...
...
Next Story

Shani Sade Sati effect: কয়েক মাস পরেই শনির সাড়েসাতি থেকে মুক্তি এই রাশির, অন্যদের কতদিন ফল ভুগতে হবে?

Shani Sade Sati effect: জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনা অনুযায়ী, এই রাশির জন্য আগামী বছরগুলো আশার আলো নিয়ে আসছে। অন্যদিকে মেষ ও মীন রাশির জাতকদের কিছুটা সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে শনির সাড়েসাতির জন্য।

Published on: Apr 25, 2026 07:07 PM IST
Advertisement

Shani Sade Sati effect: জ্যোতিষশাস্ত্রে শনিদেবকে ন্যায়ের দেবতা এবং কর্মফলের দাতা হিসেবে গণ্য করা হয়। শনি অত্যন্ত ধীর গতিতে চলেন, তাই এর প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়। শনির সাড়ে সাতি চললে জাতককে মানসিক, শারীরিক ও আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। বর্তমানে কুম্ভ, মেষ এবং মীন— এই তিন রাশির ওপর শনির সাড়েসাতির প্রভাব রয়েছে। তবে স্বস্তির খবর এই যে, আগামী ২০২৭ সালে একটি বিশেষ রাশি এই কষ্টদায়ক দশা থেকে মুক্তি পেতে চলেছে।

২০২৭ সালে মুক্তি পাচ্ছে কুম্ভ রাশি

অস্ত যাচ্ছেন শনিদেব, যেতে যেতে ৩ রাশির উপর থেকে বিপদের মেঘ সরিয়েও দিয়ে যাচ্ছেন
অস্ত যাচ্ছেন শনিদেব, যেতে যেতে ৩ রাশির উপর থেকে বিপদের মেঘ সরিয়েও দিয়ে যাচ্ছেন

জ্যোতিষ গণনা অনুযায়ী, কুম্ভ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ২০২৭ সালটি হবে অত্যন্ত স্বস্তির। বর্তমানে কুম্ভ রাশিতে সাড়েসাতির শেষ বা তৃতীয় পর্যায় চলছে। শনি যখন ২০২৭ সালের ৩ জুন কুম্ভ রাশি ত্যাগ করে মীন রাশিতে পুরোপুরি প্রবেশ করবেন, তখন কুম্ভ রাশির ওপর থেকে সাড়েসাতির কালো মেঘ কেটে যাবে। দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ, পারিবারিক কলহ এবং কাজে যে বাধা আসছিল, তা থেকে কুম্ভ রাশির জাতকরা রেহাই পাবেন। নতুন কাজের সুযোগ এবং আর্থিক উন্নতির পথ প্রশস্ত হবে।

মেষ রাশির ওপর সাড়েসাতির প্রথম পর্যায়

মেষ রাশির জাতকদের জন্য সাড়ে সাতি খুব বেশি দিন আগে শুরু হয়নি। ২০২৫ সালের ২৯ মার্চ শনি মীন রাশিতে প্রবেশ করার সাথে সাথেই মেষ রাশির ওপর সাড়েসাতির প্রথম পর্যায় শুরু হয়ে গেছে। শনির এই দশার কারণে মেষ রাশির জাতকদের জীবনে হঠাৎ করে অনেক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যেতে পারে। কাজের চাপ বাড়তে পারে এবং কঠোর পরিশ্রম সত্ত্বেও আশানুরূপ ফল পেতে দেরি হতে পারে। ২০২৭ সালে কুম্ভ রাশি মুক্তি পেলেও মেষ রাশির জাতকদের আরও বেশ কয়েক বছর ধৈর্য ধরতে হবে।

মীন রাশির জাতকদের ওপর এখন সাড়েসাতির দ্বিতীয় বা মধ্য পর্যায় চলছে। জ্যোতিষ মতে, সাড়েসাতির এই দ্বিতীয় পর্যায়টি সাধারণত সবচেয়ে কষ্টদায়ক হয়। এই সময়ে মীন রাশির জাতকরা ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনে নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে পারেন। আর্থিক লেনদেনে সাবধানতা অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি। ২০২৭ সালে শনি যখন রাশিবদল করবেন, তখন মীন রাশির ওপর শনির সাড়েসাতির শেষ পর্যায় শুরু হবে। অর্থাৎ ২০২৭ সালে কুম্ভ রাশি মুক্তি পেলেও মীন রাশিকে পুরোপুরি মুক্ত হতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe