Men getting Lakshmir Bhandar: নদিয়ার একই ব্লকে ১৭৩ 'লক্ষ্মী ছেলে'! লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দুর্নীতি নিয়ে শুরু তদন্ত
সাম্প্রতিক তথ্য যাচাইয়ের সময় দেখা যায়, একাধিক ক্ষেত্রে পুরুষদের নাম সুবিধাভোগী হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। নদিয়ার একটি ব্লকেই ১৭৩টি এমন ঘটনার সন্ধান মিলেছে। এরপরই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে উদ্যোগী হয়েছে জেলা প্রশাসন। সরকারি সূত্রের দাবি, তথ্যভাণ্ডার যাচাইয়ের সময় এই অসঙ্গতি নজরে আসে।
Men getting Lakshmir Bhandar: রাজ্যের জনপ্রিয় সামাজিক প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এ অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে নদিয়ায়। প্রশাসনিক পর্যালোচনার সময় দেখা যায়, নদিয়ার একটি ব্লকে ১৭৩ জন পুরুষের নামে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা নেওয়ার তথ্য নথিভুক্ত রয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই শুরু হয়েছে তদন্ত। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য নির্ধারিত। কিন্তু সাম্প্রতিক তথ্য যাচাইয়ের সময় দেখা যায়, একাধিক ক্ষেত্রে পুরুষদের নাম সুবিধাভোগী হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নদিয়ার একটি ব্লকেই ১৭৩টি এমন ঘটনার সন্ধান মিলেছে। এরপরই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে উদ্যোগী হয়েছে জেলা প্রশাসন।

সরকারি সূত্রের দাবি, তথ্যভাণ্ডার যাচাইয়ের সময় এই অসঙ্গতি নজরে আসে। কীভাবে পুরুষদের নাম প্রকল্পের তালিকায় ঢুকে পড়ল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময় ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছিল, নাকি তথ্য নথিভুক্ত করার ক্ষেত্রে কোনও প্রশাসনিক ত্রুটি ঘটেছে, সেই বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হবে। জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট আবেদনগুলির নথি পুনরায় পরীক্ষা করা হচ্ছে। যাঁদের নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তাঁদের তথ্য যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রকৃত সুবিধাভোগীদের স্বার্থ রক্ষা এবং প্রকল্পের স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ বলে প্রশাসনের দাবি।
মমতার আমলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার রাজ্য সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ছিল। লক্ষ লক্ষ মহিলা এই প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সহায়তা পেয়ে থাকেন। ফলে প্রকল্পের সুবিধা বণ্টনে কোনও ধরনের অনিয়ম বা ভুল তথ্য সামনে এলে তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। নদিয়ার ঘটনায় প্রাথমিক তদন্ত শুরু হলেও, অন্য জেলাগুলিতেও একই ধরনের অসঙ্গতি রয়েছে কি না, তা নিয়েও নজর রাখা হচ্ছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে। ১৭৩ জন পুরুষের নামে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাওয়ার তথ্য সামনে আসায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে আবেদন যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলে কীভাবে এই অনিয়ম ঘটল এবং কারও গাফিলতি ছিল কি না, তা আরও স্পষ্ট হবে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


