Putin latest:ভারতে পুতিন! সফরের দিনে কুদানকুলাম নিউক্লিয়ার প্ল্যান্টে বোমা হানার হুমকি, ২০১৮র ঘটনায় রুশকে বড় ধাক্কা UKর
ভারতে পা রাখলেন ভ্লাদিমির পুতিন।
বিশ্ব কূটনৈতিক আঙিনায় ঝড় তুলে ভারতের মাটিতে পা রাখলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পালাম বিমানবন্দরে তাঁরে সাদরে অভ্যর্থনা জানাতে পৌঁছলেন খোদ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক ও ভারত-ইউরোপ সম্পর্কের প্রেক্ষিতে পুতিনের ভারতের মাটিতে পা রাখা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এদিকে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পুতিনের বিমান ভারতের মাটি ছুঁতেই একের পর এক খবর উঠে আসতে শুরু করল পুতিনকে ঘিরে।

কুদানকুলাম পরমাণু কেন্দ্র (নিউক্লিয়ার প্ল্যান্ট)এ হামলার হুমকি:-
পুতিনের ভারত সফরের দিনেই এক হুমকি ইমেল ঘিরে তৎপরতা শুরু করে প্রশাসন। এদিন দুপুর নাগাদ, রাজস্থানেরক আজমেঢ় কালেক্টোরেটে একটি হুমকি ইমেল আসে। সেখানে লেখা থাকে, পুতিন ভারতে আসলেই আজমেঢ় শরিফ দরগা, সেখানের জেলা কালেক্টোরেট এবং তামিলনাড়ুর কুদানকুলাম পরমাণু কেন্দ্রে বোমা বিস্ফোরণ করা হবে। এই ইমেলে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের নাম উল্লেখ করা হয়। এরপরই ব্যাপক তল্লাশি শুরু করে প্রশাসন।
( Agrahayan Purnima 2025 Tithi: অগ্রহায়ণ পূর্ণিমা ২০২৫ পড়ে গিয়েছে, কতক্ষণ থাকবে? দেখে নিন তিথি, তারিখ)
২০১৮ সালের ‘নার্ভ অ্যাটাক’ নিয়ে রাশিয়াকে ধাক্কা ইউকে-র:-
এদিকে, ভারতে পুতিন আসার দিনেই ২০১৮ সালে ইউকেতে 'নার্ভ এজেন্ট' হামলা ঘিরে ভ্লাদিমির পুতিনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে ইউকে। এই অভিযোগের জেরে রাশিয়ার GRU মিলিটারি ইন্টালিজেন্স এজেন্সিকে, ইউকে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রেখেছে। অভিযোগ ঘিরে বলা হয়েছে, সার্দেই স্ক্রিপাল যিনি রাশিয়ার প্রাক্তন গুপ্তচর ছিলেন, এবং পরে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে কাজ করে ‘ডবল এজেন্ট’ হিসাবে উঠে আসেন, তাঁকে টার্গেট করেন রুশ গোয়েন্দারা। স্ক্রিপাল ও তাঁর মেয়ে ইউলিয়া নার্ভ হামলার শিকার হন।তাঁদের বাড়ির দরজার হ্যান্ডেলে কোনও ‘নার্ভ এজেন্ট’ ছিল বলে মনে করা হচ্ছে।
( Vastu Shastra Tips: শোবার ঘরে প্রদীপ জ্বালানো শুভ কি? বাস্তুশাস্ত্রমত কী বলছে দেখে নিন)
এরপর ব্রিটিশ নাগরিক ডন স্টারগেস ও তাঁর পার্টনার এক ফেলে দেওয়া পারফিউমের সংস্পর্শে আসেন। ডন তাঁর কোমরে ওই পারফিউম লাগাতেই তাঁরা দুজনেই অচৈতন্য হয়ে পড়েন। পরে ডন মারা যান। মনে করা হচ্ছে ওই পারফিউমে কোনও ‘নার্ভ এজেন্ট’ ছিল। ইউকের দাবি, এই ঘটনার নির্দেশ এসেছিল পুতিনের তরফে। ঘটনায় ইউকে পুতিনকে দায়ী করে।












