Fake ED officer threatens TMC Leader: কাটমানির অভিযোগে বিদ্ধ TMC নেত্রী, ED অফিসার সেজে তাঁর থেকে ‘টাকা আদায়ের চেষ্টা’
Fake ED officer threatens TMC Leader: কাটমানির অভিযোগে বিদ্ধ তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা কলকাতা পুরনিগমের প্রাক্তন কাউন্সিলর। ইডি অফিসার সেজে তাঁর থেকে ‘টাকা আদায়ের চেষ্টা’ করা হল। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
Fake ED officer threatens TMC Leader: ইডি অফিসার সেজে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন কাউন্সিলর মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায় হুমকি দিচ্ছিলেন। ভুয়ো মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা দাবি করছিলেন। সেই অভিযোগে এক যুবককে হাতেনাতে ধরল রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশ। সূত্রের খবর, ধৃত ব্যক্তির নাম যুধাজিৎ ঘোষ। দক্ষিণ কলকাতার দেশপ্রিয় পার্কের কাছে মোতিলাল নেহরু রোডের একটি ক্যাফে থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

ক্যাফেতে বসেই চলছিল ব্ল্যাকমেইল, পুলিশের ঝটিতি অভিযান
পুলিশ সূত্রে খবর, এই গোটা ঘটনার সূত্রপাত ঘটে মঙ্গলবার সন্ধ্যায়। ঘড়িতে তখন আনুমানিক সন্ধ্যা ৭টা। প্রাক্তন কাউন্সিলর মোনালিসা নিজেই রবীন্দ্র সরোবর থানায় ফোন করেন। তিনি অভিযোগ করেন, মোতিলাল নেহরু রোডের একটি ক্যাফেটেরিয়ার ভিতরে এক ব্যক্তি নিজেকে উচ্চপদস্থ ইডি আধিকারিক পরিচয় দিয়ে তাঁকে আটকে রেখেছেন এবং ভয় দেখিয়ে বিপুল টাকা দাবি করছেন। টাকা না দিলে তাঁকে গ্রেফতার করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
পরে মামলা থেকে নাম বাদ দিয়ে দেব, প্রস্তাব দিয়েছিলেন অভিযুক্ত
তড়িঘড়ি ক্যাফেতে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশ। পরে বয়ানে অসঙ্গতি থাকায় এবং কোনও বৈধ পরিচয়পত্র দেখাতে না পারায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, যুধাজিৎ নিজেকে ইডির একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী ও সিনিয়র অফিসার হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, একটি গোপন আর্থিক ছরুপের মামলায় মোনালিসার নাম জড়িয়ে গিয়েছে। এরপরই টাকার বিনিময়ে রফা করার প্রস্তাব দেন।
পুলিশ সূত্রে খবর, যুধাজিৎ বলেন যে যদি তাঁকে একটি মোটা অঙ্কের টাকা দেন, তবে প্রভাব খাটিয়ে ইডির ফাইল থেকে মোনালিসার নাম চিরতরে মুছে দেবেন। কিন্তু প্রাক্তন কাউন্সিলর এই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গ্রেফতার করার ভয় দেখাতে শুরু করেন। যদিও তারইমধ্যে যুধাজিৎকেই গ্রেফতার করে নিয়েছে পুলিশ। এক পুলিশ কর্তা বলেছেন, 'ধৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা চলছে যে তিনি এর আগেও ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় এজেন্সির নাম ভাঙিয়ে শহরের আর কোনও প্রভাবশালী বা সাধারণ মানুষকে নিজের জালে ফাঁসিয়েছে কিনা।'
কাটমানি ও তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে
আর যে মোনালিসাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, দিনকয়েক আগেই তাঁর বিরুদ্ধে একগুচ্ছ পোস্টার পড়েছিল। তোলাবাজি, কাটমানির অভিযোগ ওঠে প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলের বিরুদ্ধে। পোস্টারে লেখা ছিল, ‘স্কোয়ার ফুটে পয়সা নাও, চোর মোনালিসা বিদায় নাও’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


