২ মার্চ তারিখটা ক্যালেন্ডারে দাগ দিয়ে রাখুন! ওদিন থেকেই ভাগ্যের চাকা ঘুরবে, সৌজন্য শুক্র ও চন্দ্র
মীন রাশি শুক্রের উচ্চস্থ রাশি, যেখানে শুক্র তার পূর্ণ শক্তি প্রদর্শন করে। এই যুগলবন্দিতে এমন এক শুভ যোগ তৈরি হচ্ছে যা জাতককে রাজকীয় সুখ এবং আর্থিক সমৃদ্ধি প্রদান করবে।
জ্যোতিষশাস্ত্রে শুক্র হলো ঐশ্বর্য ও বিলাসের প্রতীক, আর চন্দ্র হলো মনের কারক। ২০২৬ সালের মার্চ মাসে মীন রাশিতে এই দুই বন্ধুত্বপূর্ণ গ্রহের যুতি ঘটতে চলেছে। বিশেষ বিষয় হলো, মীন রাশি শুক্রের উচ্চস্থ রাশি (Exalted position), যেখানে শুক্র তার পূর্ণ শক্তি প্রদর্শন করে। এই যুগলবন্দিতে এমন এক শুভ যোগ তৈরি হচ্ছে যা জাতককে রাজকীয় সুখ এবং আর্থিক সমৃদ্ধি প্রদান করবে।

জ্যোতিষ গণনা অনুযায়ী, এই গ্রহ বিন্যাসের ফলে ৩টি রাশির জাতক-জাতিকারা সবথেকে বেশি লাভবান হবেন:
১. বৃষ রাশি (Taurus)
বৃষ রাশির অধিপতি শুক্র। মীন রাশিতে চন্দ্র ও শুক্রের মিলন আপনার একাদশ অর্থাৎ লাভের ঘরে ঘটবে। এর ফলে আয়ের নতুন নতুন পথ খুলে যাবে। যারা শেয়ার বাজার বা ফাটকা ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন, তারা বড় মুনাফা পেতে পারেন। দীর্ঘদিনের কোনো আর্থিক স্বপ্ন এই সময়ে পূরণ হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
২. মিথুন রাশি (Gemini)
মিথুন রাশির জাতকদের জন্য এই যুতি দশম ভাবে অর্থাৎ কর্মস্থানে ঘটবে। কর্মক্ষেত্রে আপনার সৃজনশীলতা সকলের নজর কাড়বে। যারা গ্ল্যামার, আর্ট বা মিডিয়া জগতের সাথে যুক্ত, তারা বড় কোনো সম্মান বা পদোন্নতি পেতে পারেন। ব্যবসায়িক ভ্রমণে ব্যাপক সাফল্যের যোগ রয়েছে, যা আপনার ব্যাংক ব্যালেন্স বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
৩. কর্কট রাশি (Cancer)
কর্কট রাশির অধিপতি চন্দ্র। শুক্রের সাথে চন্দ্রের এই মিলন আপনার ভাগ্য স্থানে (নবম ভাব) ঘটবে। ভাগ্যের পূর্ণ সহায়তায় আপনি যেকোনো কঠিন কাজ সহজে হাসিল করবেন। নতুন সম্পত্তি বা যানবাহন কেনার জন্য এটিই শ্রেষ্ঠ সময়। পরিবারের সাথে বিলাসবহুল ভ্রমণের পরিকল্পনা সফল হবে এবং আধ্যাত্মিক কাজে শান্তি মিলবে।
এই যোগের শুভ ফল বাড়াতে কী করবেন?
শুক্র ও চন্দ্রের শুভ প্রভাব আরও মজবুত করতে শুক্রবার মা লক্ষ্মীর সামনে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালান এবং সাদা রঙের মিষ্টি ভোগ নিবেদন করুন। এছাড়া পূর্ণিমার দিন চন্দ্রকে দুধ ও জল দিয়ে অর্ঘ্য দিলে মানসিক শান্তি ও সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


