...
...
Next Story

Mahashivratri 2026: আজ কি মহাশিবরাত্রির উপবাস রাখছেন? কী খাওয়া যাবে, আর কী যাবে না, সেই নিয়মগুলো জানেন তো

মহাশিবরাত্রির ব্রত কেবল ধর্মীয় আচার নয়, এটি শরীর ও মনের শুদ্ধিকরণের একটি প্রক্রিয়া। তবে ভুল খাদ্যাভ্যাসের কারণে অনেক সময় ব্রত ভঙ্গ হয় অথবা শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই উপবাসের সময় সঠিক নিয়মগুলি জানা একান্ত জরুরি।

Published on: Feb 15, 2026 03:43 PM IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

মহাশিবরাত্রির এই মহাপবিত্র তিথিতে ভক্তরা ভোলেনাথকে তুষ্ট করতে ব্রত বা উপবাস পালন করছেন। তবে উপবাসের সময় খাদ্যাভ্যাস নিয়ে অনেক সময় আমাদের মনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। মহাশিবরাত্রির ব্রত পালনের সঠিক নিয়ম, কী খাবেন এবং কোন খাবারগুলি এড়িয়ে চলবেন—তা নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন নিচে দেওয়া হলো:

ব্রত পালনের সময় কী খাবেন আর কী খাবেন না? জেনে নিন শাস্ত্রীয় ও বৈজ্ঞানিক নিয়ম

আজ কি মহাশিবরাত্রির উপবাস রাখছেন? এর সঠিক নিয়মগুলো জানেন তো
আজ কি মহাশিবরাত্রির উপবাস রাখছেন? এর সঠিক নিয়মগুলো জানেন তো

আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬; সারা ভারতজুড়ে পালিত হচ্ছে দেবাদিদেব মহাদেবের আরাধনার শ্রেষ্ঠ উৎসব মহাশিবরাত্রি। এই দিন অনেক ভক্তই নির্জলা (জল ছাড়া) বা ফলমূল খেয়ে উপবাস পালন করেন। মহাশিবরাত্রির ব্রত কেবল ধর্মীয় আচার নয়, এটি শরীর ও মনের শুদ্ধিকরণের একটি প্রক্রিয়া। তবে ভুল খাদ্যাভ্যাসের কারণে অনেক সময় ব্রত ভঙ্গ হয় অথবা শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই উপবাসের সময় সঠিক নিয়মগুলি জানা একান্ত জরুরি।

উপবাসের সময় কী কী খাওয়া যেতে পারে? (Dos)

যারা সম্পূর্ণ নির্জলা উপবাস করতে পারেন না, তারা 'ফলাহার' বা লঘু আহার গ্রহণ করতে পারেন:

  • ফলমূল: আপেল, কলা, আঙুর বা পেঁপের মতো টাটকা ফল শরীরের শক্তি বজায় রাখে। ফলে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা আপনাকে ক্লান্ত হতে দেয় না।
  • সাবুদানা: উপবাসের সময় সাবুদানা খিচুড়ি বা সাবুদানার বড়া অত্যন্ত জনপ্রিয়। এটি কার্বোহাইড্রেটের ভালো উৎস যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। তবে এতে অতিরিক্ত তেল বা মশলা দেবেন না।
  • দুগ্ধজাত খাবার: দুধ, দই, ছানা বা পনির খাওয়া যেতে পারে। এটি শরীরে ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের জোগান দেয়।
  • শুকনো ফল (Dry Fruits): কাজু, পেস্তা, আমন্ড এবং আখরোট অল্প পরিমাণে খেলে শরীরের এনার্জি লেভেল ঠিক থাকে।
  • জল ও পানীয়: ডাবের জল, লেবুর শরবত বা ফলের রস শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।

কোন খাবারগুলি ভুলেও খাবেন না? (Don'ts)

ভারতীয় জ্যোতিষশাস্ত্র ও আয়ুর্বেদ মতে, মহাশিবরাত্রির সময় ব্রহ্মাণ্ডের গ্রহগত অবস্থান মানুষের পরিপাকতন্ত্রকে প্রভাবিত করে।

  • মানসিক একাগ্রতা: ভারী খাবার খেলে শরীরে অলসতা আসে, যা শিবরাত্রির 'জাগরণ' বা রাতের প্রার্থনায় বাধা সৃষ্টি করে। লঘু আহার মনকে সজাগ ও একাগ্র রাখে।
  • বিষমুক্ত শরীর (Detoxification): বছরে অন্তত একবার এই ধরণের কঠোর উপবাস শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে বিশ্রাম দেয় এবং টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে।
  • গ্রহ শান্তি: জ্যোতিষ মতে, সাদা রঙের খাবার (যেমন দুধ বা ফল) গ্রহণ করলে চন্দ্রের অশুভ দশা দূর হয় এবং মন শান্ত থাকে।

মহাশিবরাত্রি ব্রত পারণের নিয়ম

পরদিন অর্থাৎ ১৬ ফেব্রুয়ারি সকালে স্নান সেরে শিবলিঙ্গে শেষবারের মতো পূজা দেওয়ার পর উপবাস ভাঙা উচিত। একে বলা হয় 'পারণ'। পারণের সময় প্রথমে জল এবং লঘু খাবার দিয়ে পেট ভরুন, একেবারে ভারী তেল-মশলাযুক্ত খাবার খাবেন না।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe