New Garia to Salt Lake Sector V Metro: দেড় ঘণ্টার রাস্তা যেতে লাগবে ৩৫ মিনিট- ২০২৬-র মধ্যে কলকাতার এই রুটে চলবে মেট্রো
Kolkata Metro Latest Update: দেড় ঘণ্টার রাস্তা যেতে লাগবে ৩৫ মিনিট- ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কলকাতার এই রুটে চলবে মেট্রো। আশাবাদী মেট্রো রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। কাজও প্রায় শেষ হয়ে এসেছে ওই লাইনে। ফলে বিশাল লাভ হবে।
New Garia to Salt Lake Sector V Metro: যে রাস্তাটা যেতে দেড় ঘণ্টা লাগে, সেটাই অতিক্রম করা যাবে মেরেকেটে ৩৫ মিনিটে - সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৬ সালের মধ্যেই সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়ে যাবে। কারণ চলতি বছরের মধ্যেই কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের নিউ গড়িয়া থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত পরিষেবা চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেট্রো রেলওয়েলর জেনারেল ম্যানেজার প্রেম সাগর গুপ্তা জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই যাতে অরেঞ্জ লাইনের মেট্রো পরিষেবাকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত এগিয়ে যাওয়া যায়, সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।

চিংড়িঘাটার মিসিং লিঙ্কের কাজ প্রায় শেষ
আর সেই লক্ষ্যপূরণের জন্য মেট্রো কর্তৃপক্ষের খুব বেশি কাজও বাকি নেই। গত মে'তে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরে চিংড়িঘাটা ক্রসিংয়ে যে ৩৬৬ মিটারের 'মিসিং লিঙ্ক' ছিল, সেটার কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হয়ে এসেছে। ইতিমধ্যে ৩৩৫ মিটারের শূন্যস্থান পূরণ করে ফেলেছে অরেঞ্জ লাইন মেট্রোর দায়িত্ব এজেন্সি রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড (আরভিএনএল)।
নয়া ৩ স্টেশনের কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে
অর্থাৎ যে ৩১ মিটার 'মিসিং লিঙ্ক' জোড়া বাকি আছে, সেটা সম্পূর্ণ হলেই বেলেঘাটা ছাড়িয়ে নিউ গড়িয়া থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত জুড়ে যাবে অরেঞ্জ লাইন। আপাতত অরেঞ্জ লাইনের মেট্রো চালু আছে নিউ গড়িয়া থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত। ইতিমধ্যে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ (আইটি সেন্টার), নলবন এবং গৌরকিশোর ঘোষ মেট্রো স্টেশন তৈরি হয়ে গিয়েছে। ফলে শেষপর্যায়ের কাজ, কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির (সিআরএস) পরিদর্শনের পরে ২০২৬ সালের মধ্যেই নিউ গড়িয়া থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা চালু করে দেওয়ার আশা করা হচ্ছে।
জোকা থেকে এসপ্ল্যানেড মেট্রোও এগিয়ে যাচ্ছে
তারইমধ্যে কলকাতা মেট্রোর পার্পল লাইনেরও কাজ চলছে জোরকদমে। প্রাথমিকভাবে জোকা থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত ছিল ওই মেট্রো লাইনের বিস্তৃতি। পরবর্তীতে ওই লাইন সম্প্রসারিত হয়েছে। আর নয়া পরিকল্পনা অনুযায়ী, আইআইএম জোকা থেকে ইডেন গার্ডেন্স পর্যন্ত ছুটবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৯ সালের মধ্যেই জোকা থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত অংশে মেট্রোর বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু হয়ে যাবে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


