Suvendu Adhikari: চন্দ্রনাথ রথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, নিহতের অশ্রুসজল মা বললেন…

চন্দ্রনাথের মা বললেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর উপর আস্থা আছে। আশা রাখছি, ছেলের খুনের বিচার হবে।’

Published on: May 17, 2026, 22:27:31 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

রাজ্যে বিধানসভা ভোটে বিজেপির জয়ের ২ দিন পরই রাতের মধ্যমগ্রামের রাস্তায় খুন হন শুভেন্দু অধিকারীর তৎকালীন আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ। ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছিল গোটা বাংলায়। আজ রবিবার চণ্ডীপুরে সেই চন্দ্রনাথ রথের বাড়ি পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

আজ চন্দ্রনাথ রথের বাড়িতে পৌঁছেছিলেন শুভেন্দু। (PTI Photo) (ফাইল চিত্র) (PTI)
আজ চন্দ্রনাথ রথের বাড়িতে পৌঁছেছিলেন শুভেন্দু। (PTI Photo) (ফাইল চিত্র) (PTI)

চন্দ্রনাথ রথের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিচারের আশ্বাস দেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পরিবারের কী কথা হল? তা নিয়ে অশ্রুসিক্ত অবস্থায় চন্দ্রনাথের মা বললেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর উপর আস্থা আছে। আশা রাখছি, ছেলের খুনের বিচার হবে।’ জানা গিয়েছে, আজ চন্দ্রনাথের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সময় আবেগঘন হয়ে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুও।

আজ, রবিবার ছিল চন্দ্রনাথ শ্রাদ্ধানুষ্ঠান। এদিন বিকেলে নিহত চন্দ্রনাথের চণ্ডীপুরের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রথমেই তাঁর ছবিতে মাল্যদান করেন তিনি। এরপর দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে।

চন্দ্রনাথ খুন হয়েছিলেন ৬ মে। রাজ্যের ভোটের ঠিক ২ দিন পরে। তাঁর দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গী চন্দ্রনাথের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরই শুভেন্দু জানিয়েছিলেন মৃতের পরিবারের দায়িত্ব তাঁর। অন্যদিকে, খুন ঘিরে শুরু হয়ে যায় পুলিশি তদন্ত। আর পুলিশি তদন্তের হাত ধরে চন্দ্রনাথ হত্যাকাণ্ডে উত্তরপ্রদেশ থেকে ৩ জন ধরা পড়ে। এরপর মামলা যায় সিবিআই-র হাতে। চন্দ্রনাথ হত্যার নেপথ্যে কে? প্রশ্ন পরিবারের, প্রশ্ন গোটা বাংলার। এর আগে, মধ্যমগ্রামের রাস্তায় চন্দ্রনাথ রথকে পরপর গুলি করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। চারটি গুলির মধ্যে তাঁর পেটে, বুকে ও মাথায় লাগে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More