১২ মাস পরে অবশেষে দারুণ সময়! শুক্রাদিত্য রাজযোগে ২০২৬ সালেই কপাল খুলবে ৩ রাশির
গ্রহরাজ সূর্য এবং সুখ-বিলাসের কারক গ্রহ শুক্রের মিলনে গঠিত হতে যাচ্ছে 'শুক্রাদিত্য রাজযোগ'। জ্যোতিষশাস্ত্রে এই যোগকে অত্যন্ত শক্তিশালী মনে করা হয়, যা বিশেষ কিছু রাশির জাতকদের জন্য অর্থ, সম্মান এবং প্রতিপত্তির দ্বার খুলে দেবে।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কুম্ভ রাশিতে এক অত্যন্ত শুভ ও প্রভাবশালী যোগ তৈরি হতে চলেছে। গ্রহরাজ সূর্য এবং সুখ-বিলাসের কারক গ্রহ শুক্রের মিলনে গঠিত হতে যাচ্ছে 'শুক্রাদিত্য রাজযোগ'। জ্যোতিষশাস্ত্রে এই যোগকে অত্যন্ত শক্তিশালী মনে করা হয়, যা বিশেষ কিছু রাশির জাতকদের জন্য অর্থ, সম্মান এবং প্রতিপত্তির দ্বার খুলে দেবে।

কুম্ভ রাশিতে তৈরি হওয়া এই রাজযোগের প্রভাব এবং কোন রাশিগুলি এর দ্বারা লাভবান হবে, জেনে নিন। কাদের হাতে আসতে পারে অর্থ, কারা সুখের মুখ দেখবেন, জেনে নিন এখান থেকে।
ভারতীয় জ্যোতিষশাস্ত্রে প্রতিটি গ্রহের রাশি পরিবর্তন বা গোচর কোনো না কোনো বিশেষ যোগ তৈরি করে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সূর্য ও শুক্র একই সাথে কুম্ভ রাশিতে অবস্থান করবে। সূর্যের তেজ এবং শুক্রের ঐশ্বর্য যখন মিলিত হয়, তখন জন্ম নেয় 'শুক্রাদিত্য রাজযোগ'।
জ্যোতিষীদের মতে, এই রাজযোগের প্রভাবে জাতক কেবল আর্থিক স্বচ্ছলতাই পান না, বরং সমাজে তাঁর মান-সম্মান এবং পদেরও উন্নতি ঘটে। বিশেষ করে যারা গ্ল্যামার জগত, ব্যবসা বা রাজনীতির সাথে যুক্ত, তাঁদের জন্য এই সময়টি আশীর্বাদের মতো। কুম্ভ রাশিতে এই বিরল মিলন ৩টি রাশির ভাগ্যকে সাত আসমানে নিয়ে যেতে পারে।
১. মেষ রাশি (Aries): আয়ের নতুন উৎস
মেষ রাশির জাতকদের জন্য এই রাজযোগ একাদশ ভাবে (আয় ও লাভের স্থান) তৈরি হবে। এর ফলে আপনার দীর্ঘদিনের আটকে থাকা বকেয়া টাকা হঠাৎ করেই হাতে আসতে পারে। যারা নতুন কোনো ব্যবসা শুরু করার কথা ভাবছেন বা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে চান, তাঁদের জন্য এই সময়টি অত্যন্ত লাভজনক। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির পাশাপাশি বেতন বৃদ্ধির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
২. বৃষ রাশি (Scorpio): ক্যারিয়ারে অভাবনীয় সাফল্য
বৃষ রাশির জাতকদের দশম ভাবে (কর্মের স্থান) এই যোগ তৈরি হবে। শুক্র যেহেতু আপনার রাশির অধিপতি, তাই এই সময়টি আপনার জন্য বিশেষ ফলদায়ক। আপনার কর্মদক্ষতা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসবে। যারা সরকারি চাকরির স্বপ্ন দেখছেন, তাঁদের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হতে পারে। বাড়ি বা গাড়ি কেনার মতো বড় ধরণের সম্পদ লাভের যোগও এই সময়ে স্পষ্ট।
৩. কুম্ভ রাশি (Aquarius): ব্যক্তিত্বের বিকাশ ও সম্মান বৃদ্ধি
যেহেতু এই রাজযোগ কুম্ভ রাশিতেই গঠিত হচ্ছে, তাই এই রাশির জাতকরা সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবেন। আপনার ব্যক্তিত্বে এক অন্যরকম আকর্ষণ তৈরি হবে। শুক্রের প্রভাবে আপনার দাম্পত্য জীবনে সুখ ফিরবে এবং সূর্যের প্রভাবে আপনি নেতৃত্বের ক্ষমতা অর্জন করবেন। সমাজে আপনার গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি হবে।
রাজযোগের পূর্ণ ফল পেতে কী করবেন?
শুক্রাদিত্য রাজযোগের ইতিবাচক শক্তি আরও বৃদ্ধি করতে জ্যোতিষীরা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। জেনে নিন সেগুলি।:
- প্রতিদিন সকালে সূর্যদেবকে অর্ঘ্য প্রদান করুন এবং 'ওঁ আদিত্যায় নমঃ' মন্ত্রটি জপ করুন।
- শুক্রকে মজবুত করতে শুক্রবার সাদা রঙের পোশাক পরুন এবং মা লক্ষ্মীর আরাধনা করুন।
- অসহায় বা অভাবী মানুষকে আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী দান করুন।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


