Abhishek Foreign Treatment Case: মমতারা 'সেরা' বলতেন, সেই SSKM-এ চিকিৎসা না করার গোঁ ধরলেন অভিষেক, তাতেও ছালা গেল
Abhishek Foreign Treatment Case: আমও গেল, ছালাও গেল - কলকাতা হাইকোর্টে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এমনই পরিস্থিতির মুখে পড়তে হল। হাইকোর্টে ধাক্কা খেলেন জোরদার। বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে যে মামলা করেন, তা খারিজ হয়ে গেল।
Abhishek Foreign Treatment Case: চোখের চিকিৎসার জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশে যাওয়ার আর্জি খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিদেশে গিয়ে চিকিৎসার জন্য জেদ ধরেছিলেন অভিষেক। কিন্তু হাইকোর্ট জানিয়ে দেয় যে আগে এসএসকেএমে গিয়ে পরীক্ষা করতে হবে কালীঘাটপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। তারপর পরিস্থিতি বিবেচনা করা হবে। কিন্তু তাতে সায় ছিল না অভিষেকের। সেই পরিস্থিতিতে তাঁর মামলাই খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য।

পছন্দমতো জায়গায় চিকিৎসা করানোর আর্জি অভিষেকের
আর সেই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে যে মাসতিনেক আগে পর্যন্ত যে এসএসকেএমকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা ‘সেরা’ বলতেন, সেখানে কেন চিকিৎসা করতে যেতে চাইছেন না অভিষেক? হাইকোর্টে তিনি সওয়াল করেন যে নিজের পছন্দমতো জায়গায় চিকিৎসা করতে যেতে চান। এসএসকেএমে যেতে চান না। যদি বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি না দেওয়া হয়, তাহলে মামলা খারিজ দেওয়ার ‘প্রস্তাবও’ দেন।
'অভিষেক প্রতিবারই নির্ধারিত সময় বিদেশ থেকে ফিরেছেন'
অভিষেকের আইনজীবী সওয়াল করেন, অতীতেও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ বিদেশে যাওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। ২০২৩ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত মোট ১২ বার বিদেশে সফর গিয়েছিলেন। প্রতিবারই সময় মেনে ফিরেছেন দেশে। তাই অভিষেকের পালিয়ে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। তাছাড়াও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের কাছে কূটনৈতিক পাসপোর্ট থাকায় সরকার পুরো বিষয়টার উপরে নজর রাখতে পারে। অভিষেক বিদেশ গেলে তদন্তে কোনও প্রভাব পড়বে না বলেও সওয়াল করেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের আইনজীবী।
‘বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা করাটা মূল ব্যাপার নয়’
যদিও হাইকোর্ট জানায়, অভিষেকের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ মামলা আছে। তিনি বিদেশে চলে গেলে ওইসব মামলার শুনানির কী হবে? অভিষেকের যে চোখের চিকিৎসা হওয়া প্রয়োজন, সেটা খারিজ করা হচ্ছে না। কিন্তু কলকাতা বা দেশের অন্যত্র কোথাও চিকিৎসা হলে তো বিদেশে যেতে হবে না। বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা করাটা মূল ব্যাপার নয়। আসল হল যে সঠিক চিকিৎসা পাওয়া।
সেই রেশ ধরে হাইকোর্ট জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে এসএসকেএমে যেতে হবে অভিষেককে। যদি রাজ্যের অন্যতম সেরা সরকারি হাসপাতালের মেডিক্যাল টিম মনে করে যে অভিষেককে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে হবে, তাহলে বিষয়টি বিবেচনা করে দেখবে হাইকোর্ট। কিন্তু এসএসকেএমে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন অভিষেক। তার জেরে খারিজ করে দেওয়া হয় মামলা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


