Baruipur Victim Mother after Encounter: 'সকলের সামনে প্রভাসকে মারলে আরও খুশি হতাম….', বললেন বারুইপুরের নাবালিকার মা
Baruipur Victim Mother after Encounter: 'সকলের সামনে প্রভাসকে মারলে আরও খুশি হতাম….', বললেন বারুইপুরের নাবালিকার মা। মঙ্গলবার গভীর রাতেই পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের।
Baruipur Victim Mother after Encounter: এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে বারুইপুর কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার রাতে (ইংরেজি মতে বুধবার) সূর্যপুরে এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পুনর্নিমাণের সময় তাকে আনা হয়েছিল। সেইসময় পুলিশের সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল প্রভাস। চালিয়েছিল গুলিও। পালটা আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায় পুলিশ। তাতেই প্রভাসের মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে। তবে তাকে জনসমক্ষে মারলে ভালো হত বলে জানালেন নির্যাতিতা নাবালিকার মা। সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাবালিকার মা জানিয়েছেন যে এনকাউন্টারে প্রভাসের মৃত্যু হওয়ায় তিনি খুশি। তবে সকলের সামনে তাকে মারলে আরও খুশি হতেন বলে জানিয়েছেন নাবালিকার মা।

৩০ মিটার দূরে অবস্থিত অপরাধস্থল ও এনকাউন্টার স্থল
আর যে জায়গায় এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে প্রভাসের, তা অপরাধের স্থল থেকে মেরেকেটে ৩০ মিটার দূরে অবস্থিত। যে এলাকা পুরোপুরি ঘিরে রেখেছে পুলিশ। যেখানে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, সেটা কাদা ও ঝোপঝাড় পেরিয়ে যেতে হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পেয়ারা, করমচা তোলার জন্য কার্যত হামাগুড়ি দিয়ে যেতে হয় ওই জায়গায়।
প্রয়োজনে পুলিশের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর
এমনিতে মঙ্গলবারই বারুইপুরে আসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নির্যাতিতা নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পরে বারুইপুর পুলিশ সুপারের অফিসের বাইরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ডিজিপিকে ৭২ ঘণ্টা দিয়েছি। আমি যা যা তথ্য় চেয়েছি, সেটার ভিত্তিতে প্রশাসনিক নিয়মকানুন মেনে উনি আমায় একটা রিপোর্ট দেবেন। রিপোর্ট দেওয়ার পরে প্রশাসনিক দিক থেকে আমাদের যে অ্যাকশন নেওয়ার, (সেটা আমরা নেব)। ওই সময়ের মধ্যে আমাদের লোকের যদি কোনও শিথিলতা থাকে, সেটা যদি এক পার্সেন্টও হয়, তাহলেও খুব কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
সেইসঙ্গে তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে পুলিশ বলেছে যে ইন্দ্রজিৎমণ্ডলকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে, তিনি নির্দোষ। বিচার দেওয়া হবে তাঁর পরিবারকেও। তাঁর কথায়, ‘প্রাথমিকভাবে যা পুলিশ বলেছে….আমি তদন্তকারী সংস্থা নই। গণপিটুনি দিয়ে যাঁকে মেরে ফেলা হয়েছে, সেই ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলও নির্দোষ। পুলিশ আমায় যা বলেছে, এটা আমার কথা নয়। তাঁর পরিবারের সঙ্গেও দেখা করেছি। তিনিও বিচার পাবেন।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


