Maha Shivratri Timing: ১৫ নাকি ১৬ ফেব্রুয়ারি, মহাশিবরাত্রির উপবাস কবে রাখবেন? জেনে নিন জলাভিষেকের সময়

পুরাণ মতে, এই বিশেষ নিশীথ রাতেই মহাদেব ও দেবী পার্বতী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। আবার অন্য মতে, এই রাতেই শিব লিঙ্গরূপে আবির্ভূত হয়ে ব্রহ্মাণ্ডকে রক্ষা করেছিলেন।

Published on: Feb 14, 2026, 09:42:32 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সনাতন ধর্মে মহাশিবরাত্রি হলো আধ্যাত্মিক সাধনা ও আত্মশুদ্ধির সর্বশ্রেষ্ঠ রাত। হিন্দু পঞ্জিকা অনুসারে, ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে পালিত হয় এই মহাপর্ব। পুরাণ মতে, এই বিশেষ নিশীথ রাতেই মহাদেব ও দেবী পার্বতী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। আবার অন্য মতে, এই রাতেই শিব লিঙ্গরূপে আবির্ভূত হয়ে ব্রহ্মাণ্ডকে রক্ষা করেছিলেন।

১৫ নাকি ১৬ ফেব্রুয়ারি, মহাশিবরাত্রির উপবাস কবে রাখবেন?
১৫ নাকি ১৬ ফেব্রুয়ারি, মহাশিবরাত্রির উপবাস কবে রাখবেন?

মহাশিবরাত্রি ২০২৬: তারিখ ও শুভ মুহূর্ত

  • ২০২৬ সালে মহাশিবরাত্রি পালিত হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি, রবিবার।
  • চতুর্দশী তিথি শুরু: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ - ভোর ০৫:৪২ মিনিটে।
  • চতুর্দশী তিথি সমাপ্ত: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ - রাত ০৩:৫১ মিনিটে।
  • নিশীথ কাল পুজো (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ): ১৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১১:৪৫ থেকে ১২:৩৫ মিনিট পর্যন্ত।

চার প্রহরের পুজোর সময়সূচী

মহাশিবরাত্রিতে যারা সারা রাত জেগে ভোলেনাথের আরাধনা করেন, তাদের জন্য চার প্রহরের পুজোর সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:

  • প্রথম প্রহর: ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ০৬:১১ মিনিট থেকে রাত ০৯:২৪ মিনিট পর্যন্ত। (দুগ্ধ অভিষেক)
  • দ্বিতীয় প্রহর: ১৫ ফেব্রুয়ারি রাত ০৯:২৪ মিনিট থেকে ১২:৩৭ মিনিট পর্যন্ত। (দই দিয়ে অভিষেক)
  • তৃতীয় প্রহর: ১৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১২:৩৭ মিনিট থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ভোর ০৩:৪৯ মিনিট পর্যন্ত। (ঘৃত বা ঘি দিয়ে অভিষেক)
  • চতুর্থ প্রহর: ১৬ ফেব্রুয়ারি ভোর ০৩:৪৯ মিনিট থেকে সকাল ০৭:০২ মিনিট পর্যন্ত। (মধু দিয়ে অভিষেক)

পুজোর সঠিক নিয়ম ও জলাভিষেক

মহাশিবরাত্রির দিন ভক্তরা উপবাস থেকে শিবলিঙ্গে জলাভিষেক করেন। শাস্ত্র মতে, পুজোর সময় নিম্নলিখিত ধাপগুলো মেনে চলা উচিত:

  • ১. সকালে স্নান সেরে শিব মন্দিরে বা বাড়িতে শিবলিঙ্গের সামনে সঙ্কল্প করুন।
  • ২. মহাদেবকে পঞ্চামৃত (দুধ, দই, ঘি, মধু ও চিনি) দিয়ে স্নান করান।
  • ৩. এরপর চন্দন, বেলপাতা, ধুতুরা ফুল, আকন্দ ফুল এবং ভাঙ অর্পণ করুন।
  • ৪. শিব চালিশা পাঠ করুন এবং 'ওঁ নমঃ শিবায়' মন্ত্রটি জপ করুন।
  • ৫. ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালিয়ে ভোলেনাথের আরতি করুন।

মহাশিবরাত্রির মাহাত্ম্য

জ্যোতিষশাস্ত্র এবং শক্তিবাদ অনুযায়ী, এই রাতে মহাকাশে গ্রহের অবস্থান এমন থাকে যে মানুষের মধ্যে আধ্যাত্মিক শক্তি প্রাকৃতিকভাবেই ঊর্ধ্বমুখী হয়। যারা কেরিয়ারে বাধা বা দাম্পত্য কলহে ভুগছেন, তাদের জন্য মহাশিবরাত্রির ব্রত অলৌকিক ফল প্রদান করে। বিশেষ করে যাদের কুণ্ডলীতে শনি বা চন্দ্রের দোষ আছে, তাদের জন্য এই পুজো এক অব্যর্থ কবচ।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More