দত্তাবাদে স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে বাজেয়াপ্ত বিডিও-র নীলবাতির গাড়ি, গ্রেফতারের দাবি
সজলের দাদা, ভাই এবং বউদি গায়ত্রী সরকার যিনি কোচবিহার ২ নম্বর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই গা-ঢাকা দিয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে।দলের অভ্যন্তরেও সজলকে ঘিরে চাপ বাড়ছে।
স্বপন কুমিল্যার পরিবারের অভিযোগ, অপহরণ থেকে খুন সবকিছুর নেপথ্যে রয়েছেন বিডিও প্রশান্ত বর্মন। তাঁদের দাবি, ঘটনার রাতে নিউটাউনের একটি ফ্ল্যাটে ছয়জন মিলে স্বপনকে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার পরই দেহ সরাতে ওই নীলবাতিওয়ালা গাড়ি ব্যবহার করা হয় বলে সন্দেহ। তবে এখনও পর্যন্ত বিডিওকে গ্রেফতার করা হয়নি, যা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহত ব্যবসায়ীর পরিবারের সদস্যরা।
এই মামলায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে প্রশান্ত বর্মনের গাড়িচালক রাজু ঢালি, তাঁর বন্ধু তুফান থাপা এবং কোচবিহার ২ নম্বর ব্লকের তৃণমূল নেতা সজল সরকার। তিনজনকেই ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তবে গ্রেফতার সজল সরকারের বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ উঠে এসেছে উত্তর-পূর্ব ভারতকে করিডর করে সোনা পাচারের সঙ্গে তাঁর পরিবারের যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে কোচবিহার জেলা পুলিশ প্রস্তুতি নিচ্ছে। সজলের দাদা, ভাই এবং বউদি গায়ত্রী সরকার যিনি কোচবিহার ২ নম্বর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই গা-ঢাকা দিয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে।
দলের অভ্যন্তরেও সজলকে ঘিরে চাপ বাড়ছে। তিনি জেলা তৃণমূল সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক ঘোষিত কমিটির পালটা কমিটি তৈরি করে ব্লকের দায়িত্ব সামলাতেন। তাঁর গ্রেফতারের পর তাঁকে পদ থেকে সরানোর প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, নতুন ব্লক সভাপতি শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে। তিনি আরও জানান, লোকসভা ভোটের সময়ও ওর নেতৃত্বে বিশেষ কাজ হয়নি। ও না থাকলে ক্ষতি হবে এমন কিছু নয়। পুলিশের ধারণা, গাড়ির ফরেন্সিক পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে।
News/Bengal/দত্তাবাদে স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে বাজেয়াপ্ত বিডিও-র নীলবাতির গাড়ি, গ্রেফতারের দাবি