Vastu Shastra Tips: নতুন বাড়িতে প্রবেশ করছেন? সংসারে সুখ, সমৃদ্ধি আনতে প্রথমেই কী করণীয়? বাস্তুটিপস রইল

একটি নতুন বাড়ি তৈরির পরই সকলেই চান সেই বাড়ি জুড়ে যেন থাকে সুখ শান্তি। সেখানে যেন সমৃদ্ধির অধিষ্ঠান হয়। দেখে নেওয়া যাক, গৃহপ্রবেশ ঘিরে বাস্তুশাস্ত্র মত কী?

Published on: Dec 5, 2025, 15:25:59 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

নতুন বাড়ি বা ফ্ল্যাট, যেকোনও কিছুর চাবিই হাতে আসার পর তাতে সুখ শান্তি যাতে থাকে, তার জন্য সকলেই কামনা করেন। বাস্তুশাস্ত্র মতে নতুন বাড়িতে ঢোকার পরই বেশ কয়েকটি বিষয় মেনে চলার কথা বলা হচ্ছে। দেখে নেওয়া যাক, বাস্তুশাস্ত্রমতে গৃহপ্রবেশের সময় বা নতুন বাড়িতে প্রবেশ করেই কোন কোন নিয়ম পালনের কথা বলা হচ্ছে।

নতুন বাড়িতে প্রবেশ করছেন?সংসারে সমৃদ্ধি আনতে প্রথমেই কী করণীয়? রইল বাস্তু টিপস
নতুন বাড়িতে প্রবেশ করছেন?সংসারে সমৃদ্ধি আনতে প্রথমেই কী করণীয়? রইল বাস্তু টিপস

শাস্ত্রে স্পষ্টভাবে লেখা আছে যে, অসম্পূর্ণ গৃহ অশুভ। প্লাস্টার, পেইন্ট, দরজা, জানালা, বিদ্যুৎ ও জলের কাজ সব সম্পন্ন হওয়ার পরই ঘরে প্রবেশ করা শুভ। বাধ্যবাধকতায় থেকে তার আগে প্রবেশ করতে হলে সেই বাড়িতে পুজো করে প্রবেশ করুন। একটি অসম্পূর্ণ বাড়ি বাস্তু ত্রুটি তৈরি করে এবং পরিবারে সমস্যা নিয়ে আসে বলে বিশ্বাস করা হয় কিছু মত অনুযায়ী।

( Putin on India: ‘যদি US রাশিয়ার জ্বালানি কিনতে পারে, তাহলে ভারত কেন নয়’, ট্রাম্পের শুল্ক বোমার পাল্টা দিলেন পুতিন)

( Putin latest:ভারতে পুতিন! সফরের দিনে কুদানকুলাম নিউক্লিয়ার প্ল্যান্টে বোমা হানার হুমকি, ২০১৮র ঘটনায় রুশকে বড় ধাক্কা UKর)

প্রধান দরজা সজ্জা-

মূল দরজা হল বাড়ির মুখ। গৃহে প্রবেশের একদিন আগে দরজাটি আম পাতা, ফুলের মালা, স্বস্তিকা, ওম এবং শুভ উপকারের তরণ দিয়ে সাজিয়ে নিন। দু'পাশে কলার খুঁটি বা আম-অশোক পাতা রাখুন। দরজায় লাল রঙ্গোলি বা আল্পনা এবং দু'পাশে প্রদীপ জ্বালান। এই সাজসজ্জা লক্ষ্মীমাকে সরাসরি আমন্ত্রণ জানায়।

রঙ্গোলি, নারকেল এবং ঘট

গৃহ প্রবেশের দিন প্রধান প্রবেশদ্বারে একটি বড় রঙ্গোলি তৈরি করুন, মাঝখানে অবশ্যই স্বস্তিকা এবং পদ্ম ফুল থাকতে হবে। ডান ও বাম দিকে লাল কাপড়ে দুটি নারকেল মুড়ে নিন। স্ত্রী বা গৃহিণীকে মাথায় জল, সুপারি, দুর্বা, মুদ্রা ও লাল কাপড় বেঁধে ঘটে রাখতে হবে। ঘরের উত্তর-পূর্ব কোণে ঘটটি রাখুন - এটি বাড়িতে সম্পদ এবং সুখ বর্ষণ করে। ডান পা দিয়ে প্রবেশ ঘরে প্রথমেই গৃহকর্তা ও গৃহিণী একসঙ্গে ডান পা রেখে ঘরে প্রবেশ করার কথা বলা হচ্ছে।

বাড়িতে প্রবেশের সময় নারকেল ভেঙে 'ওম গণ গণপাতায় নমঃ' বলে ভিতরে আসুন। প্রথমে বাম পা রাখলে বাস্তু দোষ হয় এবং নেতিবাচক শক্তিতে প্রবেশ করে।

প্রথমে বাড়িতে পুজোর ঘর স্থাপন করুন

ঘরে পা রাখার সাথে সাথেই প্রথমে উত্তর-পূর্ব কোণে (উত্তর-পূর্ব) ঠাকুর ঘর তৈরি করুন। লক্ষ্মী-গণেশ, রাধা-কৃষ্ণ বা কুলদেবতার মূর্তি স্থাপন করুন। প্রদীপ জ্বালান, ধূপকাঠি জ্বালান এবং ‘ওম নমো ভগবতে বাসুদেবয়’ মন্ত্র জপ করুন। ঠাকুর ঘর প্রতিষ্ঠা ছাড়া গৃহ প্রবেশকে অসম্পূর্ণ বলে মনে করা হয়। শঙ্খনাদ, হোম, গণেশ পূজা ও নবগ্রহ শান্তি সংস্থান পুজো করতে পারেন।

শঙ্খধ্বনি

শঙ্খের আওয়াজে ঘরের সব নেতিবাচক শক্তি দূর হয়ে যায়। হোমে আমের কাঠ, ঘি, হোম সামগ্রী এবং নবগ্রহের নৈবেদ্য দিতে হবে। এটি বাড়িতে ইতিবাচক শক্তি নিয়ে আসে এবং সমস্ত গ্রহকে খুশি রাখে।

দুধ উথলে ওঠা

প্রথমে রান্নাঘরে দুধ ফুটিয়ে নিন, তাকে দুধ উথলে ওঠার রীতি বলা হয়ে থাকে। ঘরে প্রবেশের পর প্রথমে রান্নাঘরে গিয়ে দুধ ফুটিয়ে নেওয়া শুভ বলে মনে করা হয়।। দুধে কিছু চিনি এবং এলাচ যোগ করুন। ফুটন্ত হয়ে ওঠার সময় যদি দুধ পড়ে যায়, তাহলে তা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।

গণেশের প্রসাদ

প্রথমে গণেশকে প্রসাদ অর্পণ করুন এবং তারপরে সবাইকে প্রসাদ বিতরণ করুন। মা অন্নপূর্ণাকে বাড়িতে আমন্ত্রণ জানানো পরম্পরাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। এতে কখনও ঘরে খাওয়ার অভাব হয় না।

( এই প্রতিবেদন এআই দ্বারা অনুবাদ হয়েছে।ডিসক্লেইমার: আমরা এই নিবন্ধে প্রদত্ত তথ্যের সম্পূর্ণ সত্য এবং সঠিক বলে দাবি করি না। আরও বিশদ এবং আরও তথ্যের জন্য, প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করতে ভুলবেন না।)

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More