Election Commission: দেড়শ'র বেশি অতিরিক্ত গণনা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করে দিল EC, সঙ্গে আরও পুলিশ পর্যবেক্ষক
কমিশন জানিয়েছে, সব মিলিয়ে মোট ১৬৫ জন অতিরিক্ত গণনা পর্যবেক্ষক নিয়োগ হয়েছে। ওই পর্যবেক্ষকদের কাজ হবে গণনা প্রক্রিয়ায় সাহায্য করা, এমনই তথ্য এসেছে কমিশন সূত্রে। জানা গিয়েছে, মোট ৭৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে নিয়োগ করা হচ্ছে।
২০২৬ বিধানসভা ভোটের ফলাফল গণনা। ৪ মে, সোমবারের অপেক্ষার কাউন্টডাউন ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে আজ শনিবার কমিশনের তরফে, অতিরিক্ত কাউন্টিং অবজার্ভার নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন। সব মিলিয়ে মোট ২৪২ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে কমিশন। শুধু যে অতিরিক্ত গণনা পর্যবেক্ষক বা কাউন্টিং অবজার্ভার নিয়োগ হবে, তা নয়। সঙ্গে আরও পুলিশ পর্যবেক্ষকও নিয়োগ হবে।

কমিশন জানিয়েছে, সব মিলিয়ে মোট ১৬৫ জন অতিরিক্ত গণনা পর্যবেক্ষক নিয়োগ হয়েছে। ওই পর্যবেক্ষকদের কাজ হবে গণনা প্রক্রিয়ায় সাহায্য করা, এমনই তথ্য এসেছে কমিশন সূত্রে। জানা গিয়েছে, মোট ৭৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে নিয়োগ করা হচ্ছে। প্রতিটি গণনাকেন্দ্রের জন্য এক জন করে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে কমিশন। জানা যাচ্ছে, যে বিধানসভায় একাধিক গণনাকেন্দ্র রয়েছে, সেখানে অতিরিক্ত পর্যবেক্ষকরা কাজ করবেন। তাঁরা আগে থেকে নিয়োগ করা পর্যবেক্ষকদের সাহায্য করবেন প্রতি টেবিলের মাইক্রো অবর্জারভারকে আলাদা করে ফল লিখতে হবে। পুলিশ পর্যবেক্ষকদের কাজ, গণনাকেন্দ্রের আশেপাশে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা দেখভাল করা। তবে পর্যবেক্ষকদের এক্তিয়ার নিয়ে বড় বার্তা দিয়ে কমিশন জানিয়েছে, কোনও অবস্থাতেই পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা গণনাকক্ষের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবেন না। তাঁরা অন্যান্য নির্বাচন কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবেন।
কমিশন ফের স্পষ্ট করে দিয়েছে, গণনাকেন্দ্রে কারা মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। নির্বাচন কমিশনের তরফে সাফ বলা হয়েছে, গণনা পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসার ছাড়া আর কেউ মোবাইল নিয়ে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। কাউন্টিং সুপারভাইজর প্রস্তুত করবেন ফর্ম ১৭ সি টু। সেখানেই লেখা হবে ফলাফল।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


