বাড়িতে নিয়ে আসুন এই ৫টি জিনিস, মহাদেবের কৃপায় রাতারাতি ফিরবে ভাগ্য
আপনি যদি আর্থিক অনটন থেকে মুক্তি পেতে চান এবং পরিবারে সুখ-শান্তি বজায় রাখতে চান, তবে এই মহাশিরাত্রিতে নিচের ৫টি জিনিসের মধ্যে যেকোনো একটি অবশ্যই বাড়িতে নিয়ে আসুন।
সনাতন ধর্মে মহাশিরাত্রি হলো দেবাদিদেব মহাদেবের আরাধনার শ্রেষ্ঠ তিথি। ২০২৬ সালে মহাশিরাত্রির এই পুণ্যলগ্নে গ্রহ-নক্ষত্রের বিশেষ সংযোগ তৈরি হচ্ছে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, এই বিশেষ দিনে শিবপূজার পাশাপাশি বাড়িতে নির্দিষ্ট কিছু শুভ সামগ্রী নিয়ে এলে বাস্তুদোষ দূর হয় এবং সংসারে লক্ষ্মীর বাস ঘটে।

আপনি যদি আর্থিক অনটন থেকে মুক্তি পেতে চান এবং পরিবারে সুখ-শান্তি বজায় রাখতে চান, তবে এই মহাশিরাত্রিতে নিচের ৫টি জিনিসের মধ্যে যেকোনো একটি অবশ্যই বাড়িতে নিয়ে আসুন:
১. পারদ শিবলিঙ্গ (Parad Shivling)
শাস্ত্র মতে, বাড়িতে পারদ শিবলিঙ্গ স্থাপন করা অত্যন্ত শুভ। মহাশিরাত্রির দিন এটি কিনে এনে উত্তর দিকে স্থাপন করলে এবং নিয়মিত পুজো করলে অকাল মৃত্যুর ভয় দূর হয় এবং কোষ্ঠীতে থাকা পিতৃদোষ ও কালসর্প দোষের প্রভাব কমে।
২. একাক্ষী নারকেল (Ekakshi Nariyal)
একাক্ষী নারকেলকে মা লক্ষ্মীর স্বরূপ মনে করা হয়। এই বিশেষ দিনে একটি একাক্ষী নারকেল কিনে বাড়ির আলমারিতে বা ক্যাশ বাক্সে রাখলে সারা বছর অর্থের অভাব হয় না। এটি অশুভ নজর থেকেও সংসারকে রক্ষা করে।
৩. রুদ্রাক্ষ (Rudraksha)
রুদ্রাক্ষ হলো মহাদেবের চোখের জল থেকে উৎপন্ন এক পবিত্র আধার। মহাশিরাত্রির দিনে পঞ্চমুখী বা মুখী রুদ্রাক্ষ কিনে তা গঙ্গাজলে ধুয়ে ধারণ করলে অথবা পুজোর ঘরে রাখলে ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার হয়। এটি মানসিক প্রশান্তি ও একাগ্রতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
৪. রুপোর নন্দী (Silver Nandi)
নন্দী হলেন মহাদেবের প্রধান বাহন এবং তাঁর অত্যন্ত প্রিয়। জ্যোতিষ মতে, রুপোর তৈরি একটি ছোট নন্দীর মূর্তি কিনে এনে শিবলিঙ্গের সামনে স্থাপন করলে কাজে আসা সমস্ত বাধা দূর হয়। এতে ধন-সম্পত্তি বৃদ্ধির পথ প্রশস্ত হয়।
৫. তামার কলস (Copper Kalash)
শিবলিঙ্গে জল অর্পণের জন্য তামার পাত্র শ্রেষ্ঠ। মহাশিরাত্রির দিন একটি নতুন তামার কলস কিনে তা দিয়ে মহাদেবকে অভিষেক করলে গৃহস্থে সুখ-শান্তি বিরাজ করে। এছাড়া এই পাত্রে জল ভরে রাখলে বাড়ির বাস্তুদোষ খণ্ডন হয়।
মহাশিরাত্রির বিশেষ টিপস:
এই দিনটি কেবল কেনাকাটার জন্য নয়, বরং ত্যাগেরও দিন। বাড়িতে নতুন সামগ্রী আনার পাশাপাশি বেলপাতা, ধুতুরা ফুল এবং কাঁচা দুধ দিয়ে শিবলিঙ্গে জল ঢালতে ভুলবেন না। মনে রাখবেন, ভক্তিভরে প্রার্থনা করলে ভোলেনাথ অল্পতেই সন্তুষ্ট হন।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


