Jyestha Somvati Amavasya 2026: জ্যৈষ্ঠ ২০২৬-এ আসছে সোমবতী অমাবস্যা! তারিখ, তিথি দেখে নিন
জৈষ্ঠ অমাবস্যা ২০২৬র তিথি দেখে নিন।
জুন মাসে রয়েছে একাধিক উৎসব ও পার্বন। ২০ জন বাংলার ঘরে ঘরে পালিত হবে জামাইষষ্ঠী। এদিকে, তার আগেই পডছে সোমবতী অমাবস্যা।আসছে ২০২৬ জ্যৈষ্ঠ মাসের অমাবস্যা তিথি। হিন্দু ধর্মে এই অমাবস্যা তিথি ঘিরে নানান মান্যতা রয়েছে। এই তিথিতে অনেকেই বিশেষ সাধনা করে থাকেন। সেই দিক থেকে এই তিথির বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। আসন্ন ১৫ জুনের অমাবস্যা সোমবতী অমাবস্যা। যখন কোনও অমাবস্যা সোমবার পড়ে, তখন তাকে সোমবতী অমাবস্যা বলা হয়।

সোমবতী অমাবস্যা ২০২৬ তিথি:-
পঞ্জিকা অনুসারে, ২০২৬ সালের ১৪ই জুন, রবিবার দুপুর ১২:২০ মিনিটে অমাবস্যা তিথি শুরু হবে এবং ১৫ই জুন, সোমবার সকাল ৮:২৪ মিনিট পর্যন্ত চলবে। হিন্দুধর্মে উপবাস ও উৎসব পালনের জন্য উদয় তিথিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই, সোমবতী অমাবস্যার উপবাস ও পূজা ১৫ই জুন, সোমবার পালিত হবে। এই দিনে ভগবান শিব এবং দেবী পার্বতীর পূজার বিশেষ রীতি রয়েছে। পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে প্রার্থনা, দান এবং পবিত্র নদীতে স্নান করাও অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।
অমাবস্যা তিথিতে স্নান ও দানের সময়কাল-
সোমবতী অমাবস্যার দিনে ব্রহ্ম মুহূর্তে স্নান ও দান করা সর্বোত্তম সময় বলে মনে করা হয়। ১৫ই জুন, ব্রহ্ম মুহূর্ত হবে ভোর ৪:০৪ থেকে ৪:৪৪ পর্যন্ত। অন্যদিকে, অভিজিৎ মুহূর্ত হবে সকাল ১১:৫৪ থেকে দুপুর ১২:৫০ পর্যন্ত। এই সময়ে আপনি স্নান, পূজা ও দান করতে পারেন।
এই দিনে দরিদ্রদের কিছু দান করলে, বা দেবাদিদেব মহাদেব ও পার্বতী পুজো করে থাকেন অনেকে। মনে করা হয়, এই দিনে এই পুজো করলে সমৃদ্ধি আসে ঘরে। এমনও বিশ্বাস করা হয় যে, এই দিনে পবিত্র নদীতে স্নান করলে এবং অভাবীদের দান করলে পাপমোচন হয় ও জীবনে ইতিবাচক শক্তি সঞ্চারিত হয়।
(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্য়তা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


