Abhishek Banerjee attacked: হাসপাতাল থেকে বেরোলেন অভিষেক! পৌঁছেছিলেন মমতা, মুখ খুললেন দিদি, সরব বিরোধীরা, পাল্টা শমীক

বাইপাসের ধারে এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

Published on: May 30, 2026, 19:46:07 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্থা, জামা ছেঁড়া, মারধর, ডিম ছোঁড়ার ঘটনায় তুঙ্গে শোরগোল শহর কলকাতায়। আহত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে শহরের এক নামি হাসপাতালে এরপর নিয়ে যাওয়া হয়। খানিকক্ষণের মধ্যেই কালীঘাটের বাড়ি থেকে রওনা হন মমতা। তিনিও পৌঁছে যান হাসপাতালে। দেখা যায় হুইল চেয়ারে করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাসপাতালে ঢোকানো হচ্ছে। তার খানিক পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ওই হাসপাতালে ঢুকে যায়। পরে অভিষেককে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বের হন মমতা।

হাসপাতালে অভিষেক! পৌঁছলেন মমতা, মুখ খুললেন দিদি, পাল্টা শমীক(PTI Photo)(PTI05_30_2026_000282B) (PTI)
হাসপাতালে অভিষেক! পৌঁছলেন মমতা, মুখ খুললেন দিদি, পাল্টা শমীক(PTI Photo)(PTI05_30_2026_000282B) (PTI)

এদিন, ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে দেখা করার উদ্দেশে সোনারপুর যান অভিষেক। রাস্তায় বেশ কিছুটা জায়গায় এগোনোর পর তিনি চারচাকা গাড়ি থেকে নেমে বাইকে যান। সেই সময়ই বেশ কিছু স্থানীয় তাঁকে উদ্দেশ্য করে ডিম ছোঁড়েন। তাঁর জামা ছিঁড়ে দেন। ‘চোর চোর’ স্লোগানও দেওয়া হয়। মারধরও করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এরপর কেন্দ্রীয় বাহিনী সে অভিষেককে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। পরে অভিষেককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মারধরের ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘শাসকই ঘাতক হয়ে উঠল। লজ্জা হওয়া উচিত বিজেপির।’ সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূল তার বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘শংস আক্রমণের পরেও সঞ্জু কর্মকারের শোকাহত পরিবারকে পরিত্যাগ করতে চাননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতীদের সামনে আমাদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মুখ ফিরিয়ে নেননি। বরং, তিনি বিজেপি-সমর্থিত গুন্ডাদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সহানুভূতির রাজনীতি এবং ঘৃণার রাজনীতির মধ্যে এটাই পার্থক্য।’ কংগ্রেসের তরফে মল্লিকার্ডুন খাড়গে ঘটনার নিন্দা করেন। প্রতিবাদে সরব হন ইন্ডি জোটের অখিলেশ যাদবও।

এদিকে, এর আগে, সোনারপুরে তৃণমূলের আক্রান্ত তথা প্রয়াত কর্মীর বাড়িতে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, 'ওরা আমার প্রাণে মারতে চায়। মেরে দিক, আমার মৃতদেহ উদ্ধার হোক এখান থেকে। কিন্তু আমি জায়গা ছেড়ে যাব না।'

ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিজেপির তরফে শমীক ভট্টাচার্য বলেন,'আজ বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে বলেই তৃণমূলের নেতারা অক্ষত রয়েছেন। ওরা যে পরিমাণ অত্যাচার মানুষের উপর করেছে, আমাদের জেলা সভাপতি, আমাদের দলের কর্মীদের উপর করেছে, তারপর আমরা ছিলাম বলেই ওদের বিধায়ক,সাংসদরা এখনও এই অবস্থায় আছেন। অন্য কোনও দল থাকলে এতক্ষণ সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়িয়ে বলার সুযোগ পেতেন না। '

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More