Annapurna Yojna Query: অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মে 'পরিবার' বলতে কাকে কাকে বোঝাচ্ছে? প্রশ্ন আবেদনকারীদের মনে
১১ পাতার এই ফর্মে আবেদনকারী এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের একাধিক ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য বিস্তারিতভাবে জানতে চাওয়া হয়েছে। পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ভোটার তালিকার তথ্য, রেশন কার্ড, স্বাস্থ্য বিমা, আয় ও পেশা সম্পর্কিত তথ্যও উল্লেখ করতে বলা হয়েছে।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনপত্র প্রকাশ্যে আসতেই সাধারণ মানুষের মনে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ১১ পাতার এই ফর্মে আবেদনকারী এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের একাধিক ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য বিস্তারিতভাবে জানতে চাওয়া হয়েছে। পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ভোটার তালিকার তথ্য, রেশন কার্ড, স্বাস্থ্য বিমা, আয় ও পেশা সম্পর্কিত তথ্যও উল্লেখ করতে বলা হয়েছে। এই বিষয়টিকেই ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

প্রতিবেদন সূত্রে জানা গিয়েছে, ফর্মের প্রথম ১১ পাতাজুড়ে আবেদনকারী ও পরিবারের সদস্যদের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা শুরু হয়েছে ‘পরিবার’ শব্দের ব্যাখ্যা নিয়ে। জানাতে হবে তাঁর পরিবারে কত জন সদস্য, সদস্যরা কী করেন, তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ডিটেলস, ভোটার তালিকার ডিটেলস, রেশন কার্ডের ডিটেলস, তাঁদের স্বাস্থ্য বিমা, আয়-পেশা ইত্যাদি একাধিক বিষয়। এই নিয়ে ফর্মের শেষ নম্বর পাতায় উল্লেখ করা হয়েছে, পরিবার বলতে এমন ব্যক্তিদের বোঝানো হচ্ছে যাঁরা সাধারণত একসঙ্গে বসবাস করেন এবং একই হেঁসেলের খাবার খান।
এই সংজ্ঞাকে কেন্দ্র করেই একাধিক বাস্তব সমস্যার প্রশ্ন উঠছে। যেমন বহু ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী কর্মসূত্রে আলাদা জায়গায় থাকেন। আবার পরিযায়ী শ্রমিকদের পরিবারেও একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা যায়। সেক্ষেত্রে তাঁদের পরিবার কীভাবে নির্ধারণ করা হবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। একইভাবে অনেকের ভোটার কার্ড বা আধার কার্ডে ভিন্ন ঠিকানা রয়েছে। বিশেষ করে বিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রে বাবার বাড়ির ঠিকানাই এখনও নথিতে থেকে গিয়েছে। ফলে আবেদন করার সময় কোন তথ্য গ্রহণযোগ্য হবে, তা নিয়েও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, অনেক ক্ষেত্রেই বাবা-মা এক জায়গায় থাকলেও কর্মসূত্রে ছেলে বা মেয়েরা অন্যত্র বসবাস করেন। তাঁদের ক্ষেত্রে পরিবার গণনার নিয়ম কী হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিএলও বা বুথ লেভেল অফিসারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সঠিক তথ্য জেনে ফর্ম পূরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক স্তর থেকেও বিষয়টি নিয়ে সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


