Babughat-Mayafur Ferry and Tourism: বাবুঘাট থেকে ফেরিতে মায়াপুর! জলপথ পর্যটনে জুড়বে চন্দননগর-শ্রীরামপুর-ব্যারাকপুর
Babughat-Mayafur Ferry and Tourism: জলপথ পর্যটনের উপরে জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার। হুগলি নদী ধরে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক জায়গাকে সংযুক্ত করে বিশেষ ফেরি বা ভেসেল চালানোর পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। প্রস্তাবিত রুটের তালিকায় কোনগুলি আছে?
Babughat-Mayafur Ferry and Tourism: বাবুঘাট থেকে ফেরিতে চেপেই পৌঁছে যাবেন মায়াপুরে - রাজ্য সরকারের তরফে সেই পরিকল্পনা করা হল। রাজ্যের ধর্মীয় ও হেরিটেজ পর্যটনের উপরে জোর দিতে ওই রুটে দুটি হাইব্রিড ডিজেল-ইলেকট্রিক ফেরি চালানো হবে। তাছাড়াও হুগলির ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্বকে তুলে ধরার জন্যও বিশেষ রুটে ভেসেল চালানোর ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করছে রাজ্য। স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরতে এবং ‘গঙ্গার তীরবর্তী ছোট্ট ইউরোপ’-র ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে ব্যারাকপুর, শ্রীরামপুর, চন্দননগর, ব্যান্ডেলকে সংযুক্ত করেও বিশেষ ভেসেল চালানো হবে।
বেলুড় মঠ ও দক্ষিণেশ্বরকে সংযুক্ত করা হবে জলপথ পরিবহণে
জলপথ পর্যটনের উপরে জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ন্যানো ব্যানানা দিয়ে তৈরি করা)
{{^htLoading}} {{/htLoading}}
পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ জানিয়েছেন, ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে যে যে অঞ্চলে স্বাধীনতা আন্দোলন হয়েছিল, সেখানে জলপথের পর্যটনের বিকাশের উপরে জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার। একইভাবে বেলুড় মঠ এবং দক্ষিণেশ্বরের মতো নদীতীরে অবস্থিত ধর্মীয়স্থানকেও জলপথ পর্যটনের আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।
অন্নপূর্ণা মন্দির, হংসেশ্বরী মন্দির ধরে পর্যটনের ডেডিকেটেড সার্ভিস
আবার হুগলি নদীর জলপথ ধরে ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ যে জায়গাগুলি আছে, সেগুলিকে সংযুক্ত করেও একটি ডেডিকেটেড ট্যুরিজম সার্কিট গড়ে তোলার তোড়জোড় করছে রাজ্য সরকার। ওই প্রস্তাবিত রুটে অন্নপূর্ণা মন্দির, হংসেশ্বরী মন্দির, দক্ষিণেশ্বর, বেলুড় মঠের মতো জায়গাকে রাখা হবে।
একইভাবে স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস-সমৃদ্ধ জায়গাগুলিকে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা চলছে। সবমিলিয়ে হুগলি নদীকে ঘিরে যে জলপথ পর্যটনের বিশাল সুযোগ আছে, তার সদ্ব্যবহার করতে চাইছে রাজ্য সরকার। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে ওইসব রুটে যে ভেসেল চালানো হবে, সেগুলি পরিবেশ-বান্ধবও হবে বলে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে।
ব্যারাকপুরে ‘উৎসধারা’ পার্ক, তুলে ধরা হবে স্বাধীনতার ইতিহাস
{{^htLoading}} {{/htLoading}}
তারইমধ্যে ব্যারাকপুরে ‘উৎসধারা’ পার্ক গড়ে তুলতে চলেছে পর্যটন দফতর। সেখানে তুলে ধরা হবে স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস। ব্রিটিশ আমল থেকে স্বাধীনতা আন্দোলনের বিভিন্ন ইতিহাস লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শোয়ের মাধ্যমে তুলে ধরারও পরিকল্পনা করা হয়েছে পর্যটন দফতর সূত্রের খবর। পর্যটন দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, দুর্গাপুজোর আগেই যাতে সেই পার্ক চালু করে দেওয়া যায়, সেই চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার।
অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা:
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা:
নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা:
অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।
Home/Bengal/Babughat-Mayafur Ferry and Tourism: বাবুঘাট থেকে ফেরিতে মায়াপুর! জলপথ পর্যটনে জুড়বে চন্দননগর-শ্রীরামপুর-ব্যারাকপুর
{{^htLoading}}
Advertisement
{{/htLoading}}
SHARE THIS ARTICLE ON
{{#usCountry}}{{/usCountry}}
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe