গীর মধ্যে ঝগড়ার কারণও হতে পারে। তাই, পরিবারের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া উচিত। ফেং শুই অনুসারে, ঘরের জিনিসপত্র, বিশেষ করে শোবার ঘর, গুছিয়ে রাখুন। বাড়ির প্রবেশপথও পরিষ্কার রাখা উচিত, কারণ এই পথ দিয়েই ঘরে ইতিবাচক শক্তি প্রবেশ করে।
ফেং শুই অনুসারে, বাড়িতে লিলি গাছ লাগানো শুভ বলে মনে করা হয়। এটি বাড়িতে রাখলে ইতিবাচকতা বজায় থাকে এবং স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও, আপনি বাঁশ, মানি প্ল্যান্ট এবং জেড গাছও লাগাতে পারেন। এগুলিও বাড়িতে ইতিবাচক শক্তি নিয়ে আসে। এছাড়াও বলা হচ্ছে, ঘরে ডলফিনের ছবি রাখা শুব হতে পারে। তবে একইসঙ্গে বলা হচ্ছে, শোবার ঘরে আয়না না রাখাই ভালো।
(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


