Vastu Tips: ঘরে অশান্তি রোজই? বাস্তুমতে এই ভুলগুলি এড়িয়ে চলতে হবে, সমৃদ্ধি পেতে রইল টিপস
একজন বিশেষজ্ঞের মতে, আপনার বাড়িতে কিছু বাস্তু ভুল আর্থিক চাপ তৈরি করতে পারে। এখানে 8 টি সাধারণ বাস্তু ভুল রয়েছে যা আপনার সমৃদ্ধিকে বাধা দিতে পারে।
বাড়িতে বহু সময়ই বাস্তুর দোষে নানান সমস্যা হতে পারে। তা দূর করার উপায় রইল।

জল পড়া: ফোঁটা কল, ফুটো পাইপ বা স্যাঁতসেঁতে দেয়ালগুলি প্রায়শই বাড়ি থেকে অর্থ প্রবাহের লক্ষণ হিসাবে দেখা হয়। বাস্তু শাস্ত্র অনুসারে, জলের লিকেজ অর্থ সঞ্চয়ের চেয়ে দ্রুত পিছলে যাওয়ার প্রতীক।
ভুল আয়না স্থাপন: বেডরুমে বা বাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব দিকে রাখা আয়না আর্থিক শক্তিকে বিঘ্নিত করতে পারে। শোবার ঘরে একটি আয়না ঘুমের ধরণগুলিকেও ব্যাহত করতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত স্ট্রেস এবং উচ্চতর স্বাস্থ্য ব্যয়ের কারণ হতে পারে।
প্রধান প্রবেশদ্বার: বাড়ির প্রধান দরজাটি প্রবেশদ্বার হিসাবে বিবেচিত হয়। যার মাধ্যমে সম্পদ এবং সুযোগগুলি বাড়িতে প্রবেশ করে। যখন জুতা, বাক্স বা অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলি প্রবেশদ্বারকে অবরুদ্ধ করে, তখন এটি ইতিবাচক শক্তি এবং নতুন সুযোগের প্রবাহকে সীমাবদ্ধ করতে পারে।
ভাঙা বা অকার্যকরী আইটেম: ভাঙা আসবাবপত্র, ক্ষতিগ্রস্থ সজ্জা বা অকার্যকর ইলেকট্রনিক্স প্রায়শই জীবনে স্থবিরতার প্রতিনিধিত্ব করে। ।
উত্তর-পূর্ব দিকে রান্নাঘর: উত্তর-পূর্ব দিকটি জলের উপাদানের সাথে যুক্ত, যখন রান্নাঘরটি আগুনের প্রতিনিধিত্ব করে। যখন এই দুটি বিপরীত উপাদান সংঘর্ষ করে, তখন এটি একটি ভারসাম্যহীনতা তৈরি করতে পারে, সম্ভবত হঠাৎ আর্থিক অস্থিরতা বা ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের দিকে পরিচালিত করে।
প্রধান দরজার দিকে মুখ করে সিঁড়ি: যদি কোনও সিঁড়ি সরাসরি মূল প্রবেশদ্বারের দিকে মুখ করে তবে বাড়িতে বসতি স্থাপনের আগে আগত শক্তি খুব দ্রুত উপরের দিকে যেতে পারে। এটি সমৃদ্ধি শক্তির প্রাকৃতিক প্রবাহকে ব্যাহত করতে পারে।
বিছানার নীচে বিশৃঙ্খলা: পুরানো জুতা, আবর্জনা বা অব্যবহৃত জিনিসগুলি বিছানার নীচে রাখলে স্থবির শক্তি তৈরি হতে পারে। এটি ঘুমকে বিরক্ত করতে পারে এবং মানসিক স্বচ্ছতাকে প্রভাবিত করতে পারে, যার ফলস্বরূপ উত্পাদনশীলতা এবং উপার্জনের সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করতে পারে।
উত্তর-পূর্ব দিকে টয়লেট: উত্তর-পূর্বকে একটি পবিত্র শক্তি অঞ্চল হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এখানে টয়লেট স্থাপন করলে ইতিবাচক শক্তি নিষ্কাশন হয় বলে বিশ্বাস করা হয়, যা আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং মানসিক শান্তিকে প্রভাবিত করতে পারে।
বাধা দূর করার সহজ প্রতিকার:
নেতিবাচক শক্তির জন্য লবণ ফ্লাশ: লবণ বা নুন নেতিবাচক শক্তি শোষণ করে বলে বিশ্বাস করা হয়। বাড়ির উত্তর-পূর্ব বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে এক বাটি রক লবণ বা সামুদ্রিক লবণ রাখা স্ট্রেসফুল শক্তিকে নিরপেক্ষ করতে সহায়তা করতে পারে।
উত্তর অঞ্চলকে সক্রিয় করুন: উত্তর দিকটিকে প্রায়শই বাস্তুতে কুবের অঞ্চল বলা হয়। এই অঞ্চলে একটি অর্থ উদ্ভিদ বা ঝর্ণার মতো একটি ছোট জলের উপাদান স্থাপন করা বৃদ্ধিকে উত্সাহিত করে এবং নতুন সুযোগগুলি আকর্ষণ করে বলে বিশ্বাস করা হয়।
প্রবেশদ্বারের কাছে একটি আয়না রাখুন: প্রবেশদ্বারের কাছে স্থাপন করা একটি আয়না প্রতীকীভাবে বাড়িতে প্রবেশের জন্য সমৃদ্ধি এবং ইতিবাচক শক্তির পথকে উজ্জ্বল করতে পারে। এটি আলো প্রতিফলিত করতে সহায়তা করে এবং একটি স্বাগত শক্তি প্রবাহ তৈরি করে।
নিয়মিত কর্পূর পোড়ান: কর্পূর পোড়ানো পরিবেশকে বিশুদ্ধ করে এবং স্থবির শক্তি পরিষ্কার করে বলে বিশ্বাস করা হয়। এটি মনকে শান্ত করতে সহায়তা করে, নতুন ধারণা এবং আরও ভাল সিদ্ধান্ত গ্রহণের অনুমতি দেয়।
( এই প্রতিবেদন এআই দ্বারা অনুবাদ হয়েছে। Disclaimer: জ্যোতিষশাস্ত্র একটি বিশ্বাস-ভিত্তিক ব্যবস্থা। এটি বিজ্ঞান নয়, তাই পাঠকদের বিস্তারিত পড়ার জন্য একজন পেশাদারের সাথে পরামর্শ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।)
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


